হায় কে দিবে আর সান্ত্বনা।
সকলে গিয়েছে হে, তুমি যেয়ো না–
চাহো প্রসন্ন নয়নে, প্রভু, দীন অধীন জনে ॥
চারি দিকে চাই, হেরি না কাহারে।
কেন গেলে ফেলে একেলা আঁধারে–
হেরো হে শূন্য ভুবন মম ॥
হায় কে দিবে আর সান্ত্বনা।
সকলে গিয়েছে হে, তুমি যেয়ো না–
চাহো প্রসন্ন নয়নে, প্রভু, দীন অধীন জনে ॥
চারি দিকে চাই, হেরি না কাহারে।
কেন গেলে ফেলে একেলা আঁধারে–
হেরো হে শূন্য ভুবন মম ॥
সকালবেলায় আলোয় বাজে বিদায় ব্যথার ভৈরবী– আন্ বাঁশি তোর, আয় কবি॥ শিশিরশিহর শরতপ্রাতে শিউলিফুলের গন্ধসাথে গান রেখে যাস আকুল হাওয়ার, নাই যদি রোস নাই র’বি॥ এমন উষা আসবে আবার সোনায় রঙিন দিগন্তে, কুন্দের দুল সীমন্তে। কপোতকূজনকরুণ ছায়ায় শ্যামল কোমল মধুর মায়ায় তোমার গানের নূপুরমুখর জাগবে আবার এই ছবি॥ Sakal Belar Aloy Baje
সুখহীন নিশিদিন পরাধীন হয়ে ভ্রমিছ দীনপ্রাণে। সতত হায় ভাবনা শত শত, নিয়ত ভীত পীড়িত– শির নত কত অপমানে ॥ জানো না রে অধ-ঊর্ধ্বে বাহির-অন্তরে ঘেরি তোরে নিত্য বাজে সেই অভয়-আশ্রয়।… তোলো আনত শির, ত্যজো রে ভয়ভার, সতত সরলচিতে চাহো তাঁরি প্রেমমুখপানে ॥ রাগ: নট-মল্লার তাল: ত্রিতাল রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1306 রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1899 স্বরলিপিকার: ইন্দিরা দেবী […]
আমার রাত পোহালো শারদ প্রাতে। বাঁশি, তোমায় দিয়ে যাব কাহার হাতে। তোমার বুকে বাজল ধ্বনি বিদায়গাথা, আগমনী, কত যে– ফাল্গুনে শ্রাবণে, কত প্রভাতে রাতে॥ যে কথা রয় প্রাণের ভিতর অগোচরে গানে গানে নিয়েছিলে চুরি করে। সময় যে তার হল গত নিশিশেষের তারার মতো– শেষ করে দাও শিউলিফুলের মরণ-সাথে॥ Amar rath pohalo
