| আমি আশায় আশায় থাকি।
আমার তৃষিত-আকুল আঁখি॥ ঘুমে-জাগরণে-মেশা প্রাণে স্বপনের নেশা– দূর দিগন্তে চেয়ে কাহারে ডাকি॥ বনে বনে করে কানাকানি অশ্রুত বাণী, কী গাহে পাখি। কী কব না পাই ভাষা, মোর জীবন রঙিন কুয়াশা ফেলেছে ঢাকি। |
রাগ: কাফি-কানাড়া তাল: কাহারবা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1346 রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1939 স্বরলিপিকার: শৈলজারঞ্জন মজুমদার |
Related Articles
হা হতভাগিনী, একি অভ্যর্থনা মহতের
হা হতভাগিনী, একি অভ্যর্থনা মহতের, এল দেবতা তোর জগতের, গেল চলি, গেল তোরে গেল ছলি— অর্জুন! তুমি অর্জুন! বেলা যায় বহিয়া, দাও কহিয়া কোন্ বনে যাব শিকারে। কাজল মেঘে সজল বায়ে হরিণ ছুটে বেণুবনচ্ছায়ে॥ Ha hotobhagini kotha
পথে চলে যেতে যেতে কোথা কোন্খানে
পথে চলে যেতে যেতে কোথা কোন্খানে তোমার পরশ আসে কখন কে জানে ॥ কী অচেনা কুসুমের গন্ধে, কী গোপন আপন আনন্দে, কোন্ পথিকের কোন্ গানে ॥ সহসা দারুণ দুখতাপে সকল ভুবন যবে কাঁপে, সকল পথের ঘোচে চিহ্ন সকল বাঁধন যবে ছিন্ন মৃত্যু-আঘাত লাগে প্রাণে– তোমার পরশ আসে কখন কে জানে ॥
কেন সারাদিন ধীরে ধীরে
কেন সারাদিন ধীরে ধীরে বালু নিয়ে শুধু খেল তীরে! চলে গেল বেলা, রেখে মিছে খেলা ঝাঁপ দিয়ে পড়ো কালো নীরে। অকূল ছানিয়ে যা পাও তা নিয়ে হেসে কেঁদে চলো ঘরে ফিরে। নাহি জানি মনে কী বাসিয়া পথে বসে আছে কে আসিয়া। কী কুসুমবাসে ফাগুনবাতাসে হৃদয় দিতেছে উদাসিয়া। চল্ ওরে এই খেপা বাতাসেই সাথে নিয়ে সেই […]

