অনিকেত শব্দরা ঘোরে মুখে মুখে
এক কান থেকে আর এক কানে;
ঝাপটায় ডানা পরিযায়ী হংসযূথ
পড়ে মুখ থুবড়ে ফাঁদে আটকে;
অভিভাবকহীন শব্দের মঞ্জুরি
ঝরে টুপটাপ রাত-দিন সারাবেলা,
নির্জন অরণ্যে বাজে কুঠারের শব্দ
নিঃসঙ্গ আকাশে যায় উঠে যায় চৈত্রের হাওয়া
পাতারা ওড়ে ঘরময় আনাচে-কানাচে কাননে
আলো ছায়ায় নকশা ভাঙে সাদা কাগজে,
আত্মতুষ্ট কালো অক্ষরের চাতক হা-মুখে
মোড়ে মোড়ে এক, ঠ্যাং ঢালে অবিরল নির্ঝর।
Related Articles
পরস্ত্রী
যাবো না আর ঘরের মধ্যে অই কপালে কী পরেছো যাবো না আর ঘরে সব শেষের তারা মিলালো আকাশ খুঁজে তাঁকে পাবে না ধ’রে-বেঁধে নিতেও পারো তবু সে-মন ঘরে যাবে না বালক আজও বকুল কুড়ায় তুমি কপালে কী পরেছো কখন যেন পরে? সবার বয়স হয় আমার বালক-বয়স বাড়ে না কেন চতুর্দিকে সহজ শান্ত হৃদয় কেন স্রোতসফেন […]
অবুঝের সমীকরণ
কবিতা বোঝে না এই বাংলার কেউ আর দেশের অগণ্য চাষী, চাপরাশী ডাক্তার উকিল মোক্তার পুলিস দারোগা ছাত্র অধ্যাপক সব কাব্যের ব্যাপারে নীরব! স্মাগলার আলোচক সম্পাদক তরুণীর দল কবিতা বোঝে না কোনো সঙ অভিনেত্রী নটী নারী নাটের মহল কার মনে কাতোটুকু রঙ? ও পাড়ার সুন্দরী রোজেনা সারা অঙ্গে ঢেউ তার, তবু মেয়ে কবিতা বোঝে না! কবিতা […]
ঘুমোবার আগে
‘আমার কাছে আগুন ছিলো না আমি চাঁদের আগুনে শাদা সিগ্রেট জ্বালিয়ে বসেছিলাম কুয়াশায়! -কে ওখানে? শীতরাতে পৌষ-পাখির গলা শোনা গেলো জ্যোত্স্নায়, -কে ওখানে? পাখির কন্ঠের গানে কুয়াশায় আমি কালো জ্যোত্স্না ঘুরে হঠাত্ তখন চাঁদের আগুনে পুড়ে ছুঁয়ে দিতে উদ্যত হলাম! অপসৃয়মাণ তুমি? তোমাকে না ছুঁতে পেরে আমি নিজ নিয়তির অন্তর্গত রোদনকে বললাম, দেখো আমি আর […]

