যাবো না আর ঘরের মধ্যে অই কপালে কী পরেছো
যাবো না আর ঘরে
সব শেষের তারা মিলালো আকাশ খুঁজে তাঁকে পাবে না
ধ’রে-বেঁধে নিতেও পারো তবু সে-মন ঘরে যাবে না
বালক আজও বকুল কুড়ায় তুমি কপালে কী পরেছো
কখন যেন পরে?
সবার বয়স হয় আমার বালক-বয়স বাড়ে না কেন
চতুর্দিকে সহজ শান্ত হৃদয় কেন স্রোতসফেন
মুখচ্ছবি সুশ্রী অমন, কপাল জুড়ে কী পরেছো
অচেনা, কিছু চেনাও চিরতরে।
Related Articles
আমাকে কী মাল্য দেবে, দাও
তোমার পায়ের নিচে আমিও অমর হব, আমাকে কী মাল্য দেবে, দাও। এই নাও আমার যৌতুক, এক-বুক রক্তের প্রতিজ্ঞা। ধুয়েছি অস্থির আত্মা শ্রাবণের জলে, আমিও প্লাবন হব, শুধু চন্দনচর্চিত হাত একবার বোলাও কপালে। আমি জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে উড়াব গাণ্ডীব, তোমার পায়ের কাছে নামাব পাহাড়। আমিও অমর হব, আমাকে কী মাল্য দেবে, দাও। পায়ের আঙুল হয়ে সারাক্ষণ লেগে আছি […]
খুকি ও কাঠবেড়ালি
কাঠবেড়ালি! কাঠবেড়ালি! পেয়ারা তুমি খাও? গুড়-মুড়ি খাও? দুধ-ভাত খাও? বাতাবি-নেবু? লাউ? বেড়াল-বাচ্চা? কুকুর-ছানা? তাও- ডাইনি তুমি হোঁৎকা পেটুক, খাও একা পাও যেথায় যেটুক! বাতাবি-নেবু সকলগুলো একলা খেলে ডুবিয়ে নুলো! তবে যে ভারি ল্যাজ উঁচিয়ে পুটুস পাটুস চাও? ছোঁচা তুমি! তোমার সঙ্গে আড়ি আমার! যাও! কাঠবেড়ালি! বাঁদরীমুখী! মারবো ছুঁড়ে কিল? দেখবি তবে? রাঙাদাকে ডাকবো? দেবে ঢিল! […]
পাঁচটি উজ্জ্বল মাছ
পাঁচটি উজ্জ্বল মাছ ঝর্না থেকে নেমে এসেছিলো। এখন, রহস্যময় জলে, খেলা করে অবিরল। পদ্মায় গিয়েছে একটি– মেঘনায়-যমুনায়-সুরমায়– আর-একটি গোপন ইচ্ছায়। পাঁচটি উজ্জ্বল মাছ ঝর্না থেকে নেমে এসে সাঁতরে চলে বিভিন্ন নদীতে। পাঁচটি উজ্জ্বল মাছ জলের রহস্য ভেদ করে এখন একাকী এক শব্দহীন সমুদ্রে চলেছে।

