| চক্ষে আমার তৃষ্ণা, ওগো তৃষ্ণা আমার বক্ষ জুড়ে।
আমি বৃষ্টিবিহীন বৈশাখী দিন, সন্তাপে প্রাণ যায় যে পুড়ে॥ ঝড় উঠেছে তপ্ত হাওয়ায়, মনকে সুদূর শূন্যে ধাওয়ায়– অবগুণ্ঠন যায় যে উড়ে॥ যে-ফুল কানন করত আলো কালো হয়ে সে শুকাল। ঝরনারে কে দিল বাধা– নিষ্ঠুর পাষাণে বাঁধা দুঃখের শিখরচূড়ে॥ |
রাগ: বৃন্দাবনী সারং-আড়ানা তাল: ঝাঁপতাল রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ভাদ্র, ১৩৪৪ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1938 স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর |
Related Articles
ঐ কে আমায় ফিরে ডাকে
ঐ কে আমায় ফিরে ডাকে। ফিরে যে এসেছে তারে কে মনে রাখে। আমি চলে এনু বলে কার বাজে ব্যথা। কাহার মনের কথা মনেই থাকে। আমি শুধু বুঝি সখী, সরল ভাষা, সরল হৃদয় আর সরল ভালোবাসা। তোমাদের কত আছে, কত মন প্রাণ, আমার হৃদয় নিয়ে ফেলো না বিপাকে। OIi ke amay fire Dake
তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি
তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি ওই গো বাজে হৃদয়মাঝে ॥ তোমার ঘরে নিশি-ভোরে আগল যদি গেল সরে আমার ঘরে রইব তবে কিসের লাজে?। অনেক বলা বলেছি, সে মিথ্যা বলা। অনেক চলা চলেছি, সে মিথ্যা চলা। আজ যেন সব পথের শেষে তোমার দ্বারে দাঁড়াই এসে– tomar-duar-kholar-dhwani ভুলিয়ে যেন নেয় না মোরে আপন কাজে ॥
আজি এসেছি–আজি এসেছি,
আজি এসেছি–আজি এসেছি, এসেছি বঁধু হে, নিয়ে এই হাসি, রূপ, গান। আজি আমার যা কিছু আছে, এনেছি তোমার কাছে, তোমায় করিতে সব দান। আজি তোমার চরণতলে রাখি এ কুসুমহার, এ হার তোমার গলে দিই বঁধু উপহার, সুধার আধার ভরি, তোমার অধরে ধরি, কর বঁধু কর তায় পান; আজি হৃদয়ের সব আশা, সব সুখ, ভালোবাসা, তোমাতে […]

