| চক্ষে আমার তৃষ্ণা, ওগো তৃষ্ণা আমার বক্ষ জুড়ে।
আমি বৃষ্টিবিহীন বৈশাখী দিন, সন্তাপে প্রাণ যায় যে পুড়ে॥ ঝড় উঠেছে তপ্ত হাওয়ায়, মনকে সুদূর শূন্যে ধাওয়ায়– অবগুণ্ঠন যায় যে উড়ে॥ যে-ফুল কানন করত আলো কালো হয়ে সে শুকাল। ঝরনারে কে দিল বাধা– নিষ্ঠুর পাষাণে বাঁধা দুঃখের শিখরচূড়ে॥ |
রাগ: বৃন্দাবনী সারং-আড়ানা তাল: ঝাঁপতাল রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ভাদ্র, ১৩৪৪ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1938 স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর |
Related Articles
আমার নাইবা হল পারে যাওয়া
আমার নাইবা হল পারে যাওয়া। যে হাওয়াতে চলত তরী অঙ্গেতে সেই লাগাই হাওয়া ॥ নেই যদি বা জমল পাড়ি ঘাট আছে তো বসতে পারি। আমার আশার তরী ডুবল যদি দেখব তোদের তরী-বাওয়া ॥ হাতের কাছে কোলের কাছে যা আছে সেই অনেক আছে। আমার সারা দিনের এই কি রে কাজ– ওপার-পানে কেঁদে চাওয়া। কম কিছু মোর […]
বিশ্ববীণারবে বিশ্বজন মোহিছে
বিশ্ববীণারবে বিশ্বজন মোহিছে। স্থলে জলে নভতলে বনে উপবনে নদীনদে গিরিগুহা-পারাবারে নিত্য জাগে সরস সঙ্গীতমধুরিমা, নিত্য নৃত্যরসভঙ্গিমা। নব বসন্তে নব আনন্দ, উৎসব নব। অতি মঞ্জুল, অতি মঞ্জুল, শুনি মঞ্জুল গুঞ্জন কুঞ্জে শুনি রে শুনি মর্মর পল্লবপুঞ্জে, পিককূজন পুষ্পবনে বিজনে, মৃদু বায়ুহিলোলবিলোল বিভোল বিশাল সরোবর-মাঝে কলগীত সুললিত বাজে। শ্যামল কান্তার-‘পরে অনিল সঞ্চারে ধীরে রে, নদীতীরে শরবনে উঠে […]
একি গভীর বাণী এল
একি গভীর বাণী এল ঘন মেঘের আড়াল ধ’রে সকল আকাশ আকুল ক’রে॥ সেই বাণীর পরশ লাগে, নবীন প্রাণের বাণী জাগে, হঠাৎ দিকে দিগন্তরে ধরার হৃদয় ওঠে ভরে॥ সে কে বাঁশি বাজিয়েছিল কবে প্রথম সুরে তালে, প্রাণেরে ডাক দিয়েছিল সুদূর আঁধার আদিকালে। তার বাঁশির ধ্বনিখানি আজ আষাঢ় দিল আনি, সেই অগোচরের তরে আমার হৃদয় নিল হ’রে॥ […]

