নিশির ডাক শুনে
মাঝরাত্তিরে যারা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল,
এখন আবার
খুব শান্ত আর খুব সুন্দর এই সকালবেলায়
একে-একে সেই ছেলেগুলো যে যার
ঘরে ফিরে আসছে।
ওদের ছেঁড়া জামাকাপড়, ওদের
রক্তাক্ত হাত-পা, আর সেইসঙ্গে ওদের
ভাষাহীন চাউনি দেখেই
বোঝা যায় যে, যা পাবে বলে ওরা
রাস্তায় গিয়ে নেমেছিল,
তা ওরা পায়নি।
মাথা নিচু করে ওরা এখন ফিরে আসছে।
অথচ, রাত্তিরের অন্ধকারে
অনেক-অনেক কাঁটাঝোপ ওরা পেরিয়ে গিয়েছিল
অনেক-অনেক পথ।
১০ ভাদ্র, ১৩৯৮
Related Articles
আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন
আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখাতিস হাতের মুঠোয় ধরতে চাইতিস, বলতিস — ” একদিন আকাশ ছোঁবই” । আমি ভয় পেতাম খুব খুব ভয় পেতাম , চাঁদের সাথে খুনসুটি আর তারাদের সাথে পথ চলা, তাই তো আকাশকে মুঠোবন্দী করতে চাই নি । তুই ছিলি অহংকারী , তাই আকাশ ছুঁতে চেয়েছিলি , কিন্তু ধরা সে দেয় নি, তাই আকাশ […]
গড়াতে গড়াতে কোন বোঁটা থেকে
কোথায় তার শুরু, কোন আকাশের কোন বোঁটায় কেউ জানে না; কেউ জানে না কোন দরিয়ায় কোন ঘূর্ণিস্রোতের গোপনাঙ্গে শেষমেশ তার ঠাঁই। তবু যখন অঙ্কুরিত হলো তার বীর্য, শুধু যাই-যাই। যাবে তো যাবে, কিন্তু কোথায় যাবে, কোন পথে? ঠিকানা অটুট আছে কোন বটমূলে, কোন অশ্বত্থে? যেতে যেতে পাল গুটাবে কোন চিলমারীর ঘাটে? গাভীর ওলান ছেড়ে কোন […]
কষ্টের কস্তুরী
কিছু কিছু কষ্ট আছে ক্ষতে কোন মলম লাগে না। কারওর শুশ্রুষা নয় গাঢ় মমতায় জেগে থাকা রাত নয় হাওয়া পরিবর্তন, তা-ও নয় সেরে যায়। কিছু কষ্ট নিয়ত পোড়ায় ক্ষুদ্র তুচ্ছ কিছু, ফুঁ মেরে উড়িয়ে দেওয়ার মতো কিছু কষ্টের ক্ষীণাঙ্গী শরীরেও আগুনের আঁচ থাকে সেইসব কষ্টগুলো বর্শা বেঁধায় না দুই চক্ষু অন্ধ করে না, কেবল কোথায় […]

