চৈত্রের গভীর রাতে স্বপ্নের রোদ্দুরে
সূর্যমুখী!
স্বপ্নঘোরে যাই যত দূরে
আমারই সেদিকে ফিরে থাকে।
চড়াই-উতরাই বাঁকে
প্রতি পা ফেলায়—
সে আমার দিকেই তাকায়।
কবিতার শব্দধ্বনি
দ্বিগুণ হলুদ হয়ে ওঠে তো তখনি,
ঝরে পড়ে পাপড়িতে তার—
স্বপ্ন সাধ
উল্লাস বিষাদ
সবকিছু নিয়ে
এই নদী এই মাঠ এই আকাশ পেরিয়ে
সৃজনের সূর্যমুখী সামান্য এ জীবন আমার।
Related Articles
‘তনু’ ও ‘তনু’ রে
হায় রে তনু— আমাদের আজিকার তনুমন তাপে, অনুতাপে, ক্ষত ও ক্ষরণ, দহন, জ্বলন, জলাঞ্জলির দীপাবলিতে– চমৎকার স্থবির, শুনশান সব। জঠর, জরায়ু, বক্ষ ও মগজভেদী আর্তনাদে দেওলিয়া প্রান্তর- প্রান্তরেখার খন্ডিত চরাচর! মানুষ তো নয়, চারপাশে নির্ঘাত কীটপতঙ্গ শব! আছি অপেক্ষায়- আরো একবার, বারবার, সহস্রবার পিষ্ট হবার। তুমি, বরং ঘুমাও তনু পত্র পল্লবের শ্যামল ছায়ায় লুটাইয়া দেহখানি, […]
আরশিতে সর্বদা এক উজ্জল রমনী
আরশিতে সর্বদা এক উজ্জল রমণী বসে থাকে। তার কোনো পরিচয়, পাসপোর্ট, বাড়ির ঠিকানা মানুষ পায়নি হাত পেতে। অনুসন্ধানের লোভে মুলত সর্বতোভাবে তাকে পাবে বলে অনেক মোটর গাড়ি ছুটে গেছে পাহাড়ের ঢালু পথ চিরে অনেক মোটর গাড়ি চুরমার ভেঙে গেছে নীল সিন্ধুতীরে তারও আগে ধ্বসে গেছে শতাধিক প্রাসাদের সমৃদ্ধ খিলান হাজার জাহাজ ডুবি হয়ে গেছে হোমারের […]
নীরার জন্য কবিতার ভূমিকা
এই কবিতার জন্য আর কেউ নেই, শুধু তুমি, নীরা এ-কবিতা মধ্যরাত্রে তোমার নিভৃত মুখ লক্ষ্য করে ঘুমের ভিতরে তুমি আচমকা জেগে উঠে টিপয়ের থেকে জল খেতে গিয়ে জিভ কামড়ে একমুহূর্ত ভাবলে কে তোমার কথা মনে করছে এত রাত্রে–তখন আমার এই কবিতার প্রতিটি লাইন শব্দ অক্ষর কম ড্যাস রেফ্ ও রয়ের ফুট্কি সমেত ছুটে যাচ্ছে তোমার […]

