গোলাপে রয়েছে আঁচ, পতঙ্গের ডানা পুড়ে যায়
হাওয়া ঘোরে দূরে-দূরে
ফুলকে সমীহ করে
সূর্যাস্তও থমকে থাকে!
দেখো-দেখো
আমার বাগানে এক অগ্নিময়
ফুল ফুটে আছে
তার সৌরভেও কত তাপ!
আর সব কুসুমের জীবন-চরিত তুচ্ছ করে
সে ঘাড় ঘুরিয়ে দেখে চতুর্দিক
বৈদুর্ষমণির মতো চোখ মেলে সে রয়েছে প্রতীক্ষায়
কার? কার?
Related Articles
রাশিয়ার চিঠি-৫
বর্লিন মস্কৌ থেকে তোমাকে একটা বড়ো চিঠিতে রাশিয়া সম্বন্ধে আমার ধারণা লিখেছিলুম। সে চিঠি যদি পাও তো রাশিয়া সম্বন্ধে কিছু খবর পাবে। এখানে চাষীদের সর্বাঙ্গীণ উন্নতির জন্য কতটা কাজ করা হচ্ছে তারই বিবরণ কিছু দিয়েছি। আমাদের দেশে যে শ্রেণীর লোক মূক মূঢ়, জীবনের সকল সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে যাদের মন অন্তর-বাহিরের দৈন্যের তলায় চাপা পড়ে […]
নতুন সংসার
জীবনের বোঝা কাঁধে প্রতিদিন পথ চলি আমি; জীবনটা দামি নয়, মনে হয় বোঝাটাই জীবনের চেয়ে ঢের দামি! কেউ কেউ প্রশ্ন করে, কত এই বোঝার ওজন? নিরুত্তর পথ চলি, পথে পথে সঙ্গী অগণন। নগর পেরিয়ে যাই, পেয়ে যাই শালতমালের পর বুড়ো বটমূল, সূর্যাস্তের পরপারে সুদূরে মিলিয়ে যাই কাশ-শাদা চুল। নিজেকে দেখতে গিয়ে ছুঁয়ে দেখি আপন সুরত, […]
তোমাকে দেখার পর থেকে
তোমাকে দেখার পর থেকে কীরকম গণ্ডগোল হয়ে গেলো সমস্ত জীবন, ওলটপালট হয়ে গেলো সবকিছু- সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেললাম বুঝ খেই, চিন্তাসূত্র হয়ে গেলো বিশৃঙ্খল, এলোমেলো; কেবল তোমারই মুখ দেখি বৃক্ষপত্রে, জ্যোতিস্কমণ্ডলে উচ্ছল ঝর্নার জলে, বুকশেলফে, পড়ার টেবিলে, টেলিভিশনের উজ্জ্বল পর্দায়- এমনকি ডিশ অ্যান্টেনাও ঢেকে দিতে পারেনি তোমার মুখ রেডিও বা ক্যাসেট খুলেই শুনি তোমার নিবিড় কণ্ঠস্বর। […]

