নষ্ট জলে পা ধুয়েছো এখন উপায় কি?
আচ্ছাদিত বুকের বোঁটা চুমোয় কেটেছি।
কথার কোলে ইচ্ছেগুলো বাৎসায়নের রতি,
মানে এবং অন্য মানে দুটোই জেনেছি।
নষ্ট জলে ধুইয়ে দেবে কখন আমার গা,
তোমার দিকে হাঁটবে কখন আমার দুটো পা?
সেই দিকে মন পড়েই আছে, দিন তো হলো শেষ;
তোমার মধ্যে পবিত্রতার একটি মহাদেশ
এবং এক জলের ধারা দেখতে পেয়েছি-
একেই বুঝি মানুষ বলে, ভালোবেসেছি।
Related Articles
"অশ্রুপার্বণ"….কাজী নাসির মামুন'র দীর্ঘ কবিতা…
//অশ্রুপার্বণ// আয়ুর আকাশে চিরদিন একটি দীঘল কালো মেঘ ………….অনন্ত উপেক্ষা নিয়ে জীবনকে পরিহাস করে; তবু ভালো লাগে শালিখ পাখির আলাপচারিতা, ভালো লাগে ……………..বিহঙ্গ মর্মর । কখনো তাদের বিদীর্ণ সংলাপ, ক্রোত্ ক্রোত্ ভালোবাসা দেখে আমি যে শিখতে পাই আমার অন্তিম পলায়ন বিদ্যা ! মৃত্যু প্রহেলিকার ডুমুর গাছ কীভাবে চিনতে হয় ………………………………ফুলের অস্তিত্ব ছাড়া সেইটুকু […]
যদি আমি ঝরে যাই একদিন
যদি আমি ঝরে যাই একদিন কার্তিকের নীল কুয়াশায়; যখন ঝরিছে ধান বাংলার ক্ষেতে-ক্ষেতে ম্লান চোখ বুজে, যখন চড়াই পাখি কাঁঠালীচাপাঁর নীড়ে ঠোঁট আছে গুজে, যখন হলুদ পাতা মিশিতেছে খয়েরি পাতায়, যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়, শামুক গুগলিগুলো পড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে- তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে, ঠেস্ […]
একুশে নভেম্বর ১৯৪৬
আবার এবার দুর্বার সেই একুশে নভেম্বর- আকাশের কোণে বিদ্যুৎ হেনে তুলে দিয়ে গেল মুত্যুকাঁপানো ঝড়। আবার এদেশে মাঠে, ময়দানে সুদূর গ্রামেও জনতার প্রাণে হাসানাবাদের ইঙ্গিত হানে প্রত্যাঘাতের স্বপ্ন ভয়ঙ্কর। আবার এসেছে অবাধ্য এক একুশে নভেম্বর।। পিছনে রয়েছে একটি বছর, একটি পুরনো সাল, ধর্মঘট আর চরম আঘাতে উদ্দাম, উত্তাল; বার বার জিতে, জানি অবশেষে একবার গেছি […]

