নিশির ডাক শুনে
মাঝরাত্তিরে যারা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল,
এখন আবার
খুব শান্ত আর খুব সুন্দর এই সকালবেলায়
একে-একে সেই ছেলেগুলো যে যার
ঘরে ফিরে আসছে।
ওদের ছেঁড়া জামাকাপড়, ওদের
রক্তাক্ত হাত-পা, আর সেইসঙ্গে ওদের
ভাষাহীন চাউনি দেখেই
বোঝা যায় যে, যা পাবে বলে ওরা
রাস্তায় গিয়ে নেমেছিল,
তা ওরা পায়নি।
মাথা নিচু করে ওরা এখন ফিরে আসছে।
অথচ, রাত্তিরের অন্ধকারে
অনেক-অনেক কাঁটাঝোপ ওরা পেরিয়ে গিয়েছিল
অনেক-অনেক পথ।
১০ ভাদ্র, ১৩৯৮
Related Articles
এবার হয়েছে সন্ধ্যা
এবার হয়েছে সন্ধ্যা। সারাদিন ভেঙেছো পাথর পাহাড়ের কোলে আষাঢ়ের বৃষ্টি শেষ হয়ে গেলো শালের জঙ্গলে তোমারও তো শ্রান্ত হলো মুঠি অন্যায় হবে না – নাও ছুটি বিদেশেই চলো যে কথা বলনি আগে, এ-বছর সেই কথা বলো। শ্রাবনের মেঘ কি মন্থর! তোমার সর্বাঙ্গ জুড়ে জ্বর ছলোছলো যে কথা বলনি আগে, এ-বছর সেই কথা বলো। এবার হয়েছে […]
আমি আসছি
আকাশে তাকালাম তোমার মুখ চোখ বন্ধ করলাম তোমার মুখ বজ্রকে বধির করে তুমি আমায় ডাকছ। কচি কচি কন্ঠে দিন আর রাত্রিকে টুকরো টুকরো ক’রে কারা কাঁদছে মৃত্যুর আতঙ্কে জীবনকে জড়িয়ে ধ’রে কারা কাঁদছে তাই বজ্রকে বধির করে তুমি আমায় ডাকছ। আমি আসছি__ দুহাতে অন্ধকার ঠেলে ঠেলে আমি আসছি। সঙিন উদ্যত করেছ কে? সরাও। বাধার দেয়াল […]
যেভাবেই চাও…
আমি নাকি পুরাতন, বিরক্তিকর আমার ভালবাসার ধরন,তাইতো দুরে রও নির্জীব আমায় ফেলে অকারন ছিঁড়ে বন্ধন একা হারাও বারে বার…। ভেবনা আমিও চৌকাঠ পেড়বো তোমার বুকের, নিয়ে মেনে পরাজয় পরিহাসের, তুমি যেভাবেই চাও, হব সেরকম খোলস ফেলি পুড়িয়ে লাভায় হব শক্ত-আধুনিক হব কাঙ্খিত পশু-প্রেমিক…। শুধু বলব না তোমায় আগের মত কতটা ভালবাসি! এ বুকের ভালমানুষী প্রেমিকটাকে […]

