মিছেই তুমি করছ বিবাদ
দিচ্ছ কঠিন আড়ি,
তোমার কথার তুবড়ি তো শেষ
চলো এবার বাড়ি;
তোমার ক্রোধ তোমার দ্রোহ
মলিন হবে রাতে,
আমার পিঠেই নাচবে দু-হাত
আনন্দে-আহ্লাদে;
কিসের বিরোধ কিসের দ্রোহ
শয্যা-পরিপাটি
পুরুষ-নারীর মিলনই সব
মিলনটুকুই খাঁটি।
মিছেই তুমি করছ বিবাদ
দিচ্ছ কঠিন আড়ি,
তোমার কথার তুবড়ি তো শেষ
চলো এবার বাড়ি;
তোমার ক্রোধ তোমার দ্রোহ
মলিন হবে রাতে,
আমার পিঠেই নাচবে দু-হাত
আনন্দে-আহ্লাদে;
কিসের বিরোধ কিসের দ্রোহ
শয্যা-পরিপাটি
পুরুষ-নারীর মিলনই সব
মিলনটুকুই খাঁটি।
বিশ্বাসকে হতে দাও আমার ঢাল আনন্দকে আমার তুখোড় যুদ্ধাশ্ব ভয়ঙ্কর অই দানবটির নিদারুণ ক্রোধের প্রচণ্ড গৃধ্নুতা ও লোভের হাত হতে আমাকে মুক্ত হতে দাও অন্ধকারের দুর্গ থেকে আমার যৌবনের তরবারি দিয়ে এ-ফোঁড় ও-ফোঁড় সদা সত্যের সামর্থ্য, তেজ আর শক্তিশালী পরাক্রমে।
উৎস-মুখের স্বচ্ছ জলের তলে খড়কুটো নয়, পাথর পড়ে থাকে; প্রতিবন্ধক দারুণ প্রবল বলে নদীর উৎসে ক্ষিপ্র খরধারা। জলের মধ্যে ধাউর পাথররাশি জলের বাইরে অর্থহীন জড়; উষ্ণ জলের গতিচঞ্চলতা পাথর দাঁড়ায় রুদ্ধ করে দিতে; কিন্তু খুবই মজার ব্যাপার হলো পাথর শুধুই হচ্ছে পরাজিত। উৎস-মুখের ঠান্ডা পাথররাশি খুব কিছু নয়, ঠান্ডা পাথররাশি!! –
সেই কবে বাল্যকালে বৃষ্টি হয়েছিল সেই কবে বৃষ্টিজলে ভিজেছিল লাজুক কদম সেই কবে কদমের ডালে এক পাখি বসেছিল সেই পাখি বলেছিলপৃথিবীর ভিতরে আরেক গর্ভকেশরের মতো গোপনীর পৃথিবী রয়েছে সেই পৃথিবীর খোঁজে চাঁদ সদাগর ঝড়ে-জলে ডুবে যাবে জেনেও নিজের নৌবহর সমুদ্রে ভাসিয়েছিল, ঘর পোড়া আগুনের মতো সাদা ফেনা সেই ফেনা পুষেছিল বড় বড় রাঘব বোয়াল সেই […]
