ভরা থাক, ভরা থাক…
স্মৃতি সুধায় বিদায়ের পাত্রখানি
ভরা থাক, ভরা থাক…
মিলনের উৎসবে তায় ফিরায়ে দিও আনি
ভরা থাক, ভরা থাক…
বিষাদের অশ্রুজলে নীরবের মর্মতলে,
বিষাদের অশ্রুজলে নীরবের মর্মতলে।
গোপনে উঠুক ফলে হৃদয়ের নতুনবানী
গোপনে উঠুক ফলে হৃদয়ের নতুনবাণী
ভরা থাক, ভরা থাক।
যে পথে যেতে হবে সে পথে তুমি একা
নয়নে আধার রবে ধ্যায়ানে আলোক রেখা,
যে পথে যেতে হবে সে পথে তুমি একা
নয়নে আধার রবে ধ্যায়ানে আলোক রেখা।
সারাদিন সংগোপনে সুধারস ঢালবে মনে,
সারাদিন সংগোপনে সুধারস ঢালবে মনে।
পরাণের পদ্মবনে বিরহের বীণাপাণী,
পরাণের পদ্মবনে বিরহের বীণাপাণী।
ভরা থাক, ভরা থাক…
স্মৃতি সুধায় বিদায়ের পাত্রখানি
ভরা থাক, ভরা থাক…
Related Articles
যারা বিহান-বেলায় গান এনেছিল আমার মনে
যারা বিহান-বেলায় গান এনেছিল আমার মনে সাঁঝের বেলায় ছায়ায় তারা মিলায় ধীরে। একা বসে আছি হেথায় যাতায়াতের পথের তীরে, আজকে তারা এল আমার স্বপ্নলোকের দুয়ার ঘিরে। সুরহারা সব ব্যথা যত একতারা তার খুঁজে ফিরে। প্রহর-পরে প্রহর যে যায়, বসে বসে কেবল গণি নীরব জপের মালার ধ্বনি অন্ধকারের শিরে শিরে॥
কেহ কারো মন বোঝে না, কাছে এসে সরে যায়
কেহ কারো মন বোঝে না, কাছে এসে সরে যায়। সোহাগের হাসিটি কেন চোখের জলে মরে যায়|| বাতাস যখন কেঁদে গেল প্রাণ খুলে ফুল ফুটিল না, সাঁঝের বেলা একাকিনী কেন রে ফুল ঝরে যায়|| মুখের পানে চেয়ে দেখো, আঁখিতে মিলাও আঁখি____ মধুর প্রাণের কথা প্রাণেতে রেখো না ঢাকি। এ রজনী রহিবে না, আর কথা হইবে না____ […]
আমি আশায় আশায় থাকি
আমি আশায় আশায় থাকি। আমার তৃষিত-আকুল আঁখি॥ ঘুমে-জাগরণে-মেশা প্রাণে স্বপনের নেশা– দূর দিগন্তে চেয়ে কাহারে ডাকি॥ বনে বনে করে কানাকানি অশ্রুত বাণী, কী গাহে পাখি। কী কব না পাই ভাষা, মোর জীবন রঙিন কুয়াশা ফেলেছে ঢাকি। রাগ: কাফি-কানাড়া তাল: কাহারবা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1346 রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1939 স্বরলিপিকার: শৈলজারঞ্জন মজুমদার ami-ashay-ashay-thaki

