নষ্ট জলে পা ধুয়েছো এখন উপায় কি?
আচ্ছাদিত বুকের বোঁটা চুমোয় কেটেছি।
কথার কোলে ইচ্ছেগুলো বাৎসায়নের রতি,
মানে এবং অন্য মানে দুটোই জেনেছি।
নষ্ট জলে ধুইয়ে দেবে কখন আমার গা,
তোমার দিকে হাঁটবে কখন আমার দুটো পা?
সেই দিকে মন পড়েই আছে, দিন তো হলো শেষ;
তোমার মধ্যে পবিত্রতার একটি মহাদেশ
এবং এক জলের ধারা দেখতে পেয়েছি-
একেই বুঝি মানুষ বলে, ভালোবেসেছি।
Related Articles
বিদায়ী কৈশর আমার
তিল তিল করে বেড়ে উঠার মাছরাঙা রঙধনুর শৈশব কৈশর সেই সব দিন– ধীরে ধীরে, একটু একটু করে স্মৃতি হয়ে যায় আজ তারে বলছি বিদায়… জলের ঝাপ্টায় ঘুম তাড়ানো সকাল শার্টেরএলোমেলো লাগানো বোতাম কাধে ব্যাগ, ভারী বোঝা, ক্লাস রুম, হই-হুল্লোর সব চুপ হয় যখন টিচার রুমে- আমি বিভোর, সেইসব দিনগুলোয় আজ কেন বলছি বিদায়… ব্যাটে বলে […]
ঘুমোবার আগে
‘আমার কাছে আগুন ছিলো না আমি চাঁদের আগুনে শাদা সিগ্রেট জ্বালিয়ে বসেছিলাম কুয়াশায়! -কে ওখানে? শীতরাতে পৌষ-পাখির গলা শোনা গেলো জ্যোত্স্নায়, -কে ওখানে? পাখির কন্ঠের গানে কুয়াশায় আমি কালো জ্যোত্স্না ঘুরে হঠাত্ তখন চাঁদের আগুনে পুড়ে ছুঁয়ে দিতে উদ্যত হলাম! অপসৃয়মাণ তুমি? তোমাকে না ছুঁতে পেরে আমি নিজ নিয়তির অন্তর্গত রোদনকে বললাম, দেখো আমি আর […]
তুমি আগুন না জল
আমি তোমাকে ছুঁয়ে দেখলাম পাখির মতো যুগল ডানা আছে তোমার, তুমি কি উড়তে পারো? তোমার চোখ নয়, হাত বাড়াতেই মনে হলো হাত দুটো ডুবে গেলো গভীর দিঘিতে, হারমোনিয়ামের রিডের মতো ঠোঁটে আঙুল রাখতেই শুনতে পেলাম চুম্বনের মসৃণ শব্দ, চুম্বনের শব্দ এতো নরম হয় জানতাম না। নিঃশ্বাসের দোলনায় দুলে উঠলো আঙুল, বুঝলাম ওটা বুক, অথচ ছোঁয়ার […]

