নষ্ট জলে পা ধুয়েছো এখন উপায় কি?
আচ্ছাদিত বুকের বোঁটা চুমোয় কেটেছি।
কথার কোলে ইচ্ছেগুলো বাৎসায়নের রতি,
মানে এবং অন্য মানে দুটোই জেনেছি।
নষ্ট জলে ধুইয়ে দেবে কখন আমার গা,
তোমার দিকে হাঁটবে কখন আমার দুটো পা?
সেই দিকে মন পড়েই আছে, দিন তো হলো শেষ;
তোমার মধ্যে পবিত্রতার একটি মহাদেশ
এবং এক জলের ধারা দেখতে পেয়েছি-
একেই বুঝি মানুষ বলে, ভালোবেসেছি।
Related Articles
জল বাড়ছে
কেউ জানে না, গোপন- গোপনে জল উঠছে জল বাড়ছে তিস্তায়, জল বাড়ছে তোর্সা রাইডাক কালজানি নদীতে জল বাড়ছে, জল বাড়ছে, শুকনো নদীগুলো এখন উন্মাদিনী নেমে আসছে পাহাড়ী ঢল, ভেসে যাচ্ছে ফসলের ক্ষেত, ভেঙে পড়ছে চা-বাগান ডুবছে গ্রাম, চুয়াপাড়া, হাসিমারা, বাকসাদুয়ার জল বাড়ছে মহানন্দায়, জল বাড়ছে পুনর্ববা নাগর এবং কালিন্দীতে ক্রুদ্ধ বিদ্রোহী জল ফুঁসে ফুঁসে উঠছে […]
ক্রমাগত
এইভাবে হতে থাকে ক্রমাগত কেউ মারে কেউ মার খায় ভিতরে সবাই খুব স্বাভাবিক কথা বলে জ্ঞানদান করে এইদিকে ঐ দিকে তিন চার পাঁচ দিকে টেনে নেয় গোপন আখড়ায় কিছু-বা গলির কোণে অ্যাসফল্ট রাজপথে সোনার ছেলেরা ছারখার অল্প দু-চারজন বাকি থাকে যারা তেল দেয় নিজের চরকায় মাঝে মাঝে খড়খড়ি তুলে দেখে নেয় বিপ্লব এসেছে কতদূর এইভাবে, […]
স্নান করে উঠে কতক্ষণ
স্নান করে উঠে কতক্ষণ ঘাটে বসে আছে এক উন্মাদ মহিলা মন্দিরের পিছনে পুরনো বটগাছ। ঝুরি। ফাটধরা রোয়াকে কুকুর। অনেক বছর আগে রথের বিকেলে নৌকো থেকে ঝাঁপ দিয়ে আর ওঠেনি যে-দস্যি ছেলেটা এতক্ষণে, জল থেকে সে ওঠে, দৌড় মারে, ঝুরি ধরে খুব দোল খায় সারা গা শ্যাওলায় ভরা, একটা চোখ মাছে খেয়ে গেছে কেউ তাকে দেখতে […]

