আমি তোমাকে কতবার বলেছি আমি বৃক্ষের মতো অনড় নই
তুমি যতবার ফিরে এসেছ ততবারই ভেবেছ
আমি কদমবৃক্ষ হয়ে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকব
কিন্তু এখন দেখ আমি গাছের নিচে দাঁড়িয়ে থাকলেও
হয়ে গিয়েছি বৃক্ষের অধিক এক কম্পমান সত্তা
বাঁশি বাজিয়ে ফুঁ ধরেছি আর চতুর্দিক থেকে কেঁদে
উঠেছে রাধারা
আমি কি বলেছিলাম ঘর ভেঙে আমার কাছে এসো
আমি কি বলেছিলাম যমুনায় কলস ভাসিয়ে
সিক্ত অঙ্গে কদমতলায় মিলিত হও ?
আমি তো বলিনি লাজ লজ্জা সংসার সম্পর্ক যমুনার জলে
ভাসিয়ে দাও
আমি তো নদীর স্বভাব জানি স্রোত বুঝি কূল ভাঙা বুঝি
কিন্তু তোমাকে বুঝতে বাঁশিতে দেখ কতগুলো ছিদ্র
সব ছিদ্র থেকেই ফুঁ বেরোয়
আর আমার বুক থেকে রক্ত।
Related Articles
যাও, পত্রদূত
যাও পত্রদূত, বোলো তার কানে-কানে মৃদু স্বরে সলজ্জ ভাষায় এই বার্তা: “কোমল পাথর, তুমি সুর্যাস্তের লাল আভা জড়িয়ে রয়েছো বরতনু; প্রকৃতি জানে না নিজে কতোটা সুন্দর বনভূমি।” যাও, বোলো তার কানে ভ্রমরসদৃশ গুঞ্জরণে, চোখের প্রশংসা কোরো, বোলো সুঠাম সুন্দর শরীরের প্রতি বাঁকে তার মরণ লুকিয়ে আছে, অন্য কেউ নয়, সে আমার আকণ্ঠ তৃষ্ণার জল: চুলের […]
গোধূলির গান
জানি না ক্লান্তির আর্তি ছাড়া অন্য কোনো ধ্বনি ছিল কি না সন্ধ্যার নদীর স্বরে কে যেন মন্ত্রের মতো উচ্চারণ করে কবেকার ভুলে যাওয়া নাম। দেবতার মতো তবু মন্ত্র ছড়ায় প্রাচীন দেবদারুগাছ! একবার ফিরে যাই, ফিরে আসি বধ্যভূমিতে আবার আমার বিপন্ন সংগীত মাড়িয়ে মাড়িয়ে হন্তারকেরা নিরাপদে হেঁটে যায়। এবং হঠাৎ একটি অচেনা পাখি দ্যুলোক-ভূলোকজুড়ে বারবার রটিয়ে […]
ধন্যবাদ মেঘমালা
কোন নক্ষত্র ভেজা রাতে, তোমার কাজল রাঙ্গা চোখ বেয়ে যেন আরো আধাঁর নামে। হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে যায় চেনা ঝি ঝির ডাকে, আধ-খোলা জানাল দিয়ে আসা জ্যোৎস্নার কয়েকবিন্দু আলোয়, আর কাঁচের চুড়ির রুনুঝুনু শব্দে। তুমি অর্ধ জাগ্রত, কিছুটা অপ্রস্তুত শাড়ি বাঁ পাশে সরে যাওয়া টিপ আর বুকের ভাঁজে তিল। হঠাৎ বৃষ্টি নামে, তোমার বৃষ্টির জলে ভেজা […]

