নষ্ট জলে পা ধুয়েছো এখন উপায় কি?
আচ্ছাদিত বুকের বোঁটা চুমোয় কেটেছি।
কথার কোলে ইচ্ছেগুলো বাৎসায়নের রতি,
মানে এবং অন্য মানে দুটোই জেনেছি।
নষ্ট জলে ধুইয়ে দেবে কখন আমার গা,
তোমার দিকে হাঁটবে কখন আমার দুটো পা?
সেই দিকে মন পড়েই আছে, দিন তো হলো শেষ;
তোমার মধ্যে পবিত্রতার একটি মহাদেশ
এবং এক জলের ধারা দেখতে পেয়েছি-
একেই বুঝি মানুষ বলে, ভালোবেসেছি।
Related Articles
প্রতিমা
৩৬. প্রতিমা প্রেমের প্রতিমা তুমি, প্রণয়ের তীর্থ আমার। বেদনার করুণ কৈশোর থেকে তোমাকে সাজাবো বলে ভেঙেছি নিজেকে কী যে তুমুল উল্লাসে অবিরাম তুমি তার কিছু কি দেখেছো? একদিন এই পথে নির্লোভ ভ্রমণে মৌলিক নির্মাণ চেয়ে কী ব্যাকুল স্থপতি ছিলাম, কেন কালিমা না ছুঁয়ে শুধু তোমাকেই ছুঁলাম ওসবের কতোটা জেনেছো? শুনেছি সুখেই বেশ আছো, কিছু ভাঙচুর […]
সকল ছন্দের মধ্যে আমিই গায়ত্রী
ছিলাম বাসনা-লঘু, ছন্দ এসে আমাকে সুসি’র হতে বলে প্রিয় বয়স্যের মতো তার দন্তপঙ্ক্তি আমি তাকে দূর হয়ে যেতে বলি নতুন বন্ধুর খোঁজে আমি ছন্দহীন হতে হতে ক্রমশ ধর্মদ্রোহী আগোপন পাষন্ড হয়ে যাই। তবু সে দরজার কাছে মুখ চুন, আমি তাকে পালঙ্কের নিচ থেকে জুতো মুখে করে আনতে হুকুম করেছি! দ্বিধা নেই, সে এনেছে, সমালোচকের কানে […]
প্রস্ফুরিত কার্পাসে কুমকুম অভিমান
এই প্রস্তর হৃদয়ে এসেছিলে যেদিন মৌ মৌ বসন্তে ফুল ফুটেছিল, নাবালিকা, অপার বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখি তোমার অশ্রুতে চোখ ভিজে যায় আমার । মুছে ফেলে অভিমান, কাছে এসো- নিজে হাতে কষ্টগুলো ধুয়ে দিই; জলজ চোখের কোণায় নিবিষ্ট চুম্বনে গুমোট বুকে গড়ে দিই আশ্রয় তোমার । নাবালিকা, বিষুব ক্রান্তির ছায়াপথে বিছিয়েছি পৌরাণিক মায়াজাল, ধূলিশয্যায় ফুরসৎ নেই পৌনঃপুনিক […]

