| তুমি যে আমারে চাও আমি সে জানি। কেন যে মোরে কাঁদাও আমি সে জানি ॥
এ আলোকে এ আঁধারে কেন তুমি আপনারে ছায়াখানি দিয়ে ছাও আমি সে জানি ॥ সারাদিন নানা কাজে কেন তুমি নানা সাজে কত সুরে ডাক দাও আমি সে জানি। সারা হলে দে’য়া-নে’য়া দিনান্তের শেষ খেয়া কোন্ দিক-পানে বাও আমি সে জানি ॥ |
রাগ: ইমন-পূরবী তাল: ত্রিতাল রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২৩ আষাঢ়, ১৩১১ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1904 রচনাস্থান: মজঃফরপুর স্বরলিপিকার: শৈলজারঞ্জন মজুমদার |
Related Articles
আমার যাবার বেলায় পিছু ডাকে
আমার যাবার বেলায় পিছু ডাকে ভোরের আলো মেঘের ফাঁকে ফাঁকে॥ বাদলপ্রাতের উদাস পাখি ওঠে ডাকি। বনের গোপন শাখে শাখে, পিছু ডাকে॥ ভরা নদী ছায়ার তলে ছুটে চলে– খোঁজে কাকে, পিছু ডাকে। আমার প্রাণের ভিতর সে কে থেকে থেকে বিদায়প্রাতের উতলাকে পিছু ডাকে॥ Amar jabar belay pichu dhake
দীপ নিভে গেছে মম
দীপ নিভে গেছে মম নিশীথ সমীরে দীপ নিভে গেছে মম ধীরে ধীরে এসে তুমি যেওনা গো ফিরে দীপ নিভে গেছে মম এ পথে যখনই যাবে আধারে চিনিতে পাবে রজণীগন্ধারও গন্ধ ভরেছে মন্দিরে ধীরে ধীরে এসে তুমি যেওনাগো ফিরে দীপ নিভে গেছে মম আমারে পড়িবে মনে কখন সে লাগি প্রহরে প্রহরে আমি গান গেয়ে জাগি আমারে […]
বাজল তোমার আলোর বেনু
“বাজল তোমার আলোর বেনু ,মাতল রে ভুবন আজ প্রভাতে , সে সুর শুনে, খুলে দিনু মন বাজল, বাজল, বাজল তোমার আলোর বেনু ।। ওন্তরে যা লুকিয়ে রাজে অরুন বীণায় সে সুর বাজে এই আনন্দ যজ্ঞে সবার- মধুর আমন্ত্রণ আজ সমীর্ন, আলোয় পাগল নবীন সুরের বীণায় আজ শরতের, আকাশ বীণায়, গানের মালা বিলায় বিনা তোমায় হারা […]

