চৈত্রের গভীর রাতে স্বপ্নের রোদ্দুরে
সূর্যমুখী!
স্বপ্নঘোরে যাই যত দূরে
আমারই সেদিকে ফিরে থাকে।
চড়াই-উতরাই বাঁকে
প্রতি পা ফেলায়—
সে আমার দিকেই তাকায়।
কবিতার শব্দধ্বনি
দ্বিগুণ হলুদ হয়ে ওঠে তো তখনি,
ঝরে পড়ে পাপড়িতে তার—
স্বপ্ন সাধ
উল্লাস বিষাদ
সবকিছু নিয়ে
এই নদী এই মাঠ এই আকাশ পেরিয়ে
সৃজনের সূর্যমুখী সামান্য এ জীবন আমার।
Related Articles
অনুভব
১৯৪০ অবাক পৃথিবী! অবাক করলে তুমি জন্মেই দেখি ক্ষুব্ধ স্বদেশভূমি। অবাক পৃথিবী! আমরা যে পরাধীন অবাক, কী দ্রুত জমে ক্রোধ দিন দিন; অবাক পৃথিবী! অবাক করলে আরো— দেখি এই দেশে অন্ন নেইকো কারো। অবাক পৃথিবী! অবাক যে বারবার দেখি এই দেশে মৃত্যুরই কারবার। হিসাবের খাতা যখনি নিয়েছি হাতে দেখেছি লিখিত— `রক্ত খরচ’ তাতে; এদেশে জন্মে […]
রাশিয়ার চিঠি-কোরীয় যুবকের রাষ্ট্রিক মত
কোরীয় যুবকটি সাধারণ জাপানীর চেয়ে মাথায় বড়ো। ইংরেজি সহজে বলেন, উচ্চারণে জড়তা নেই। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলুম, “কোরিয়ায় জাপানী রাষ্ট্রশাসন তোমার পছন্দ নয়?” “না।” “কেন। জাপানী আমলে তোমাদের দেশে পূর্বেকার চেয়ে কি ব্যবস্থা ভালো হয় নি।” “তা হয়েছে। কিন্তু আমাদের যে দুঃখ সেটা সংক্ষেপে বলতে গেলে দাঁড়ায়, জাপানী রাজত্ব ধনিকের রাজত্ব। কোরিয়া তার মুনফার উপায়, […]
সেই কবিতাটা
সেই কবিতাটা বজ্জাত। সংশোধন করার জন্যে যেই না কবিতাটার একটা জায়গা কেটেছি, অমনি সেই ফাঁক দিয়ে একটা গাছ ডাল বাড়িয়ে দিয়ে বলল। ‘কী রে, আম কুড়োতে যাবি না?’ আর একটা জায়গা কাটতেই সেখান থেকে একটা মেয়ে মুখ বার করে বলল, ‘আমি কিন্তু কিছু জানি না! বিকেলে আমি জামা কিনতে যাবো ই যাবো!’ আমি ভয় পেয়ে […]

