দৈবক্রমেই তোমার সঙ্গে দেখা
তখন তুমি সাঁকোর পরে একা
মড়মড়িয়ে ভাঙছে তখন সাঁকো,
সাঁকোর নীচে খরস্রোতা বান
বাঁধ ভেঙেছে নগর ছত্রখান
চেঁচিয়ে বলি, বাঁচতে হলে বাঁকো।
তখন তুমি নিজের দিকে ঝুঁকে
গোপন কিছু লুকিয়ে নিলে বুকে
শুধিয়েছিলে, তুমি কোথায় থাকো?
আমি থাকি বজ্রে, বন্যা-জলে
যেসব ব্যথা অন্ধকারে জ্বলে,
বাঁচতে হলে আমার সঙ্গে বাঁকো।
দৈবক্রমেই তোমার সঙ্গে দেখা
তুমি তখন মৃত্যুকালীন একা।
Related Articles
অল্পকথা
অশান্ত এ মনে শ্রাবণের ধারার মাঝে অসীম অন্ধকারে কত যে সুর বাজে অল্পকথা অল্পগান রইলো আজ লেখা হৃদয়ে এঁকে যাই আজ হৃদয়েরই রূপরেখা ।। আঁখির আকাশে যখনই হয় কল্পনার প্রবেশ আলোকিত করে তুলে সৃষ্টিরূপের দেশ আঁধার ভেঙে উল্লাসে নাচে কবিতার শব্দরাশি সুরের ঐক্যতানে বেজে উঠে মনে প্রেমের বাঁশি ।। প্রজাপতির ডানায় আলতো ছুঁয়ে যায় আমায় […]
পাখির মতো
আম্মা বলেন, পড়রে সোনা আব্বা বলেন, মন দে; পাঠে আমার মন বসে না কাঁঠালচাঁপার গন্ধে। আমার কেবল ইচ্ছে জাগে নদীর কাছে থাকতে, বকুল ডালে লুকিয়ে থেকে পাখির মতো ডাকতে। সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ে কর্ণফুলীর কূলটায়, দুধভরা ঐ চাঁদের বাটি ফেরেস্তারা উল্টায়। তখন কেবল ভাবতে থাকি কেমন করে উড়বো, কেমন করে শহর ছেড়ে সবুজ গাঁয়ে ঘুরবো […]
কবি ও কবিতা
১৫. কবি ও কবিতা কবির জীবন খেয়ে জীবন ধারণ করে কবিতা এমন এক পিতৃঘাতী শব্দের শরীর, কবি তবু সযত্নে কবিতাকে লালন করেন, যেমন যত্নে রাখে তীর জেনে-শুনে সব জল ভয়াল নদীর। সর্বভূক এ কবিতা কবির প্রভাত খায় দুপুর সন্ধ্যা খায়, অবশেষে নিশীথে তাকায় যেন বয়ঃসন্ধিকালের কিশোরী, কবিকে মাতাল করে শুরু হয় চারু তোলপাড়, যেন এক […]
One thought on “দৈবক্রমেই তোমার সঙ্গে দেখা”
Comments are closed.


nice