গোলাপে রয়েছে আঁচ, পতঙ্গের ডানা পুড়ে যায়
হাওয়া ঘোরে দূরে-দূরে
ফুলকে সমীহ করে
সূর্যাস্তও থমকে থাকে!
দেখো-দেখো
আমার বাগানে এক অগ্নিময়
ফুল ফুটে আছে
তার সৌরভেও কত তাপ!
আর সব কুসুমের জীবন-চরিত তুচ্ছ করে
সে ঘাড় ঘুরিয়ে দেখে চতুর্দিক
বৈদুর্ষমণির মতো চোখ মেলে সে রয়েছে প্রতীক্ষায়
কার? কার?
Related Articles
ঘড়ির কাঁটার মতো
খুব ঘন কুয়াশার মধ্যে আমরা দুজন সোনালি কাঁকড়ার ক্ষুদ্র দাঁড়ার ওপর ঘণ্টা আর মিনিটের কাঁটার মতন এক হ’য়ে নিবিড় দাঁড়িয়ে আছি— আমাদের সংকীর্ণ সাঁকোর নিচে সময় গড়ায়… তোমার মুখের মতো আর কোনো গাঢ় লাল ঘড়ি কখনো দেখিনি—নেই; আমাদের তড়িঘড়ি সংক্ষিপ্ত চুমোর মধ্যে কেবল দেখেছি স্বপ্নের বাস্তবে ঘড়ির যুগলে কাঁটা মিলেমিশে স্থির হ’য়ে আছে; ভবিষ্যতে কোনো […]
বৃষ্টি চিহ্নিত ভালোবাসা
মনে আছে একবার বৃষ্টি নেমেছিল ? একবার ডাউন ট্রেনের মতো বৃষ্টি এসে থেমেছিল আমাদের ইস্টিশনে সারাদিন জল ডাকাতের মতো উৎপাত শুরু করে দিয়েছিল তারা; ছোট-খাটো রাজনীতিকের মতো পাড়ায়-পাড়ায় জুড়ে দিয়েছিল অথই শ্লোগান। তবু কেউ আমাদের কাদা ভেঙে যাইনি মিটিং-এ থিয়েটার পণ্ড হলো, এ বৃষ্টিতে সভা আর তাসের আড্ডার লোক ফিরে এলো ঘরে; ব্যবসার হলো ক্ষতি […]
কথোপকথন-৩৯
তোমাকে বাজাই সমুদ্র-শাঁখ তুমি। গাছে ফুল আসে ফুলেরা কিশোরী হয়। ডালপালাগুলো সবুজ পাতার খামে চিঠি লিখে লিখে প্রেম নিবেদন করে। ফ্রক ছেড়ে শাড়ি পরে সমগ্র বনভুমি। তমাকে ভাসাই মেঘের নৌকা তুমি তুমি জান লাল প্রবালের নিল দ্বীপ। অমরাবতীর দরজায় এসো নামো, খাট-পালঙ্ক পেতে দেয় জোৎস্নারা। বুড়ি চাঁদ এসে ঝাড়-লন্ঠন জ্বালে। পৃথিবীর ফাটা গালে হেসে ওঠে […]

