কতটুকু ভালোবাসা দিলে,
ক তোড়া গলাপ দিলে,
কতটুকু সময়, কতটা সমুদ্র দিলে,
কটি নিরঘুম রাত দিলে, কফোটা জল দিলে চোখের –সব যেদিন ভিসন আবেগে
শোনাচ্ছেলে আমাকে, বোঝাতে চাইছিলে আমাকে খুব ভালোবাসো, আমি বুঝে নিলাম
তুমি আমাকে এখন আর একটুও ভালোবাসোনা।
ভালোবাসা ফুরোলেই মানুষ হিসেব কষতে বসে, তুমিও বসেছো।
ভালোবাসা ততদিনই ভালোবাসা
যতদিন এটি অন্ধ থাকে, বধির থাকে,
যতদিন এটি বেহিসেবি থাকে।।
Related Articles
বৈশাখের সোনালি ডানায়
পাখি ওই অপেক্ষায় মেলে দিয়ে ডানা খুঁজে নিচ্ছে আকাশের নীলের ঠিকানা। আমিও উড়াল দেবো, সোনার গুঁড়োর মতো আলো মেখে নেবো ডানায়! যে-ডানা আমি শব্দে শব্দে পাবো রূপকথা রঙিন ছটায়, নিচে ফেলে যাবো পৃথিবীর অন্ধকার, ধসে পড়া ঘর_ উড়ে যাবো তবুও তো নিজেরই ভেতর!_ যেখানে করণ আজও করে শিল্পবোধ এবং ভোরের আলো, দুপুরের রোদ। আমি সেই […]
তোমাকে ভুলতে চেয়ে আরো বেশি ভালোবেসে ফেলি
তোমাকে ভুলতে চেয়ে আরো বেশি ভালোবেসে ফেলি তোমাকে ছাড়াতে গিয়ে আরো বেশি গভীরে জড়াই, যতোই তোমাকে ছেড়ে যেতে চাই দূরে ততোই তোমার হাতে বন্দি হয়ে পড়ি তোমাকে এড়াতে গেলে এভাবেই আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা পড়ে যাই এভাবেই সম্পূর্ণ আড়ষ্ট হয়ে পড়ি; তোমাকে ছাড়াতে গেলে আরো ক্রমশ জড়িয়ে যাই আমি আমার কিছুই আর করার থাকে না তুমি এভাবেই […]
আপন আলোয়
তিন শত পঁয়ষট্টি প্রদীপের নিচে ছিল খুব কিমাকার আঁধার— অনিবার্য আঁধারেরই প্রতিপত্তি ছিল পুরো পরিসরজুড়ে!—জ্যোৎস্নার স্নিগ্ধতা ছাড়া বাকি তিন ভাগ জলে বৈদেশে বিরানে অবসিত। —তবু কি সোয়াস্তি আছে? অস্বস্তিও সঙ্গে সঙ্গে গেছে! এমন সুন্দর পটে কল্পনায়ও আলোর অভাব থাকার কথা তো নয়—তবু ছিল, এ-ও বাস্তবতা; ‘মাৎস্যন্যায়’ কাকে বলে তুমি কি তা জানোনি অতীতে? বিস্মৃতিপ্রবণ যদি, […]

