আমার নাইবা হল পারে যাওয়া।
যে হাওয়াতে চলত তরী অঙ্গেতে সেই লাগাই হাওয়া ॥
নেই যদি বা জমল পাড়ি ঘাট আছে তো বসতে পারি।
আমার আশার তরী ডুবল যদি দেখব তোদের তরী-বাওয়া ॥
হাতের কাছে কোলের কাছে যা আছে সেই অনেক আছে।
আমার সারা দিনের এই কি রে কাজ– ওপার-পানে কেঁদে চাওয়া।
কম কিছু মোর থাকে হেথা পুরিয়ে নেব প্রাণ দিয়ে তা।
আমার সেইখানেতেই কল্পলতা যেখানে মোর দাবি-দাওয়া ॥
Related Articles
তুমি একটু কেবল বসতে দিয়ো কাছে
তুমি একটু কেবল বসতে দিয়ো কাছে আমায় শুধু ক্ষণেক তরে। আজি হাতে আমার যা কিছু কাজ আছে আমি সাঙ্গ করব পরে। না চাহিলে তোমার মুখপানে হৃদয় আমার বিরাম নাহি জানে, কাজের মাঝে ঘুরে বেড়াই যত ফিরি কূলহারা সাগরে॥ বসন্ত আজ উচ্ছ্বাসে নিশ্বাসে এল আমার বাতায়নে। অলস ভ্রমর গুঞ্জরিয়া আসে ফেরে কুঞ্জের প্রাঙ্গণে। আজকে শুধু একান্তে […]
আমার কণ্ঠ হতে গান কে নিল ভুলায়ে
আমার কণ্ঠ হতে গান কে নিল ভুলায়ে, সে যে বাসা বাঁধে নীরব মনের কুলায়ে॥ মেঘের দিনে শ্রাবণ মাসে যূথীবনের দীর্ঘশ্বাসে আমার-প্রাণে সে দেয় পাখার ছায়া বুলায়ে॥ যখন শরৎ কাঁপে শিউলিফুলের হরষে নয়ন ভরে যে সেই গোপন গানের পরশে। গভীর রাতে কী সুর লাগায় আধো-ঘুমে আধো-জাগায়, আমার স্বপন-মাঝে দেয় যে কী দোল দুলায়ে॥ রাগ: খাম্বাজ-বাউল তাল: […]
একদিন চিনে নেবে তারে
একদিন চিনে নেবে তারে, তারে চিনে নেবে অনাদরে যে রয়েছে কুন্ঠিতা ॥ সরে যাবে নবারুণ-আলোকে এই কালো অবগুন্ঠন– ঢেকে রবে না রবে না মায়াকুহেলীর মলিন আবরণ, তারে চিনে নেবে ॥ আজ গাঁথুক মালা সে গাঁথুক মালা, তার দু:খরজনীর অশ্রুমালা । কখন দুয়ারে অতিথি আসিবে, লবে তুলি মালাখানি ললাটে । আজি জ্বালুক প্রদীপ চির-অপরিচিতা পূর্ণ প্রকাশের […]

