আমার নাইবা হল পারে যাওয়া।
যে হাওয়াতে চলত তরী অঙ্গেতে সেই লাগাই হাওয়া ॥
নেই যদি বা জমল পাড়ি ঘাট আছে তো বসতে পারি।
আমার আশার তরী ডুবল যদি দেখব তোদের তরী-বাওয়া ॥
হাতের কাছে কোলের কাছে যা আছে সেই অনেক আছে।
আমার সারা দিনের এই কি রে কাজ– ওপার-পানে কেঁদে চাওয়া।
কম কিছু মোর থাকে হেথা পুরিয়ে নেব প্রাণ দিয়ে তা।
আমার সেইখানেতেই কল্পলতা যেখানে মোর দাবি-দাওয়া ॥
Related Articles
আজি ঝড়ের রাতে তোমার অভিসার
আজি ঝড়ের রাতে তোমার অভিসার পরানসখা বন্ধু হে আমার॥ আকাশ কাঁদে হতাশ-সম, নাই যে ঘুম নয়নে মম– দুয়ার খুলি হে প্রিয়তম, চাই যে বারে বার॥ বাহিরে কিছু দেখিতে নাহি পাই, তোমার পথ কোথায় ভাবি তাই। সুদূর কোন্ নদীর পারে, গহন কোন্ বনের ধারে গভীর কোন্ অন্ধকারে হতেছ তুমি পার॥ রাগ: মল্লার তাল: ঝম্পক রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): […]
চিনিলে না আমারে কি
চিনিলে না আমারে কি। দীপহারা কোণে আমি ছিনু অন্যমনে, ফিরে গেলে কারেও না দেখি॥ দ্বারে এসে গেলে ভুলে পরশনে দ্বার যেত খুলে– মোর ভাগ্যতরী এটুকু বাধায় গেল ঠেকি॥ ঝড়ের রাতে ছিনু প্রহর গণি। হায়, শুনি নাই, শুনি নাই রথের ধ্বনি তব রথের ধ্বনি। গুরুগুরু গরজনে কাঁপি বক্ষ ধরিয়াছিনু চাপি, আকাশে বিদ্যুতবহ্নি অভিশাপ গেল লেখি॥ Chinile […]
হাসি কেন নাই ও নয়নে
হাসি কেন নাই ও নয়নে! ভ্রমিতেছ মলিন-আননে। দেখো, সখী, আঁখি তুলি ফুলগুলি ফুটেছে কাননে॥ তোমারে মলিন দেখি ফুলেরা কাঁদিছে সখী শুধাইছে বনলতা কত কথা আকুল বচনে॥ এসো সখী, এসো হেথা, একটি কহো গো কথা– বলো, সখী, কার লাগি পাইয়াছ মনোব্যথা। বলো, সখী, মন তোর আছে ভোর কাহার স্বপনে॥ রাগ: মিশ্র কাফি তাল: কাহারবা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1288 রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1881 hasi-kano-naye-o-naone

