বাঁ দিকের বুক পকেটটা সামলাতে সামলাতে
হায়! হায় ! লোকটার ইহকাল পরকাল গেল !
অথচ আর একটু নীচে হাত দিলেই
সে পেতো আলাদ্বীনের আশ্চর্য প্রদীপ,
তার হৃদয় !
লোকটা জানলোই না !
তার কড়ি গাছে কড়ি হল ।
লক্ষ্মী এল রণ-পায়ে
দেয়াল দিল পাহাড়া
ছোটলোক হাওয়া যেন ঢুকতে না পারে !
তারপর একদিন
গোগ্রাসে গিলতে গিলতে
দু’আঙ্গুলের ফাঁক দিয়ে-
কখন খসে পড়েছে তার জীবন-
লোকটা জানলই না !
Related Articles
মাতাল ও মাছকন্যা
অনুবাদ:চয়ন খায়রুল হাবিব এক্কেবারে নেংটো মেয়েটি ঢোকবার সময় পানাশালাত বেশ ক’জন জোয়ান মর্দ বসে বসে পান করছিল। পান করতে করতে,ওরা মেয়েটির দিকে থু থু থু…করে থুতু ছিটাচ্ছিল। সবে সাগর থেকে উঠে আসা মেয়েটি এসবের কিছুই বুঝতে পারছিল না। মেয়েটি পথ হারানো মাছকন্যা । টিটকারি থু থুক্কার জ্বলজ্বলে মাংশ ছুয়ে পিছলে পিছলে খসে পড়ছিল। খিস্তি খেউড়ে […]
কে তোমাকে চেনে?
ডাইনিং টেবিলে বসে ব্রেকফাস্ট ডিনার খাচ্ছ রোজ। সে তোমাকে চেনে? যে খাট-পালঙ্গে শুয়ে স্বপ্নে তুমি চাঁদ সদাগর সে তোমাকে চেনে? যে আয়নাকে শরীরের সব তিল, সর্বস্ব দেখালে সে তোমাকে চেনে? যেন মেয়ে-দেখা, এত বেছে ঐ পর্দা কিনেছিলে ও তোমাকে চেনে? এই কালো টেলিফোন, ওয়ার্ডরোব, লং প্লেয়িং, টিভি এই সব থাক্-থাক্ বই, সোফা, নেপালী মুখোশ কে […]
কথোপকথন-৪০
-ধরো কোনো একদিন তুমি খুব দূরে ভেসে গেলে শুধু তার তোলপাড় ঢেউগুলো আজন্ম আমার বুকের সোনালী ফ্রেমে পেনটিং-এর মতো রয়ে গেল। এবং তা ধীরে ধীরে ধুলোয়,ধোঁয়ায়,কুয়াশায় পোকামাকড়ের সুখী বাসাবাড়ি হয়ে যায় যদি? – ধরো কোনো একদিন যদি খুব দূরে ভেসে যাই আমারও সোনার কৌটো ভরা থাকবে প্রতিটি দিনের এইসব ঘন রঙে ,বসন্তবাতাসে,বৃষ্টিজলে। যখন যেমন খুশী […]
