ও চির প্রনম্য অগ্নি আমাকে পোড়াও
প্রথমে পোঁড়াও ওই পা দুটি
যা ছলৎ শক্তি হীন ।
তারপর যে হাতে আজ প্রেম পরিচ্ছন্নতা কিছু নেই
এখন বাহুর ফাদে ফুলের বর
এখন কাঁধের পরে দায়িত্বহীনতা
ওদের পুঁড়িয়ে
এসো , এসো হৃদয়ের কাছে
দাঁড়াও লহমা।
তারপর ,ধংস করো
সত্য মিথ্যা রঙ্গে
শীতে স্তব্ধ জ্ঞান পীট ।
রক্ষা করো, রক্ষা করো দুটি চোখ
হয়ত তাদের এখনো দেখার কিছু কিছু বাকী আছে ।
অশ্রুপাত শেষ হলে , নষ্ট করো আঁখি ।
কুঁড়িয়ো না ফুলো মালা
স্তবক সুগন্ধে আলু থালু প্রিয়কর স্পর্শ
ওর গায়ে লেগে আছে
গঙ্গা জ্বলে ভেসে যেতে দিও ওকে মুক্ত ,স্বেচ্ছাচারী
ও চির প্রনম্য অগ্নি আমাকে পোড়াও ।
কবিতাটি শুনুন এখানে
Related Articles
পরাবাস্তব
এ কোথায়? এ যে এক বনভূমি_ ভীষণ নীরব। পদতলে পান্ডুর পল্লব। একদা তো নক্ষত্রের উজ্জ্বল আসব। একদা যে ভোর ছিল অগি্নময়_ ছিল যে গৌরব আজ তবে দাঁতে তুলে নিয়েছে বরফ! শব, কুটিরে কুটিরে শব, জনপদে শব_ এতো মৃত্যু! তবু মৃত্যু পায় না গৌরব মানবজন্মের গল্পে যদি কেউ না লেখে এসব। অমাবস্যা ছিঁড়ে খায় পূর্ণিমার রুপালি […]
তুই?
সোঁদা ঘামের গন্ধ জড়িয়ে ছিল আষ্ঠেপৃষ্ঠে, তুই ছিলি! বাইরে তখন বালক বাতাস উড়িয়ে দিচ্ছে ধুলো। বন্ধ চোখে এগিয়ে দিয়েছিলি ভেজা ঠোঁট, এলোমেলো চুল করে, আবার গোছানো, আদু কন্ঠে ‘এমনটাই থেকো’ তুই ছিলি! আজো আমি একই আছি। তুই?
হাসন্ রাজার বাড়ি
গাঁয়েতে এয়েছে এক কেরামতি সাহেব কোম্পানি কত তার ঢ্যাঁড়াক্যাড়া-মানুষ না পিপীলিকা, যা রে ছুটে যা যা রে যা দ্যাখ গা খোলা হুরীর নাচন আর ভাঁড়ের কেরদানি এখেনে এখন শুধু মুখোমুখি বসে রবো আমি আর হাসন্ রাজা। আলাভোলা হাওয়া ঘোরে, তিলফুলে বসেছে ভোমর উদলা নদীটি আজ বড়ই ছেনালি বিষয় বুঝলে দাদা, ভুলাতে এসেছে ও যে দুলায়ে […]

