তোমার হাত যে ধরেইছিলাম তাই পারিনি জানতে
এই দেশে বসতি করে শান্তি শান্তি শান্তি
তোমার হাত যে ধরেইছিলাম তাই পারিনি জানতে
সফলতার দীর্ঘ সিঁড়ি, তার নিচে ভুল-ভ্রান্তি
কিছুই জানতে পারিনি আজ, কাল যা-কিছু আনতে
তার মাঝে কি থাকতো মিশে সেই আমাদের ক্লান্তির
দু-জন দু-হাত জড়িয়ে থাকা–সেই আমাদের শান্তি?
তোমার হাত যে ধরেইছিলাম তাই পারিনি জানতে।
বেশ কিছুদিন সময় ছিলো–সুদুঃসময় ভাঙতে
গড়তে কিছু, গড়নপেটন–তার নামই তো কান্তি?
এ সেই নিশ্চেতনের দেশের শুরু না সংক্রান্তি–
তোমার হাত যে ধরেইছিলাম তাই পারি নি জানতে।
Related Articles
আবহমান ভগ্নী-ভ্রাতা
ডাইনে বাঁয়ে দুইদিকে দুই বাংলা আমার আপন স্বজন দুজন মাতা। ভালোবাসার সাঁকোর ওপর পা টলমল পা টলমল পা বাড়ালেই পদ্মা নদী হাত বাড়ালেই পদ্ম পাতা এবার পাবো। আজান-বাজান ভাটিয়ালীর কন্ঠনালীর ছন্দগাথা প্রবহমান নদীনালায় গুনতে যাবো। পাঁজর পোড়া গর্ত খোঁড়া হাটের মাঠের ঘরের ঘাটের সব দরজা জানলা খুলে খুঁজতে যাবো অগ্নিবরণ ভোরবেলাতে আমরা কজন আবহমান ভগ্নি-ভ্রাতা। […]
আমাদের ভালোবাসা
আপন আলোয় আমি নেমে আসি তোমার দক্ষিণে যেমন সূর্যাস্ত এসে ঘিরে নেয় মন্দির, বটতলা গ্রামান্তে মন্থর দিন নতজানু নদীর কিনারে এই প্রেম, আমাদের ভালোবাসা। যদি বলো ব্যক্তিগত, তবে তাই; এরই তো বীজের মধ্যে দশ দিক ঘুরে আসা নিজেরই ধরনে আমি তাপ রেখে সবার দুহাতে ‘ভালো আছো? বন্ধু, ভালো আছো?’ অনেকেই ভালো নেই, ফিরে চলে আসি […]
কান্না
প্রেম নেই তবু প্রেমের কান্না মরেনি তুমি নেই তবু তোমাকে পাওয়ার বাসনার সোনা ঝরেনি এই সর্পিল জীবনের পথে আলগোছে ছুঁয়ে যাওয়া তুমি যেন কোন চৈত্র রাতের দূর সমুদ্র হাওয়া! তুমি নেই তবু একটি বিপুল বিস্ময় আছে মনে- হঠাৎ কখনো পাখি ডেকে যায় বনে, হঠাৎ কখনো বাতার পাশে হেনার গন্ধ জাগে; হঠাৎ কখনো দুঃস্বহ অনুরাগে একটি […]

