| চক্ষে আমার তৃষ্ণা, ওগো তৃষ্ণা আমার বক্ষ জুড়ে।
আমি বৃষ্টিবিহীন বৈশাখী দিন, সন্তাপে প্রাণ যায় যে পুড়ে॥ ঝড় উঠেছে তপ্ত হাওয়ায়, মনকে সুদূর শূন্যে ধাওয়ায়– অবগুণ্ঠন যায় যে উড়ে॥ যে-ফুল কানন করত আলো কালো হয়ে সে শুকাল। ঝরনারে কে দিল বাধা– নিষ্ঠুর পাষাণে বাঁধা দুঃখের শিখরচূড়ে॥ |
রাগ: বৃন্দাবনী সারং-আড়ানা তাল: ঝাঁপতাল রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ভাদ্র, ১৩৪৪ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1938 স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর |
Related Articles
চরণ ধরিতে দিও গো আমারে
চরণ ধরিতে দিও গো আমারে, নিও না নিও না সরায়ে। জীবন- মরণ, সুখ-দুখ দিয়ে, বক্ষে ধরিবো জড়ায়ে। চরণ ধরিতে দিও গো আমারে।। স্খলিত-শিথিল কামনারও ভার, বহিয়া বহিয়া ফিরি কত আর? নিজ হাতে তুমি গেঁথে নিও হার, ফেলো না আমারে ছড়ায়ে। চরণ ধরিতে দিও গো আমারে।। চিরপিপাসিত বাসনা বেদনা, বাঁচাও তাহারে মারিয়া। শেষ হয় যেন, হয় […]
ভালোবাসি, ভালোবাসি
ভালোবাসি, ভালোবাসি– এই সুরে কাছে দূরে জলে স্থলে বাজায় বাঁশি॥ আকাশে কার বুকের মাঝে ব্যথা বাজে, দিগন্তে কার কালো আঁখি, আঁখির জলে যায় ভাসি॥ ভালোবাসি, ভালোবাসি– সেই সুরে সাগরকূলে বাঁধন খুলে অতল রোদন উঠে দুলে। সেই সুরে বাজে মনে অকারণে ভুলে-যাওয়া গানের বাণী, ভোলা দিনের কাঁদন-হাসি॥ ভালোবাসি, ভালোবাসি– ভালোবাসি, ভালোবাসি– এই সুরে কাছে দূরে জলে […]
অনেক ছিল বলার, যদি সেদিন ভালোবাস্তে
অনেক ছিল বলার, যদি সেদিন ভালোবাস্তে অনেক ছিল বলার, যদি সেদিন ভালোবাস্তে। পথ ছিল গো চলার, যদি দু’দিন আগে আস্তে। অনেক ছিল বলার, যদি সেদিন ভালোবাস্তে আজিকে মরন সাগর–স্রোতে, চলেছি দূর পারের পথে আলোর খেয়া হারায় যেথা, আলোর খেয়া হারায় যেথা, সেই আঁধারে ভাসতে অনেক ছিল বলার, যদি সেদিন ভালোবাস্তে। গহীন রাতে ডাকে আমায় এলে […]

