চৈত্রের গভীর রাতে স্বপ্নের রোদ্দুরে
সূর্যমুখী!
স্বপ্নঘোরে যাই যত দূরে
আমারই সেদিকে ফিরে থাকে।
চড়াই-উতরাই বাঁকে
প্রতি পা ফেলায়—
সে আমার দিকেই তাকায়।
কবিতার শব্দধ্বনি
দ্বিগুণ হলুদ হয়ে ওঠে তো তখনি,
ঝরে পড়ে পাপড়িতে তার—
স্বপ্ন সাধ
উল্লাস বিষাদ
সবকিছু নিয়ে
এই নদী এই মাঠ এই আকাশ পেরিয়ে
সৃজনের সূর্যমুখী সামান্য এ জীবন আমার।
Related Articles
নিখোঁজ হবে ছেলেটি
সব ভুলে যাবে একদিন হয়তো কবিতার পাতাগুলো খুলেও দেখবে না একদিন ঘৃণায় ভেজাবে দুচোখ ভুলে যাবে হয়তো- তার কথা ভেবে হাসি ফুটবে না ।। অথবা ফিরিয়ে দেবে সব স্মৃতি তোমায় ভালবাসার অধিকারটুকুও, ধুয়ে মুছে নিয়ে যাবে অন্য কারো জন্যে । বিশ্বাসের প্রদীপ থেকে সেদিন প্রবল আক্রোশে হানা দেবে অঙ্গার; তবু কিছুই হবে না- তাকে […]
দশদিগন্তগামী
অনবরত বদলে যাচ্ছে যাওয়া, আমি আদম, আমি আমার হাওয়া। অনবরত বদলে যাচ্ছে তনু, আমি মনু, আমি মনুর অণু। অনবরত বদলে যাচ্ছে ঘ্রাণ, আমি কুরু, আমি ক্ষেত্র, আমিই পরিত্রাণ। এলেই যদি, যাচ্ছো কোথায় ফের? বাড়ির পরে বাড়ি আমার ঢের। হাতেপায়ে নেই জুতো, দস্তানা। আসছি আমি, যাচ্ছি আমি, দশদিগন্তগামী; আমিই আমার ট্রেন-ঠিকানা, আমিই আস্তানা।
কথোপকথন-৯
‘আজ তোমাকে অনেক নামে ডাকতে ইচ্ছে করছে। ডাকবো? আজকে তুমি প্রথম শ্রাবণ, সঙ্গে চাঁপার গন্ধ মাখবো? গভীরতর গানের ভিতর খেয়া দেওয়ার নৌকো চলছে। একটু আগে হাসলে যেন আকাশ সোনার আংটি গলছে। এখন তোমায় ‘কুরুস কাঠি’ এই নামেতে ডাকবো শুনছো? ছিলাম সুতো, তাকে হাজার চৌকো ও গোল নকশায় বুনছো।’

