আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্যসুন্দর ॥
মহিমা তব উদ্ভাসিত মহাগগনমাঝে,
বিশ্বজগত মণিভূষণ বেষ্টিত চরণে ॥
গ্রহতারক চন্দ্রতপন ব্যাকুল দ্রুত বেগে
করিছে পান, করিছে স্নান, অক্ষয় কিরণে ॥
ধরণী’পরে ঝরে নির্ঝর, মোহন মধু শোভা
ফুলপল্লব-গীতবন্ধ-সুন্দর-বরনে ॥
বহে জীবন রজনীদিন চিরনূতনধারা,
করুণা তব অবিশ্রাম জনমে মরণে ॥
স্নেহ প্রেম দয়া ভক্তি কোমল করে প্রাণ,
কত সান্ত্বন করো বর্ষণ সন্তাপহরণে ॥
জগতে তব কী মহোৎসব, বন্দন করে বিশ্ব
শ্রীসম্পদ ভূমাস্পদ নির্ভয়শরণে ॥
Related Articles
অন্তরে জাগিছ অন্তরযামী।
অন্তরে জাগিছ অন্তরযামী। তবু সদা দূরে ভ্রমিতেছি আমি ॥ সংসার সুখ করেছি বরণ, তবু তুমি মম জীবনস্বামী ॥ না জানিয়া পথ ভ্রমিতেছি পথে আপন গরবে অসীম জগতে। তবু স্নেহনেত্র জাগে ধ্রুবতারা, তব শুভ আশিস আসিছে নামি ॥ রাগ: বেহাগ তাল: ঝাঁপতাল রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৩০০রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ১৮৯৪ স্বরলিপিকার: কাঙ্গালীচরণ সেন
সুখহীন নিশিদিন পরাধীন হয়ে ভ্রমিছ দীনপ্রাণে।
সুখহীন নিশিদিন পরাধীন হয়ে ভ্রমিছ দীনপ্রাণে। সতত হায় ভাবনা শত শত, নিয়ত ভীত পীড়িত– শির নত কত অপমানে ॥ জানো না রে অধ-ঊর্ধ্বে বাহির-অন্তরে ঘেরি তোরে নিত্য বাজে সেই অভয়-আশ্রয়।… তোলো আনত শির, ত্যজো রে ভয়ভার, সতত সরলচিতে চাহো তাঁরি প্রেমমুখপানে ॥ রাগ: নট-মল্লার তাল: ত্রিতাল রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1306 রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1899 স্বরলিপিকার: ইন্দিরা দেবী […]
পথে চলে যেতে যেতে কোথা কোন্খানে
পথে চলে যেতে যেতে কোথা কোন্খানে তোমার পরশ আসে কখন কে জানে ॥ কী অচেনা কুসুমের গন্ধে, কী গোপন আপন আনন্দে, কোন্ পথিকের কোন্ গানে ॥ সহসা দারুণ দুখতাপে সকল ভুবন যবে কাঁপে, সকল পথের ঘোচে চিহ্ন সকল বাঁধন যবে ছিন্ন মৃত্যু-আঘাত লাগে প্রাণে– তোমার পরশ আসে কখন কে জানে ॥

