দূরদেশী সেই রাখাল ছেলে
আমার বাটে বটের ছায়ায় সারা বেলা গেল খেলে।।
গাইলো কী গান সেই তা জানে, সুর বাজে তার আমার প্রাণে-
বলো দেখি তোমরা কে তার কথার কেছু আভাস পেলে।।
আমি তারে শুধাই যবে ‘কী তোমারে দিব আনি’-
সে শুধু কয়, ‘আর কিছু নয়, তোমার গলার মালাখানি।’
দিই যদি তো কী দাম দেবে যায় বেলা সেই ভাবনা ভেবে-
ফিরে এসে দেখি ধূলায় বাঁশিটি তার গেছে ফেলে।।
Related Articles
আমার মনের কোণের বাইরে
আমার মনের কোণের বাইরে আমি জানলা খুলে ক্ষণে ক্ষণে চাই রে॥ কোন্ অনেক দূরে উদাস সুরে আভাস যে কার পাই রে– আছে-আছে নাই রে॥ আমার দুই আঁখি হল হারা, কোন্ গগনে খোঁজে কোন্ সন্ধ্যাতারা। কার ছায়া আমায় ছুঁয়ে যে যায়, কাঁপে হৃদয় তাই রে– গুন্গুনিয়ে গাই রে॥ Amar Moner Koner Bahire
মধুর মধুর ধ্বনি বাজে
মধুর মধুর ধ্বনি বাজে হৃদয়কমলবনমাঝে॥ নিভৃতবাসিনী বীণাপাণি অমৃতমুরতিমতী বাণী হিরণকিরণ ছবিখানি– পরানের কোথা সে বিরাজে॥ মধুঋতু জাগে দিবানিশি পিককুহরিত দিশি দিশি। মানসমধুপ পদতলে মুরছি পড়িছে পরিমলে। এসো দেবী, এসো এ আলোকে, একবার তোরে হেরি চোখে– গোপনে থেকো না মনোলোকে ছায়াময় মায়াময় সাজে॥ Madhuro Madhuro dwani baje
আমরা এমনই এসে ভেসে যাই
আমরা এমনই এসে ভেসে যাই – আলোর মতন, হাসির মতন, কুসুমগন্ধরাশির মতন, হাওয়ার মতন, নেশার মতন ঢেউয়ের মতো ভেসে যাই। আমরা অরুণ-কনক কিরণে চড়িয়া নামি; আমরা সান্ধ্য রবির কিরণে অস্তগামী; আমরা শরৎ ইন্দ্রধনুর বরণে জ্যোৎস্নার মতো অলস চরণে, চপলার মতো চকিত চমকে চাহিয়া, ক্ষণিক হেসে যাই। আমরা স্নিগ্ধ, কান্ড, শান্তি-সুপ্তিভরা আমরা আসি বটে, তবু কাহারে […]

