নিশির ডাক শুনে
মাঝরাত্তিরে যারা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল,
এখন আবার
খুব শান্ত আর খুব সুন্দর এই সকালবেলায়
একে-একে সেই ছেলেগুলো যে যার
ঘরে ফিরে আসছে।
ওদের ছেঁড়া জামাকাপড়, ওদের
রক্তাক্ত হাত-পা, আর সেইসঙ্গে ওদের
ভাষাহীন চাউনি দেখেই
বোঝা যায় যে, যা পাবে বলে ওরা
রাস্তায় গিয়ে নেমেছিল,
তা ওরা পায়নি।
মাথা নিচু করে ওরা এখন ফিরে আসছে।
অথচ, রাত্তিরের অন্ধকারে
অনেক-অনেক কাঁটাঝোপ ওরা পেরিয়ে গিয়েছিল
অনেক-অনেক পথ।
১০ ভাদ্র, ১৩৯৮
Related Articles
যে-তুমি নক্ষত্র আমার
তাহলে দরোজারই সমুক্ষে সেই দরোজা তোমার দরোজা ! কত সড়কেই না আমি সন্ধান করেছি এমন একটি দরোজা যেখানে আলো পড়লেই সবুজ! কিন্তু বিবর্ণ এই সময়! মাছের পেটের ভেতরে প্রত্যাদিষ্ট একজন কতকাল অপেক্ষায় আছে বেরোবার। তার শ্বাস-প্রশ্বাসÑসে তো আমারই। অগণন নক্ষত্র ছিল আকাশে, তার ভেতরে তুমি একটি। একটি বেদনা-বৃক্ষের সবুজ লেবু ফলিয়ে চলেছে বিষণœতার বিপরীতে। দাঁড়াও, […]
ধ্বনি তরঙ্গ
বহুদূর থেকে ভেসে আসে কানে ধ্বনিত রঙ্গ বুক কাঁপে আর সুখে কেঁপে ওঠে আমার অঙ্গ কবি আমি বটে সবার আগে আমি মনুষ্য দেখি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে আমার শস্য গানের আকারে প্রাণের তাগিদে আমি বেঁচে আছি সময়ের মাঝে আমার মৃত্যু নিশ্চিত নয় মৃত্যু মানেই সমাপ্তি তাই গাহি জীবনের জয় আমাকে দেখেই হাত বাড়িয়েছে ঐযে আকাশ মাটি […]
দেখা হবে
ভ্রূ-পল্লবে ডাক দিলে, দেখা হবে চন্দনের বনে- সগন্ধের সঙ্গে পাবো, দ্বিপ্রহরে বিজন ছায়ায় আহা, কি শীতল স্পর্শ হৃদয়-ললাটে, আহা, চন্দন চন্দন দৃষ্টিতে কি শান্তি দিলে, চন্দন, চন্দন আমি বসে থাকবো দীর্ঘ নিরালায় প্রথম যৌবনে আমি অনেক ঘুরেছি অন্ধ, শিমূলে জরুলে লক্ষ লক্ষ মহাদ্রুম, শিরা-উপশিরা নিয়ে জীবনের কত বিজ্ঞাপন তবুও জীবন জ্বলে, সমস্ত অরণ্য-দেশ জ্বলে ওঠে […]

