আমি তোমাকে কতবার বলেছি আমি বৃক্ষের মতো অনড় নই
তুমি যতবার ফিরে এসেছ ততবারই ভেবেছ
আমি কদমবৃক্ষ হয়ে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকব
কিন্তু এখন দেখ আমি গাছের নিচে দাঁড়িয়ে থাকলেও
হয়ে গিয়েছি বৃক্ষের অধিক এক কম্পমান সত্তা
বাঁশি বাজিয়ে ফুঁ ধরেছি আর চতুর্দিক থেকে কেঁদে
উঠেছে রাধারা
আমি কি বলেছিলাম ঘর ভেঙে আমার কাছে এসো
আমি কি বলেছিলাম যমুনায় কলস ভাসিয়ে
সিক্ত অঙ্গে কদমতলায় মিলিত হও ?
আমি তো বলিনি লাজ লজ্জা সংসার সম্পর্ক যমুনার জলে
ভাসিয়ে দাও
আমি তো নদীর স্বভাব জানি স্রোত বুঝি কূল ভাঙা বুঝি
কিন্তু তোমাকে বুঝতে বাঁশিতে দেখ কতগুলো ছিদ্র
সব ছিদ্র থেকেই ফুঁ বেরোয়
আর আমার বুক থেকে রক্ত।
Related Articles
সব কথা তোমাকে জানাবো ভেবেছিলাম
সব কথা তোমাকে জানাবো ভেবেছিলাম, কিনে এনেছিলাম আকাশী রঙের হাওয়াই চিঠি, সে চিঠির অক্ষরে অক্ষরে লেখা যেত, কেন তোমাকে এখনো চিঠি লেখার কথা ভাবি, আমাদের উঠোনে কামিনী ফুলগাছে এবার বর্ষায় ফুলের ছড়াছড়ি, তুমি আরেকটু কাছে থাকলেই বৃষ্টিভেজা বাতাসে সে সৌরভ তোমার কাছে পৌঁছাতো। আর তোমার উপহার দেওয়া সেই স্বচ্ছন্দ বেড়ালছানা এখন এক মাথামোটা অতিকায় হুলো, […]
প্রেমকণা
১. মূলত মানুষ একা যে যত বলুক সঙ্গে আছে, আসলে তা অযথা সান্ত্বনা সঙ্গে কিন্তু কেউই থাকে না প্রয়োজনে মানুষের সঙ্গে মানুষের তো প্রশ্ন ওঠে না পশুও থাকে না। ২. ঠিক আছে ঠিক আছে আমাকে একলা ফেলে যেখানেই যাও তুমি নিশ্চয়ই কোনও না কোনও দিক আছে ঠিক আছে, ঠিক আছে। ৩. ভালবাসি শুনে তার সে […]
প্রত্যেক তৃতীয় চিন্তা
মানুষের মতো চোখ, বিস্ফোরণ, সমাধির মতো শূন্যে প্রচ্ছন্ন কপাল পদচুম্বনের মতো ভালোবাসা ভিতরে রয়েছে ভালোবাসা তিনশো মাইল দূরে গিয়ে আলিঙ্গন করে দূর থেকে ভালোবাসা দেখে যেতে লোভ হয়, শরীর লুকোতে চায় জ্যোৎস্নালোকে, তবুও জ্যোৎস্নায় স্পষ্ঠ ছাড়া পড়ে এত স্পর্শকাতরতা। গোলাপের মতো এক ধানক্ষেত, পুরুষ নামের সব নদী বড় চেনা লাগে, দুঃখে কোনো পাপ নেই- যত […]

