| চক্ষে আমার তৃষ্ণা, ওগো তৃষ্ণা আমার বক্ষ জুড়ে।
আমি বৃষ্টিবিহীন বৈশাখী দিন, সন্তাপে প্রাণ যায় যে পুড়ে॥ ঝড় উঠেছে তপ্ত হাওয়ায়, মনকে সুদূর শূন্যে ধাওয়ায়– অবগুণ্ঠন যায় যে উড়ে॥ যে-ফুল কানন করত আলো কালো হয়ে সে শুকাল। ঝরনারে কে দিল বাধা– নিষ্ঠুর পাষাণে বাঁধা দুঃখের শিখরচূড়ে॥ |
রাগ: বৃন্দাবনী সারং-আড়ানা তাল: ঝাঁপতাল রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ভাদ্র, ১৩৪৪ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1938 স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর |
Related Articles
অচেনাকে ভয় কী আমার ওরে?
অচেনাকে ভয় কী আমার ওরে? অচেনাকেই চিনে চিনে উঠবে জীবন ভরে ॥ জানি জানি আমার চেনা কোনো কালেই ফুরাবে না, চিহ্নহারা পথে আমায় টানবে অচিন ডোরে ॥ ছিল আমার মা অচেনা, নিল আমায় কোলে। সকল প্রেমই অচেনা গো, তাই তো হৃদয় দোলে। অচেনা এই ভুবন মাঝে কত সুরেই হৃদয় বাজে– অচেনা এই জীবন আমার, বেড়ারাগ: […]
হা হতভাগিনী, একি অভ্যর্থনা মহতের
হা হতভাগিনী, একি অভ্যর্থনা মহতের, এল দেবতা তোর জগতের, গেল চলি, গেল তোরে গেল ছলি— অর্জুন! তুমি অর্জুন! বেলা যায় বহিয়া, দাও কহিয়া কোন্ বনে যাব শিকারে। কাজল মেঘে সজল বায়ে হরিণ ছুটে বেণুবনচ্ছায়ে॥ Ha hotobhagini kotha
সুন্দরি রাধে আওয়ে বনি।
সুন্দরি রাধে আওয়ে বনি। ব্রজরমণীগণ মুকুটমণি॥ কুঞ্চিতকেশিনি, নিরুপমবেশিনি, রস-আবেশিনি ভঙ্গিনি রে। অধরসুরঙ্গিনি, অঙ্গতরঙ্গিনি, সঙ্গিনি নব নব রঙ্গিনি রে॥ কুঞ্জরগামিনি, মোতিমদশনি, দামিনি-চমক-নেহারিনি রে। আভরণধারিন, নব-অভিসারিণি, শ্যামর হৃদয়বিহারিণি রে। নব অনুরাগিণি, অখিলসোহাগিনি, পঞ্চম রাগিণি মোহিনি রে। রাসবিলাসিনি, হাসবিকাশিনি, গোবিন্দদাস-চিত-শোহিনি রে॥

