দূরদেশী সেই রাখাল ছেলে
আমার বাটে বটের ছায়ায় সারা বেলা গেল খেলে।।
গাইলো কী গান সেই তা জানে, সুর বাজে তার আমার প্রাণে-
বলো দেখি তোমরা কে তার কথার কেছু আভাস পেলে।।
আমি তারে শুধাই যবে ‘কী তোমারে দিব আনি’-
সে শুধু কয়, ‘আর কিছু নয়, তোমার গলার মালাখানি।’
দিই যদি তো কী দাম দেবে যায় বেলা সেই ভাবনা ভেবে-
ফিরে এসে দেখি ধূলায় বাঁশিটি তার গেছে ফেলে।।
Related Articles
তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা
তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা, এ সমুদ্রে আর কভু হব নাকো পথহারা। যেথা আমি যাই নাকো তুমি প্রকাশিত থাকো, আকুল নয়নজলে ঢালো গো কিরণধারা ॥ তব মুখ সদা মনে জাগিতেছে সংগোপনে, তিলেক অন্তর হলে না হেরি কূল-কিনারা। কখনো বিপথে যদি ভ্রমিতে চাহে এ হৃদি অমনি ও মুখ হেরি শরমে সে হয় সারা।
দুজনে দেখা হল মধুযামিনী রে
দুজনে দেখা হল মধুযামিনী রে– কেন কথা কহিল না, চলিয়া গেল ধীরে॥ নিকুঞ্জে দখিনাবায় করিছে হায়-হায়, লতাপাতা দুলে দুলে ডাকিছে ফিরে ফিরে॥ দুজনের আঁখিবারি গোপনে গেল বয়ে, দুজনের প্রাণের কথা প্রাণেতে গেল রয়ে। আর তো হল না দেখা, জগতে দোঁহে একা– চিরদিন ছাড়াছাড়ি যমুনাতীরে॥
আমি তোমারে করিব নিবেদন
আমি তোমারে করিব নিবেদন আমার হৃদয় প্রাণ মন! ক্ষমা করো আমায়, বরণযোগ্য নহি বরাঙ্গনে, ব্রহ্মচারী ব্রতধারী। হায় হায়, নারীরে করেছি ব্যর্থ দীর্ঘকাল জীবনে আমার। ধিক্ ধনুঃশর! ধিক্ বাহুবল! মুহূর্তের অশ্রুবন্যাবেগে ভাসায়ে দিল যে মোর পৌরুষসাধনা। অকৃতার্থ যৌবনের দীর্ঘশ্বাসে বসন্তেরে করিল ব্যাকুল॥ — রোদন-ভরা এ বসন্ত কখনো আসে নি বুঝি আগে। মোর বিরহবেদনা রাঙালো কিংশুকরক্তিমরাগে। Ami […]

