অসাধ্য নয়, কিছুই এখন
অসাধ্য নয় তোমার পক্ষে
নদীর উপর নৌকো রাখো
পুরুষ রাখো নারীর বক্ষে
মাঠের শেষে গাছটি রাখো
গাছটিতে হও নিষিদ্ধ ফল
পথিকজনকে দেখাও পথে
গুচ্ছ গুচ্ছ তরুণীদল
গ্রামের মধ্যে পথ পেতে দাও
পুষ্করিণী, পথের পাশে
নোটনরা সব নাইতে নামুক
কাপড় শুকোক দূর্বা ঘাসে
এসব যদি পারো ঠাকুর
এসো, আমার মাথায় চাপো
চূর্ণি নদী পার করে দিই-
সবার জন্য অন্ন মাপো!
Related Articles
জীবন মানে
খর স্রোতে খড় ভেসে যায়। সে কি হারায়? হারিয়ে যায়? খরের আগায় একটি পোকা তর পেয়ে যায়, তর পেয়ে যায়। আয়না বড় ব্যপ্ত ওকে আঁজলা ভরে দ্যাখ। তারণ মানে কেমন বাওয়া কোন তরণী কেমন হাওয়া লাগছে পালেঃ কালই জানে। কালই জানে যাপন মানে, জীবন মানে।
প্রত্যাশা
কারুকে দিয়েছ অকাতরে সব ঢেলে সেও অন্তত কিছু দেবে ভেবেছিলে। অথচ ফক্কা, শূন্যতা নিয়ে একা পড়ে থাকো আর দ্রুত সে পালায় দূরে ভালবেসে কিছু প্রত্যাশা করা ভুল। আলোকিত ঘর হারিয়ে ধরেছ অন্ধকারের খুঁটি যারা যায় তারা হেসে চলে যায়, পেছনে দেখে না ফিরে। তলা ঝেড়ে দিলে, যদিও জোটেনি কানাকড়ি কিছু হাতে তুমি অভুক্ত, অথচ তোমার […]
সেই সব নিজস্ব রাত্রিগুলি
যে রাত ‘পাশাপশি বসিবার বনলতা সেন’ সে রাত আমার নয়, সে রাত অন্য কারো। প্রনয়ীর প্রথম পরশ ছুঁয়ে দ্বিধাগ্রস্ত চুপিচুপি চোখের উপকূলে জোয়ারের মতো স্বপ্নালু হেঁটে আসা যে রাত আচ্ছন্ন আকাশের নিচে সে রাত আমার নয়, সে রাত অন্য কারো। আকাশের মাঠে নক্ষত্র পাখিদের কোলাহলে যে রাত নেমে আসে হেমন্তের শিশিরের প্রথম অভিসারের মতো নিরব […]


