নষ্ট জলে পা ধুয়েছো এখন উপায় কি?
আচ্ছাদিত বুকের বোঁটা চুমোয় কেটেছি।
কথার কোলে ইচ্ছেগুলো বাৎসায়নের রতি,
মানে এবং অন্য মানে দুটোই জেনেছি।
নষ্ট জলে ধুইয়ে দেবে কখন আমার গা,
তোমার দিকে হাঁটবে কখন আমার দুটো পা?
সেই দিকে মন পড়েই আছে, দিন তো হলো শেষ;
তোমার মধ্যে পবিত্রতার একটি মহাদেশ
এবং এক জলের ধারা দেখতে পেয়েছি-
একেই বুঝি মানুষ বলে, ভালোবেসেছি।
Related Articles
পাপ ও দুঃখের কথা ছাড়া আর কিছুই থাকে না
পাপ ও দুঃখের কথা ছাড়া আর কিছুই থাকে না আয়না ভেঙে বিচ্ছুরণ একদিন বিস্ফোরণ হয় বুক ভেঙে কান্না এলে কান্নাগুলি ছুটে যায় ধূসর অন্তিমে স্বর্গের অলিন্দে- স্বর্গ থেকে তারপর ঢলে পড়ে মহিম হালদার স্ট্রীটে প্রাচীন গহ্বরে মধ্যরাতে। জানলা ভেঙে বৃষ্টি এলে বুকে যে-রকম পাপ হয় যে-রকম স্মৃতিহীন মহিম হালদার কিংবা আমি ও মোহিনী পুরুষের ভাগ্য […]
শরীর দিয়েছ শুধু, বর্মখানি ভুলে গেছ দিতে
‘ও যখন প্রতিরাত্রে মুখে নিয়ে এক লক্ষ ক্ষত আমার ঘরের দরজা খোলা পেয়ে ফিরে আসে ঘরে দাঁড়ায় দুয়ারপ্রান্তে সমস্ত বিশ্বের স্তব্ধতায় শরীর বাঁকিয়ে ধরে দিগন্তের থেকে শীর্ষাকাশ আর মুখে জ্বলে থাকে লক্ষ লক্ষ তারার দাহন অবলম্বহীন ঐ গরিমার থেকে ঝুঁকে পড়ে মনে হয় এই বুঝি ধর্মাধর্মজ্ঞানহেন দেহ মুহূর্তে মূর্ছিত হল আমার পায়ের তীর্থতলে- শূন্য থেকে […]
ম্যাজিক
ছেলেবেলায় পাড়ার ছোটরা মিলে, রোয়াকে বসে একরাশ বেলুন নিয়ে ফোলাবার চেষ্টা করতাম আচ্ছা আপনারাই বলুন বেলুন, ফোলানো কি সহজ কাজ ? কোনোটা আবার এমন নরম, যে ফুলাতে না ফুলাতে ফটাস করে যেত ফেটে আবার কোনোটা এমন শক্ত, যে ফু দিতে দিতে চোয়াল হয়ে যেত ব্যথা। তাই একদিন সবাই মিলে ঠিক করলাম পাড়ার এক দাদাকে ধরে […]

