চৈত্রের গভীর রাতে স্বপ্নের রোদ্দুরে
সূর্যমুখী!
স্বপ্নঘোরে যাই যত দূরে
আমারই সেদিকে ফিরে থাকে।
চড়াই-উতরাই বাঁকে
প্রতি পা ফেলায়—
সে আমার দিকেই তাকায়।
কবিতার শব্দধ্বনি
দ্বিগুণ হলুদ হয়ে ওঠে তো তখনি,
ঝরে পড়ে পাপড়িতে তার—
স্বপ্ন সাধ
উল্লাস বিষাদ
সবকিছু নিয়ে
এই নদী এই মাঠ এই আকাশ পেরিয়ে
সৃজনের সূর্যমুখী সামান্য এ জীবন আমার।
Related Articles
অমিমাংসিত সন্ধি
৪. অমিমাংসিত সন্ধি তোমাকে শুধু তোমাকে চাই, পাবো? পাই বা না পাই এক জীবনে তোমার কাছেই যাবো। ইচ্ছে হলে দেখতে দিও, দেখো হাত বাড়িয়ে হাত চেয়েছি রাখতে দিও, রেখো অপূণতায় নষ্টে-কষ্টে গেলো এতোটা কাল, আজকে যদি মাতাল জোয়ার এলো এসো দু’জন প্লাবিত হই প্রেমে নিরাভরণ সখ্য হবে যুগল-স্নানে নেমে। থাকবো ব্যাকুল শর্তবিহীন নত পরস্পরের বুকের […]
সরোদ বাজাতে জানলে
আমার এমন কিছু দুঃখ আছে যার নাম তিলক কামোদ এমন কিছু স্মৃতি যা সিন্ধুভৈরবী জয়জয়ন্তীর মতো বহু ক্ষত রয়ে গেছে ভিতর দেয়ালে কিছু কিচু অভিমান ইমনকল্যাণ। সরোদ বাজাতে জানলে বড় ভালো হতো। পুরুষ কিভাবে কাঁদে সেই শুধু জানে। কার্পেটে সাজানো প্রিয় অন্তঃপুরে ঢুকে গেছে জল। মুহুর্মুহু নৌকাডুবি, ভেসে যায় বিরুদ্ধ নোঙর। পৃথিবীর যাবতীয় প্রেমিকের সপ্তডিঙা […]
রাশিয়ার চিঠি-১৪
ল্যান্স্ডাউন ইতিমধ্যে দুই-একবার দক্ষিণ-দরজার কাছে ঘেঁষে গিয়েছি। মলয়-সমীরণের দক্ষিণদ্বার নয়, যে দ্বার দিয়ে প্রাণবায়ু বেরোবার পথ খোঁজে। ডাক্তার বললে, নাড়ীর সঙ্গে হৃৎপিণ্ডের মুহূর্তকালের যে বিরোধ ঘটেছিল সেটা যে অল্পের উপর দিয়েই কেটে গেছে এটাকে অবৈজ্ঞানিক ভাষায় মিরাক্ল্ বলা যেতে পারে। যাই হোক, যমদূতের ইশারা পাওয়া গেছে, ডাক্তার বলছে এখন থেকে সাবধান হতে হবে। অর্থাৎ, উঠে […]

