মনে মনে বহুদূর চলে গেছি ৷
যেখান থেকে ফিরতে হলে আরো
একবার জন্মাতে হয় ৷
জন্মেই হাঁটতে হয়,
হাঁটতে-হাঁটতে, হাঁটতে-হাঁটতে
একসময় যেখান থেকে শুরু
করেছিলাম সেখানে পৌঁছুতে পারি ৷
পথ তো একটা নয় –
তবু, সবগুলোই ঘুরে ফিরে, ঘুরে ফিরে
শুরু আর শেষের কাছে বাঁধা
নদীর দু – প্রান্তের মূল
একপ্রান্তে জনপদ অন্যপ্রান্ত জনশূণ্য
দুদিকেই কূল, দুদিকেই এপার-ওপার,
আসা-যাওয়া, টানাপোরেন –
দুটো জন্মই লাগে ৷
মনে মনে দুটো জন্মই লাগে ৷
Related Articles
কীভাবে এলাম এই শহরে
কীভাবে এলাম এই শহরে, সে মস্ত ইতিহাস! হামাগুড়ি দিয়ে আর ট্রেনের পিছনে ট্রেন ধরে রেললাইনে হাতেপায়ে তালা ও শিকল বেঁধে শুয়ে ট্রেন এসে পড়ামাত্র চক্ষের নিমিষে ড্রাইভারের কেবিনের জানলা দিয়ে জনতার প্রতি হাত নেড়ে টুপির ভেতর থেকে পায়রা খরগোশ ধরে, ছেড়ে, মাথার এদিক দিয়ে রড ঢুকিয়ে ওদিকে বার করে সম্মোহন করে নিজ সহকারিণীকে বাক্সে ভরে […]
কটাক্ষ
গোধূলি ছেড়ে গেছে রাতের কক্ষপথ সাঁঝের আস্তিনে ঝিরিঝিরি স্মৃতির আনাগোনা- শীত এলো বলে, রাজনৈতিক রদবদল ! চাদরে মুখ ঢেকেছে জোড়া শরীরের কাম, ডায়রির পাতায় পাতায় সাজানো গোলাপের পাপড়ি, নিমিষেই রঙ হারায়, ছন্দহীন সড়কে । কাব্যিক জলসায় প্রতিদিন ভুলো প্রেম-হুলো প্রেমিকের দল, চারিত্রিক সার্টিফিকেটে তামাশার মেল রাষ্ট্র বাঁচায়; বিক্রিত ইতিহাস বিকৃত ।। – জিহান […]
কঙ্কাল ও শাদা বাড়ি
শাদা বাড়িটার সামনে আলো-ছায়া-আলো, একটি কঙ্কাল দাঁড়িয়ে এখন দুপুর রাত অলীক রাত্রির মতো, অররণা রয়েছে খুব ঘুমে- যে-রকম ঘুম শুধু কুমারীর, যে ঘুম স্পষ্টত খুব নীল; যে স্তনে লগৈনি দাঁত তার খুব মৃদু ওঠপড়া তলপেটে একটুও নেই ফাটা.দাগ, এ শরীর আজও ঋণী নয় এই সেই অরুণা ও রুনি নাম্মী পরা ও অপরা সুখ ও আসুখ […]

