পুরনো বছরের নুড়িপাথরগুলো, একবার
আদ্যোপান্ত ঘেঁটে দেখলে কেমন হয়?
পরক্ষণে উঠবে না তো আবার তুমুল শোরগোল
ঘাঁটাঘাঁটি করে কীই-বা লাভ_
পরিত্যক্ত বর্জ্য নিয়ে কেউ কি আর মাথা ঘামায় তেমন
শুধু ছোট রানীরই নয় ঘুঁটেকুড়োনিরও দেমাক ভারী!
ওহে ভস্মলোচন চন্দ্রবদন, গুনতে হবে যে গাঁটের কড়ি
তার বদলে কি কি চাও তাও জানি
_না না দিব্যি কেটে বলতে পারি…
_এই যে আঁটছি মুখে কুলুপ, আর হবে না কথার খেলাপ।
Related Articles
তোমার জন্য আমার ২০৬ টি হাড়…
তুমি আমার কাছে চেয়েছো রাবীন্দ্রিক চেতনা, এটেঁল মাটি দিয়ে তৈরি পুতিঁতে আমার নীল তুলির আচড়ের স্বস্তা গহনা, তুমি আমার কাছে চেয়েছো ভাঙ্গনহীন নদীর স্বপ্নীল পাড়, আর একই সাথে থেকে রঙ্গধনুর রঙ্গে বুঁনতে আমাদের একটি কুড়ের আচঁল, হাহ্ … কি সব পুরাতন সাধ। বরং তোমায় আমি দেব ২০৬ টি হাড়, বুকের খাঁচার ভেতরের হৃৎপিন্ড,ফুসফুস, আর আমার […]
অসময়ের পরাহত
আবারও, আরেকবার অনেকবারের মতই আমি হেরে যাচ্ছি। মনে হচ্ছে তলিয়ে যাচ্ছি ধীর অথচ নিশ্চিত কিন্তু অবধারিত! কাদতে চাইছি আমি কিন্তু, কাদতে পারছিনা চোখে আসেনা জল। কাদবো? কিসের জন্য কাদবো? যদিও সততা, একাগ্রতায় উৎসরগকৃত আমার হাজারো স্বপ্ন যদিও ধাবিত হচ্ছে শীতল নিঃসীম মৃত্যুর কোলে আমিতো জানি এসব আমার প্রাপ্য নয়! মানুষের জন্য আর কিছুই নেই […]
বর্ষার দিনে
এমন দিনে তারে বলা যায়, এমন ঘনঘোর বরিষায়! এমন মেঘস্বরে বাদল-ঝরঝরে তপনহীন ঘন তমসায়। সে কথা শুনিবে না কেহ আর, নিভৃত নির্জন চারি ধার। দুজনে মুখোমুখি গভীর দুখে দুখি, আকাশে জল ঝরে অনিবার। জগতে কেহ যেন নাহি আর। সমাজ সংসার মিছে সব, মিছে এ জীবনের কলরব। কেবল আঁখি দিয়ে আঁখির সুধা পিয়ে হৃদয় দিয়ে হৃদি […]

