বাঁ দিকের বুক পকেটটা সামলাতে সামলাতে
হায়! হায় ! লোকটার ইহকাল পরকাল গেল !
অথচ আর একটু নীচে হাত দিলেই
সে পেতো আলাদ্বীনের আশ্চর্য প্রদীপ,
তার হৃদয় !
লোকটা জানলোই না !
তার কড়ি গাছে কড়ি হল ।
লক্ষ্মী এল রণ-পায়ে
দেয়াল দিল পাহাড়া
ছোটলোক হাওয়া যেন ঢুকতে না পারে !
তারপর একদিন
গোগ্রাসে গিলতে গিলতে
দু’আঙ্গুলের ফাঁক দিয়ে-
কখন খসে পড়েছে তার জীবন-
লোকটা জানলই না !
Related Articles
এসো দুখজাগানিয়া
রাত্রির গভীরে সুড়ঙ্গ কেটে খুঁজি তোমাকে। খরস্রোতা সময় নদীর উচ্ছ্বাসে ভেসে যাও তুমি; তোমার নখ, চুলের ডগা, নোনা ঠোঁট উড়ে যায়, ভেসে যায় দাম্ভিক মেঘের সাথে। কিনারায় পাথরের টুলে বসে আমি মরু পর্বতের মতো শুষ্ক শীতল। রাত্রি যত নিকষ হয় জ্যোৎস্না মাহুতের কুশ নেমে আসে বুকে। এখন তোমাকে খুব দরকার। একটু নেমে আসবে বৃষ্টি ব্যান্ডেজ […]
প্রতিক্ষার শোকগাথা
তোমার চোখের মতো কয়েকটি চামচ পড়ে আছে দ্যাখো প্রশান্ত টেবিলে আর আমার হাত ঘড়ি নীল ডায়ালের তারা জ্বলছে মৃদু আমারই কব্জিতে ! টুরিস্টের মতো লাগছে দেখতে আমাকে সাংবাদিকের মতো ভীষণ উৎসাহী এ মুহূর্তে সিগ্রেটের ছাই থেকে শিশিরের মতো নম্র অপেক্ষার কষ্টগুলি ঝেড়ে ফেলেছি কালো এ্যাসট্রেতে ! রেস্তোরাঁয় তুমি কি আসবেনা আজ স্বাতী ? তোমার কথার […]
এপিটাফ
করতল ভরা এই ম্লান রেখাগুলো তোমাদের জন্য রেখে গেলাম। হাড়গুলো থেকে সার হবে, সার থেকে জন্ম নেবে হাড়ের গোলাপ। আমার যে ছেলেটির জম্ন হয় নি, তাকে দিও এই দুর্বিনিত শীসের কলম। যে শব্ দটি আমি উচ্চারণ করতে পারলুম না— তোমাদের প্রচণ্ড ঘৃণায়, সন্দেহে, তার আত্মা রক্তাপ্লুত হয়েছে বারবার। যে গান গাইতে পারি নি, তার সুর […]
