| চক্ষে আমার তৃষ্ণা, ওগো তৃষ্ণা আমার বক্ষ জুড়ে।
আমি বৃষ্টিবিহীন বৈশাখী দিন, সন্তাপে প্রাণ যায় যে পুড়ে॥ ঝড় উঠেছে তপ্ত হাওয়ায়, মনকে সুদূর শূন্যে ধাওয়ায়– অবগুণ্ঠন যায় যে উড়ে॥ যে-ফুল কানন করত আলো কালো হয়ে সে শুকাল। ঝরনারে কে দিল বাধা– নিষ্ঠুর পাষাণে বাঁধা দুঃখের শিখরচূড়ে॥ |
রাগ: বৃন্দাবনী সারং-আড়ানা তাল: ঝাঁপতাল রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ভাদ্র, ১৩৪৪ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1938 স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর |
Related Articles
দে তোরা আমায় নূতন ক’রে দে নূতন আভরণে
দে তোরা আমায় নূতন ক’রে দে নূতন আভরণে॥ হেমন্তের অভিসম্পাতে রিক্ত অকিঞ্চন কাননভূমি, বসন্তে হোক দৈন্যবিমোচন নব লাবণ্যধনে। শূন্য শাখা লজ্জা ভুলে যাক পল্লব-আবরণে॥ বাজুক প্রেমের মায়ামন্ত্রে পুলকিত প্রাণের বীণাযন্ত্রে চিরসুন্দরের অভিবন্দনা। আনন্দচঞ্চল নৃত্য অঙ্গে অঙ্গে বহে যাক হিল্লোলে হিল্লোলে, যৌবন পাক সম্মান বাঞ্ছিতসম্মিলনে॥ dey tora amay nuton kore (rabindra sangeet) by jayati chakroborty
বর্ষণ মন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি তোমারি এ দ্বারে
বর্ষণ মন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি তোমারি এ দ্বারে পথিকেরে লহো ডাকি তব মন্দিরের এক ধারে।। বনপথ হতে, সুন্দরী, এনেছি মল্লিকামঞ্জলী তুমি লবে নিজ বেণীবন্ধে মনে রেখেছি এ দুরাশারে।। কোনো কথা নাহি ব’লে ধীরে ধীরে ফিরে যাব চলে। ঝিল্লিঝঙ্কৃত নিশীথে পথে যেতে বাঁশরিতে শেষ গান পাঠাব তোমা-পানে শেষ উপহারে।। Borsonmondrito ondhokare wshechi tomai e dare
মধুর মধুর ধ্বনি বাজে
মধুর মধুর ধ্বনি বাজে হৃদয়কমলবনমাঝে॥ নিভৃতবাসিনী বীণাপাণি অমৃতমুরতিমতী বাণী হিরণকিরণ ছবিখানি– পরানের কোথা সে বিরাজে॥ মধুঋতু জাগে দিবানিশি পিককুহরিত দিশি দিশি। মানসমধুপ পদতলে মুরছি পড়িছে পরিমলে। এসো দেবী, এসো এ আলোকে, একবার তোরে হেরি চোখে– গোপনে থেকো না মনোলোকে ছায়াময় মায়াময় সাজে॥ Madhuro Madhuro dwani baje

