ও চির প্রনম্য অগ্নি আমাকে পোড়াও
প্রথমে পোঁড়াও ওই পা দুটি
যা ছলৎ শক্তি হীন ।
তারপর যে হাতে আজ প্রেম পরিচ্ছন্নতা কিছু নেই
এখন বাহুর ফাদে ফুলের বর
এখন কাঁধের পরে দায়িত্বহীনতা
ওদের পুঁড়িয়ে
এসো , এসো হৃদয়ের কাছে
দাঁড়াও লহমা।
তারপর ,ধংস করো
সত্য মিথ্যা রঙ্গে
শীতে স্তব্ধ জ্ঞান পীট ।
রক্ষা করো, রক্ষা করো দুটি চোখ
হয়ত তাদের এখনো দেখার কিছু কিছু বাকী আছে ।
অশ্রুপাত শেষ হলে , নষ্ট করো আঁখি ।
কুঁড়িয়ো না ফুলো মালা
স্তবক সুগন্ধে আলু থালু প্রিয়কর স্পর্শ
ওর গায়ে লেগে আছে
গঙ্গা জ্বলে ভেসে যেতে দিও ওকে মুক্ত ,স্বেচ্ছাচারী
ও চির প্রনম্য অগ্নি আমাকে পোড়াও ।
কবিতাটি শুনুন এখানে
Related Articles
স্বপ্নের কবিতা
আমি তো দাঁড়িয়েছিলাম পাশে, সামনে বিপুল জনস্রোত হলুদ আলোর রাস্তা চলে গেছে অতিকায় সুবর্ণ শহরে কেউ আসে কেউ যায়, কারো আঙুল থেকে ঝরে পড়ে মধু কেউ দাঁতে পিচ কাটে, সুবর্ণষ্ঠীবীর স্মৃতি লোভ ক’রে কেউ বা ছুঁয়েছে খুব লঘু যত্নে, সুখী বারবনিতার তম্বুরাযুগল হেন পাছা কারো চুলে রত্নচ্ছটা, কারো কণ্ঠে কাঁচা-গন্ধ বাঘনখ দোলে আমি তো দাঁড়িয়েছিলাম […]
অনন্তবাহিনী ঐ তীরে
সবার জীবনে আছে ভোরবেলা, আমার তা নেই, আমার অনন্ত রাত্রি, আমার জীবনে কোনো ভোর নেই_ শুধু রাত্রি, রাত্রি_ আমার বৌয়ের নাম : রাত্রি! আমার অনন্ত রাত্রি_ রাত্রিই আমার চিরসখী। এই প্রিয় রাত্রিবেলা খেলা আমি করি অন্ধকারে; অন্ধকার; আমার আরেক বধূ_ রাত্রির যমজ! সবার জীবনে আছে ভোরবেলা, আমার তা নেই ভোর কাকে বলে আমি তা জানি […]
আমার পালা কবুতরগুলি কে দেখবে
যত আমার বয়স বাড়ছে তত আমি পেনশনার হয়ে উঠছি বয়স আমারে অনামা করে তুলেছে নিজের কাছে এবং অন্যদের কাছে (আমার এখন কোনো নাম নেই সবার কাছে আমি প্রান্ত কা কিংবা দাদাভাই) কে কি আমার সম্বন্ধে ভাবছে আমার কোন ভ্রুক্ষেপ নেই, আমার ঘরবাড়ি থেকেও নেই যত শেষের দিনগুলো কাছে আসে চিরন্তন অভাব আমাকে ঘিরে ধরে কেন […]

