আর কত দূরে আছে সে আনন্দধাম।
আমি শ্রান্ত, আমি অন্ধ,
আমি পথ নাহি জানি ॥
রবি যায় অস্তাচলে
আঁধারে ঢাকে ধরণী–
করো কৃপা অনাথে হে বিশ্বজনজননী ॥
অতৃপ্ত বাসনা লাগি
ফিরিয়াছি পথে পথে– বৃথা খেলা,
বৃথা মেলা, বৃথা বেলা গেল বহে।
আজি সন্ধ্যাসমীরণে লহো শান্তিনিকেতনে,
স্নেহকরপরশনে চিরশান্তি দেহো আনি ॥
Related Articles
নীল- অঞ্জনঘন পুঞ্জছায়ায় সম্বৃত অম্বর
নীল- অঞ্জনঘন পুঞ্জছায়ায় সম্বৃত অম্বর হে গম্ভীর! বনলক্ষ্মীর কম্পিত কায়, চঞ্চল অন্তর– ঝঙ্কৃত তার ঝিল্লির মঞ্জীর হে গম্ভীর॥ বর্ষণগীত হল মুখরিত মেঘমন্দ্রিত ছন্দে, কদম্ববন গভীর মগন আনন্দঘন গন্ধে– নন্দিত তব উৎসবমন্দির হে গম্ভীর॥ দহনশয়নে তপ্ত ধরণী পড়েছিল পিপাসার্তা, পাঠালে তাহারে ইন্দ্রলোকের অমৃতবারির বার্তা। মাটির কঠিন বাধা হল ক্ষীণ, দিকে দিকে হল দীর্ণ– নব অঙ্কুর-জয়পতাকায় ধরাতল […]
তুমি যে আমারে চাও আমি সে জানি
তুমি যে আমারে চাও আমি সে জানি। কেন যে মোরে কাঁদাও আমি সে জানি ॥ এ আলোকে এ আঁধারে কেন তুমি আপনারে ছায়াখানি দিয়ে ছাও আমি সে জানি ॥ সারাদিন নানা কাজে কেন তুমি নানা সাজে কত সুরে ডাক দাও আমি সে জানি। সারা হলে দে’য়া-নে’য়া দিনান্তের শেষ খেয়া কোন্ দিক-পানে বাও […]
আমার নিশীথরাতের বাদলধারা
আমার নিশীথরাতের বাদলধারা, এসো হে গোপনে আমার স্বপনলোকে দিশাহারা ॥ ওগো অন্ধকারের অন্তরধন, দাও ঢেকে মোর পরান মন– আমি চাই নে তপন, চাই নে তারা ॥ যখন সবাই মগন ঘুমের ঘোরে নিয়ো গো, নিয়ো গো, আমার ঘুম নিয়ো গো হরণ করে। একলা ঘরে চুপ চুপে এসো কেবল সুরের রূপে– দিয়ো গো, দিয়ো গো, আমার চোখের […]

