তোমার হাতে ছুঁচ-সুতোটি
আমার হাতে ফুল
দেখতে পেয়েই আকাশ জুড়ে হিংসা হুলুস্থুল।
তোমার হাতে রঙের বাটি
আমার হাতে তুলি
দেখতে পেয়েই শুকনো মড়া চোখে জ্বালায় চুলি।
তোমার হাতে ধান-দুর্বো
আমার হাতে শাঁখ
দেখতে পেয়েই আকাশ চিরে শকুন পাড়ে হাঁক।
তোমার হাতে জলের ঘাট
আমার ঠোঁটে জল
দেখতে পেয়েই দৈববাণী: এ কি অমঙ্গল!
Related Articles
কথোপকথন-২৯
-দুরে চলে যাও। তবু ছায়া। আঁকা থাকে মেঘে।যেন ওড়ে বাতাসের সাদা বারান্দায় বালুচরী বহু বর্ণময় । গান শেষ তবু তখনো তার প্রতিধ্বনিরা দশ দিকে। যেন শুধু তুমি তোমারই সব মুরররতিতে ঠাসা মিউজিয়াম ট্রামলাইনের,ছাইগাদার গর্তে গভীর কলকাতায়। কী করে এমন পারো তুমি নন্দিনী? -সহজ ম্যাজিক।শিকবে কি? রুমালটা দাও,ঘন গিঁটে চোখ দুটো বাঁধি।তারপরে যাদুকাঠিটাকে ছুঁইয়ে দি, কাছে […]
বাঙালির নববর্ষ
আজকের এ প্রভাত ঘোষণা করেছে যে সূর্য, দুই বাহু প্রসারিত করে আমরা সবাই আজ আলিঙ্গন করব তাকে। আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ব তার বুকে, আমরা তাকে জড়িয়ে ধরব ছোট্ট শিশুরা যেভাবে জড়িয়ে ধরে তার মাকে। আজ পহেলা বৈশাখ। আজ বাঙালির জন্মদিন।… ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো।’ বাংলার আকাশে-বাতাসে আজ শুধু তাপস-নিশ্বাস। আজকের এই পোয়াতি আকাশ প্রসব করেছে […]
ধৃতরাষ্ট্র-বিলাপ
জন্মান্ধ বললে ভুল হবে৷ ইদানীং আমার চোখ ক্রমশ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে বাতাস কি মুখরিত, আর্তনাদে? সঞ্জয়, যুদ্ধের গতি কোন দিকে? পাণ্ডবরা কী রচনা করেছে বূ্হ্য? অর্জুণ কী এখনো কুরুক্ষেত্রে? কোন্ মন্ত্রবলে প্রতিপক্ষ দুর্জয়, সঞ্জয়? বলো, তবে কী শূন্য হাতে কেবলি বিলাপ, আমার? গর্ভগৃহে পালিয়ে জীবন? না-কি অন্ধতাই জীবন, করুণাঘন মৃত্যু?


