বাদল-ধারা হল সারা, বাজে বিদায়-সুর।
গানের পালা শেষ ক’রে দে রে, যাবি অনেক দূর॥
ছাড়ল খেয়া ও পার হতে ভাদ্রদিনের ভরা স্রোতে রে,
দুলছে তরী নদীর পথে তরঙ্গবন্ধুর॥
কদমকেশর ঢেকেছে আজ বনতলের ধূলি,
মৌমাছিরা কেয়াবনের পথ গিয়েছে ভুলি।
অরণ্যে আজ স্তব্ধ হাওয়া, আকাশ আজি শিশির-ছাওয়া রে
আলোতে আজ স্মৃতির আভাস বৃষ্টির বিন্দুর॥
Related Articles
আমার পরান লয়ে
আমার পরান লয়ে কী খেলা খেলাবে ওগো পরানপ্রিয় কোথা হতে ভেসে কূলে লেগেছে চরণমূলে তুলে দেখিয়ো ॥ এ নহে গো তৃণদল, ভেসে আসা ফুলফল– এ যে ব্যথাভরা মন মনে রাখিয়ো ॥ কেন আসে কেন যায় কেহ না জানে। কে আসে কাহার পাশে কিসের টানে। রাখ যদি ভালোবেসে চিরপ্রাণ পাইবে সে, ফেলে যদি যাও তবে বাঁচিবে […]
দুজনে দেখা হল মধুযামিনী রে
দুজনে দেখা হল মধুযামিনী রে– কেন কথা কহিল না, চলিয়া গেল ধীরে॥ নিকুঞ্জে দখিনাবায় করিছে হায়-হায়, লতাপাতা দুলে দুলে ডাকিছে ফিরে ফিরে॥ দুজনের আঁখিবারি গোপনে গেল বয়ে, দুজনের প্রাণের কথা প্রাণেতে গেল রয়ে। আর তো হল না দেখা, জগতে দোঁহে একা– চিরদিন ছাড়াছাড়ি যমুনাতীরে॥
দে পড়ে দে আমায় তোরা কী কথা আজ লিখেছে সে।
দে পড়ে দে আমায় তোরা কী কথা আজ লিখেছে সে। তার দূরের বাণীর পরশমানিক লাগুক আমার প্রাণে এসে॥ শস্যখেতের গন্ধখানি একলা ঘরে দিক সে আনি, ক্লান্তগমন পান্থহাওয়া লাগুক আমার মুক্ত কেশে॥ নীল আকাশের সুরটি নিয়ে বাজাক আমার বিজন মনে, ধূসর পথের উদাস বরন মেলুক আমার বাতায়নে। সূর্য ডোবার রাঙা বেলায় ছড়াব প্রাণ রঙের খেলায়, আপন-মনে […]

