হা হতভাগিনী, একি অভ্যর্থনা মহতের,
এল দেবতা তোর জগতের,
গেল চলি,
গেল তোরে গেল ছলি—
অর্জুন! তুমি অর্জুন!
বেলা যায় বহিয়া, দাও কহিয়া
কোন্ বনে যাব শিকারে।
কাজল মেঘে সজল বায়ে
হরিণ ছুটে বেণুবনচ্ছায়ে॥
হা হতভাগিনী, একি অভ্যর্থনা মহতের,
এল দেবতা তোর জগতের,
গেল চলি,
গেল তোরে গেল ছলি—
অর্জুন! তুমি অর্জুন!
বেলা যায় বহিয়া, দাও কহিয়া
কোন্ বনে যাব শিকারে।
কাজল মেঘে সজল বায়ে
হরিণ ছুটে বেণুবনচ্ছায়ে॥
নীল- অঞ্জনঘন পুঞ্জছায়ায় সম্বৃত অম্বর হে গম্ভীর! বনলক্ষ্মীর কম্পিত কায়, চঞ্চল অন্তর– ঝঙ্কৃত তার ঝিল্লির মঞ্জীর হে গম্ভীর॥ বর্ষণগীত হল মুখরিত মেঘমন্দ্রিত ছন্দে, কদম্ববন গভীর মগন আনন্দঘন গন্ধে– নন্দিত তব উৎসবমন্দির হে গম্ভীর॥ দহনশয়নে তপ্ত ধরণী পড়েছিল পিপাসার্তা, পাঠালে তাহারে ইন্দ্রলোকের অমৃতবারির বার্তা। মাটির কঠিন বাধা হল ক্ষীণ, দিকে দিকে হল দীর্ণ– নব অঙ্কুর-জয়পতাকায় ধরাতল […]
বিরহ মধুর হল আজি মধুরাতে। গভীর রাগিণী উঠে বাজি বেদনাতে॥ ভরি দিয়া পূর্ণিমানিশা অধীর অদর্শনতৃষা কী করুণ মরীচিকা আনে আঁখিপাতে॥ সুদূরের সুগন্ধধারা বায়ুভরে পরানে আমার পথহারা ঘুরে মরে। কার বাণী কোন্ সুরে তালে মর্মরে পল্লবজালে, বাজে মম মঞ্জীররাজি সাথে সাথে॥ বিরহ মধুর হল আজি মধুরাতে
পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায়, কী আছে শেষে! এত কামনা, এত সাধনা কোথায় মেশে। ঢেউ ওঠে পড়ে কাঁদার, সম্মুখে ঘন আঁধার, পার আছে গো পার আছে– পার আছে কোন্ দেশে। আজ ভাবি মনে মনে মরীচিকা-অন্বেষণে হায় বুঝি তৃষ্ণার শেষ নেই। মনে ভয় লাগে সেই– হাল-ভাঙা পাল-ছেঁড়া ব্যথা চলেছে নিরুদ্দেশে ॥ পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায়
