মনে মনে বহুদূর চলে গেছি ৷
যেখান থেকে ফিরতে হলে আরো
একবার জন্মাতে হয় ৷
জন্মেই হাঁটতে হয়,
হাঁটতে-হাঁটতে, হাঁটতে-হাঁটতে
একসময় যেখান থেকে শুরু
করেছিলাম সেখানে পৌঁছুতে পারি ৷
পথ তো একটা নয় –
তবু, সবগুলোই ঘুরে ফিরে, ঘুরে ফিরে
শুরু আর শেষের কাছে বাঁধা
নদীর দু – প্রান্তের মূল
একপ্রান্তে জনপদ অন্যপ্রান্ত জনশূণ্য
দুদিকেই কূল, দুদিকেই এপার-ওপার,
আসা-যাওয়া, টানাপোরেন –
দুটো জন্মই লাগে ৷
মনে মনে দুটো জন্মই লাগে ৷
Related Articles
শাখাচ্যুত শহরের থানকুনি
গত দু’দিনে শহরের ধুলো, রিকশার বেল- রূপকথায় পরিণত হয়েছে । শত শত নাচুনে পাখি হুমড়ি খেয়ে ঢেউ খেলানো ফুলে এঁকেছে নতুন সমুদ্র, স্রেফ দু’দিনের জন্য পুরো শহুরে সড়ক পরিণত হয়েছে উদ্যম ছায়াপথে, স্টপেজে স্টপেজে নতুন মহাবিশ্ব । অসভ্যের মতো গড়ে ওঠা দালানগুলো স্যুটেড-বুটেড হয়ে সেজেছে ফুলবাবু , ফুটপাতের ডেনড্রাইট-খোর গুলোও নেশা ছেড়ে অক্সিজেনে […]
কাঁপুনি
শেষ হয়নি কি, আমাদের দেয়া-নেয়া? হাত তুলে আছে, পাড়ানি মেয়েটি বিদায়ের শেষ খেয়া, ডাকছে আমাকে হাঁকছে আমাকে আমিই শেষের লোক। শ্লোক শেষ হলো, অন্ত-মিলেরও শেষ। কাঁপছে নায়ের পাটাতন বুঝি ছেড়ে যেতে উৎসুক। আমি চলে গেলে এ পারে আঁধারে কেউ থাকবে না আর সব ভেসে গেছে এবার তবে কি ভাসাবো অন্ধকার? আলো-আঁধারির এই খেলা তবে আমাকে […]
প্রতীক্ষায়
গোলাপে রয়েছে আঁচ, পতঙ্গের ডানা পুড়ে যায় হাওয়া ঘোরে দূরে-দূরে ফুলকে সমীহ করে সূর্যাস্তও থমকে থাকে! দেখো-দেখো আমার বাগানে এক অগ্নিময় ফুল ফুটে আছে তার সৌরভেও কত তাপ! আর সব কুসুমের জীবন-চরিত তুচ্ছ করে সে ঘাড় ঘুরিয়ে দেখে চতুর্দিক বৈদুর্ষমণির মতো চোখ মেলে সে রয়েছে প্রতীক্ষায় কার? কার?

