অনিকেত শব্দরা ঘোরে মুখে মুখে
এক কান থেকে আর এক কানে;
ঝাপটায় ডানা পরিযায়ী হংসযূথ
পড়ে মুখ থুবড়ে ফাঁদে আটকে;
অভিভাবকহীন শব্দের মঞ্জুরি
ঝরে টুপটাপ রাত-দিন সারাবেলা,
নির্জন অরণ্যে বাজে কুঠারের শব্দ
নিঃসঙ্গ আকাশে যায় উঠে যায় চৈত্রের হাওয়া
পাতারা ওড়ে ঘরময় আনাচে-কানাচে কাননে
আলো ছায়ায় নকশা ভাঙে সাদা কাগজে,
আত্মতুষ্ট কালো অক্ষরের চাতক হা-মুখে
মোড়ে মোড়ে এক, ঠ্যাং ঢালে অবিরল নির্ঝর।
Related Articles
কথোপকথন-১২
-কাল বিকেলে তোমার ঘাড়ে চিবুক রেখে প্রকান্ড বাঘ কি খুঁজছিল দেখতে পেলে ? -জানি জানি, খুঁজছিল তার সুখের নদীর উৎস এবং পারাপারের শেষ পারানি । -সমস্ত রাত নিজের বুকের পাথর খুঁড়ে বইয়েছে কাল ক্ষতিকারক জলপ্রপাত । -লক্ষী সোনা, আমি তোমার আমি তোমার রৌদ্রছায়ায় সর্বক্ষণই সঙ্গে হাঁঠি সমুদ্রতীর কষ্ট দিলেই বিছোই বালির শীতল পাটি বুকের কাছে […]
একুশে নভেম্বর ১৯৪৬
আবার এবার দুর্বার সেই একুশে নভেম্বর- আকাশের কোণে বিদ্যুৎ হেনে তুলে দিয়ে গেল মুত্যুকাঁপানো ঝড়। আবার এদেশে মাঠে, ময়দানে সুদূর গ্রামেও জনতার প্রাণে হাসানাবাদের ইঙ্গিত হানে প্রত্যাঘাতের স্বপ্ন ভয়ঙ্কর। আবার এসেছে অবাধ্য এক একুশে নভেম্বর।। পিছনে রয়েছে একটি বছর, একটি পুরনো সাল, ধর্মঘট আর চরম আঘাতে উদ্দাম, উত্তাল; বার বার জিতে, জানি অবশেষে একবার গেছি […]
শ্যামলসুন্দর
তোমাকে দেখলে ইচ্ছে করে শুরু থেকে শুরু করি আমার জীবন। তোমাকে দেখলে ইচ্ছে করে মরে যাই, মরে গিয়ে পুন্য জল হই কখনও তৃষ্ণার্ত হলে তুমি সেই জল যদি ছুঁয়ে দেখো। আমার আকাশ দেব তুমি রোদ বৃষ্টি যখন যা খুশি চাও নিয়ো তোমার অনিদ্রা জুড়ে দেব আমি আমার মর্ফিন। বারো বছরের মতো দীর্ঘ একটি রাত্তির দিয়ো […]

