আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্যসুন্দর ॥
মহিমা তব উদ্ভাসিত মহাগগনমাঝে,
বিশ্বজগত মণিভূষণ বেষ্টিত চরণে ॥
গ্রহতারক চন্দ্রতপন ব্যাকুল দ্রুত বেগে
করিছে পান, করিছে স্নান, অক্ষয় কিরণে ॥
ধরণী’পরে ঝরে নির্ঝর, মোহন মধু শোভা
ফুলপল্লব-গীতবন্ধ-সুন্দর-বরনে ॥
বহে জীবন রজনীদিন চিরনূতনধারা,
করুণা তব অবিশ্রাম জনমে মরণে ॥
স্নেহ প্রেম দয়া ভক্তি কোমল করে প্রাণ,
কত সান্ত্বন করো বর্ষণ সন্তাপহরণে ॥
জগতে তব কী মহোৎসব, বন্দন করে বিশ্ব
শ্রীসম্পদ ভূমাস্পদ নির্ভয়শরণে ॥
Related Articles
তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা, তুমি আমার সাধের সাধনা,
তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা তুমি আমার নিভৃত সাধনা, মম বিজনগগনবিহারী। আমি আমার মনের মাধুরী মিশায়ে তোমারে করেছি রচনা– তুমি আমারি, তুমি আমারি, মম বিজনজীবনবিহারী॥ মম হৃদয়রক্তরাগে তব চরণ দিয়েছি রাঙিয়া, মম সন্ধ্যাগগনবিহারী। তব অধর এঁকেছি সুধাবিষে মিশে মম সুখদুখ ভাঙিয়া– তুমি আমারি, তুমি আমারি, মম বিজনস্বপনবিহারী॥ মম মোহের স্বপনলেখা তব নয়নে দিয়েছি পরায়ে। মম মুগ্ধনয়নবিহারী। মম […]
ফিরবে না তা জানি, তা জানি–
ফিরবে না তা জানি, তা জানি– আহা, তবু তোমার পথ চেয়ে জ্বলুক প্রদীপখানি॥ গাঁথবে না মালা জানি মনে, আহা, তবু ধরুক মুকুল আমার বকুলবনে প্রাণে ওই পরশের পিয়াস আনি॥ কোথায় তুমি পথভোলা, তবু থাক্-না আমার দুয়ার খোলা। রাত্রি আমার গীতহীনা, আহা, তবু বাঁধুক সুরে বাঁধুক তোমার বীণা– তারে ঘিরে ফিরুক কাঙাল বাণী॥ রাগ: ভৈরব-কীর্তন তাল: ষষ্ঠী রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): পৌষ, ১৩২৯ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1923 […]
অকারণে অকালে মোর পড়ল যখন ডাক
অকারণে অকালে মোর পড়ল যখন ডাক তখন আমি ছিলেম শয়ন পাতি। বিশ্ব তখন তারার আলোয় দাঁড়ায়ে নির্বাক, ধরায় তখন তিমিরগহন রাতি। ঘরের লোকে কেঁদে কইল মোরে, “আঁধারে পথ চিনবে কেমন ক’রে?’ আমি কইনু, “চলব আমি নিজের আলো ধরে, হাতে আমার এই-যে আছে বাতি।’ বাতি যতই উচ্চ শিখায় জ্বলে আপন তেজে চোখে ততই লাগে আলোর বাধা, […]

