বাবুরাম সাপুড়ে,
কোথা যাস্ বাপুরে?
আয় বাবা দেখে যা,
দুটো সাপ রেখে যা—
যে সাপের চোখ্ নেই,
শিং নেই, নোখ্ নেই,
ছোটে না কি হাঁটে না,
কাউকে যে কাটে না,
করে নাকো ফোঁস্ ফাঁস্,
মারে নাকো ঢুঁশ্ঢাঁশ,
নেই কোনো উৎপাত,
খায় শুধু দুধ ভাত,
সেই সাপ জ্যান্ত
গোটা দুই আন্ত!
তেড়ে মেরে ডাণ্ডা
ক’রে দিই ঠাণ্ডা৷
Related Articles
রাশিয়ার চিঠি-৪
মস্কৌ থাকতে সোভিয়েট ব্যবস্থা সম্বন্ধে দুটো বড়ো বড়ো চিঠি লিখেছিলুম। সে চিঠি কবে পাবে এবং পাবে কি না কী জানি। বর্লিনে এসে একসঙ্গে তোমার দুখানা চিঠি পাওয়া গেল। ঘন বর্ষার চিঠি, শান্তিনিকেতনের আকাশে শালবনের উপরে মেঘের ছায়া এবং জলের ধারায় শ্রাবণ ঘনিয়ে উঠেছে, সেই ছবি মনে জাগলে আমার চিত্ত কিরকম উৎসুক হয়ে ওঠে সে তোমাকে […]
শারদীয়
শাদা কাগজের ওপর রেগে যাই, সাড়ে চুয়াত্তরে এসে বাক্যালাপে মেতে ওঠে অসমাপ্ত পদ্যগুলো, স্মৃতিরাশি শাদা মেঘমালার চেয়েও অধিক এলোমেলো। নবীন টাটকা সবুজে সদ্য ছানি-কাটা চোখ ফেলি এখনও আশ্বাস দেয় বৃক্ষ, তৃণ, পুষ্প আর পাতা… রঙিন শাড়িতে মোড়া কপালে সিঁদুর নিয়ে কেউ নেই এক মাল্লা নাওয়ে, ট্রলার থেকে নামে কয়েকটি জিন্স ও টি শার্ট এর মাঝে […]
জেসমিন ২০১৩
কয়েক কোটি টাকা খরচ করে অ্যাকোয়েরিয়াম কিনেছি সেখানে কোন রকম জলজ উদ্ভিদ, জলজ প্রাণী সংরক্ষণ না করে সেই কৃত্রিম পুষ্করিণীতে সাঁতার শেখাবো তাকে। বুড়িগঙ্গায় ভীষণ ভয়, এমনকি শীতলক্ষ্যাতেও_ পাড়ার সকলেই অপ্রস্তুত করে দিয়েছেন আমাকে আমি যে অপ্রস্তুত হবার যুবক নই সে কথা জেসমিন জেনেছে ইভ আর অ্যাডামের কাল থেকে। অ্যাকোয়েরিয়াম শিখবো সাঁতরে আমরা দু’জন। যদিও […]

