অনিকেত শব্দরা ঘোরে মুখে মুখে
এক কান থেকে আর এক কানে;
ঝাপটায় ডানা পরিযায়ী হংসযূথ
পড়ে মুখ থুবড়ে ফাঁদে আটকে;
অভিভাবকহীন শব্দের মঞ্জুরি
ঝরে টুপটাপ রাত-দিন সারাবেলা,
নির্জন অরণ্যে বাজে কুঠারের শব্দ
নিঃসঙ্গ আকাশে যায় উঠে যায় চৈত্রের হাওয়া
পাতারা ওড়ে ঘরময় আনাচে-কানাচে কাননে
আলো ছায়ায় নকশা ভাঙে সাদা কাগজে,
আত্মতুষ্ট কালো অক্ষরের চাতক হা-মুখে
মোড়ে মোড়ে এক, ঠ্যাং ঢালে অবিরল নির্ঝর।
Related Articles
শীতের মর্সিয়া
কখনো কখনো সিলভিয়া প্লাথের মৃত্যুর মতো এই কঠিন শীতকাল শতাব্দীর এই ভয়াবহ তুষারপ্রবাহ; এই শীতে উলঙ্গ গাছের মতো দাঁড়িয়েছি আমরা দু’জনে। এখানে কেবল সব মৃত পূর্বপুরুষের ঠাণ্ডা হাত, মৃত রমণীদের ঠাণ্ডা স্তন আজ উভয় গোলার্ধে মৃত মানুষের শরীরের মতো শীত অবিরাম শৈত্যপ্রবাহ; এই শীত সব মৃত নক্ষত্রের ঘোলা চোখ, বরফে ঢাকা মাছের আড়ত মানুষে মানুষে […]
বশীকরণ মন্ত্র
যা বৃষ্টি তুই যা, আরে দুর্ভিক্ষকে খা, আরে মেয়ের ঊরু বুকের শুরু, বিড়াল ধ’রে খা। নিতম্বে যে নতুন রাষ্ট্র রাজদ্রোহীর হা ওদের কাছে নগ্ন হয়ে আর তো পারি না, যা বৃষ্টি তুই যা।
এ কেমন বৈরী
ভাবা যায় ? কোনো প্রতিপক্ষ নেই ! সবকটা আধমরা হয়ে আজ শুয়ে আছে জুতোর তলায় ? কিছুই করিনি আমি কেবল মুখেতে হাত চাপা দিয়ে চিৎকার করেছি থেকে-থেকে হাহাহা হাহাহা হাহা হাহা পিস্তল কোমরে বাঁধা তেমনিই ছিল সঙ্গোপনে ক্ষুর বা ভোজালি বের করিনিকো বোমাগুলো শান্তিনিকেতনি ব্যাগে চুপচাপ যেমন-কে-তেমন পড়ে আছে আমি তো আটঘাট বেঁধে ভেবেছি […]

