| তুমি যে আমারে চাও আমি সে জানি। কেন যে মোরে কাঁদাও আমি সে জানি ॥
এ আলোকে এ আঁধারে কেন তুমি আপনারে ছায়াখানি দিয়ে ছাও আমি সে জানি ॥ সারাদিন নানা কাজে কেন তুমি নানা সাজে কত সুরে ডাক দাও আমি সে জানি। সারা হলে দে’য়া-নে’য়া দিনান্তের শেষ খেয়া কোন্ দিক-পানে বাও আমি সে জানি ॥ |
রাগ: ইমন-পূরবী তাল: ত্রিতাল রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২৩ আষাঢ়, ১৩১১ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1904 রচনাস্থান: মজঃফরপুর স্বরলিপিকার: শৈলজারঞ্জন মজুমদার |
Related Articles
তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি
তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি ওই গো বাজে হৃদয়মাঝে ॥ তোমার ঘরে নিশি-ভোরে আগল যদি গেল সরে আমার ঘরে রইব তবে কিসের লাজে?। অনেক বলা বলেছি, সে মিথ্যা বলা। অনেক চলা চলেছি, সে মিথ্যা চলা। আজ যেন সব পথের শেষে তোমার দ্বারে দাঁড়াই এসে– tomar-duar-kholar-dhwani ভুলিয়ে যেন নেয় না মোরে আপন কাজে ॥
আমি যাব না গো অমনি চলে
আমি যাব না গো অমনি চলে। মালা তোমার দেব গলে॥ অনেক সুখে অনেক দুখে তোমার বাণী নিলেম বুকে, ফাগুনশেষে যাবার বেলা আমার বাণী যাব বলে॥ কিছু হল, অনেক বাকি। ক্ষমা আমায় করবে না কি। গান এসেছে সুর আসে নাই,হল না যে শোনানো তাই– সে-সুর আমার রইল ঢাকা নয়নজলে॥ aami-jabo-na-go
খেলাঘর বাঁধতে লেগেছি আমার মনের ভিতরে
খেলাঘর বাঁধতে লেগেছি আমার মনের ভিতরে। কত রাত তাই তো জেগেছি বলব কী তোরে॥ প্রভাতে পথিক ডেকে যায়, অবসর পাই নে আমি হায়– বাহিরের খেলায় ডাকে সে, যাব কী ক’রে॥ যা আমার সবার হেলাফেলা যাচ্ছে ছড়াছড়ি পুরোনো ভাঙা দিনের ঢেলা, তাই দিয়ে ঘর গড়ি। যে আমার নতুন খেলার জন তারি এই খেলার সিংহাসন, ভাঙারে জোড়া দেবে সে […]

