দূরদেশী সেই রাখাল ছেলে
আমার বাটে বটের ছায়ায় সারা বেলা গেল খেলে।।
গাইলো কী গান সেই তা জানে, সুর বাজে তার আমার প্রাণে-
বলো দেখি তোমরা কে তার কথার কেছু আভাস পেলে।।
আমি তারে শুধাই যবে ‘কী তোমারে দিব আনি’-
সে শুধু কয়, ‘আর কিছু নয়, তোমার গলার মালাখানি।’
দিই যদি তো কী দাম দেবে যায় বেলা সেই ভাবনা ভেবে-
ফিরে এসে দেখি ধূলায় বাঁশিটি তার গেছে ফেলে।।
Related Articles
ওদের সাথে মেলাও যারা চরায় তোমার ধেনু
ওদের সাথে মেলাও যারা চরায় তোমার ধেনু, তোমার নামে বাজায় যারা বেণু ॥ পাষাণ দিয়ে বাঁধা ঘাটে এই-যে কোলাহলের হাটে কেন আমি কিসের লোভে এনু ॥ কী ডাক ডাকে বনের পাতাগুলি, কার ইশারা-তৃণের অঙ্গুলি! প্রাণেশ আমার লীলাভরে খেলেন প্রাণের খেলাঘরে, পাখির মুখে এই-যে খবর পেনু ॥ রাগ: ভৈরবী-বাউল তাল: কাহারবা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২৩ চৈত্র, ১৩২০ […]
কেহ কারো মন বোঝে না, কাছে এসে সরে যায়
কেহ কারো মন বোঝে না, কাছে এসে সরে যায়। সোহাগের হাসিটি কেন চোখের জলে মরে যায়|| বাতাস যখন কেঁদে গেল প্রাণ খুলে ফুল ফুটিল না, সাঁঝের বেলা একাকিনী কেন রে ফুল ঝরে যায়|| মুখের পানে চেয়ে দেখো, আঁখিতে মিলাও আঁখি____ মধুর প্রাণের কথা প্রাণেতে রেখো না ঢাকি। এ রজনী রহিবে না, আর কথা হইবে না____ […]
ঐ মহামানব আসে
ঐ মহামানব আসে; দিকে দিকে রোমাঞ্চ লাগে মর্ত্যধূলির ঘাসে ঘাসে। সুরলোকে বেজে উঠে শঙ্খ, নরলোকে বাজে জয়ডঙ্ক– এল মহাজন্মের লগ্ন। আজি অমারাত্রির দুর্গতোরণ যত ধূলিতলে হয়ে গেল ভগ্ন। উদয়শিখরে জাগে মাভৈঃ মাভৈঃ রব নব জীবনের আশ্বাসে। জয় জয় জয় রে মানব-অভ্যুদয়, মন্দ্রি উঠিল মহাকাশে। উদয়ন শান্তিনিকেতন ১ বৈশাখ ১৩৪৮ “সভ্যতার সংকট” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের […]

