মনটা ভীষণ উড়ূ উড়ূ, আমি যেন
উড়ো পাতা,
ঝাউবনের কান্না শুনি বুকের মধ্যে
সারা দুপুর_
উড়তে উড়তে কোথায় যাবো, ঠিকানা ঠিক
কোথায় পাবো
নাকি শেষে হারিয়ে যাবো,
এই আমি উড়ো পাতা, উড়ো পাতা!
মনটা ভীষণ উড়ূ উড়ূ টেবিলে বই, লেখার
কাগজ,
ঝড় বয়ে যায় মনের ভেতর; সব
উড়ে যায়
আমিও যাই।
মনটা ভীষণ উড়ূ উড়ূ শালবনে
কার ছায়া দেখি_
লোকাল ট্রেনে যাচ্ছি কোথায়!
আমার এখন মনে পড়ে তোমার চোখে
বৃষ্টিনামা;
তবু উড়ূ উড়ূ এই দুপুরে মধুপুরে হয় না নামা।
Related Articles
নিরাশ্রয় পাচঁটি আঙুল
৩১. নিরাশ্রয় পাচঁটি আঙুল নিরাশ্রয় পাচঁটি আঙুল তুমি নির্দ্বিধায় অলংকার করে নাও, এ আঙুল ছলনা জানে না। একবার তোমার নোলক, দুল, হাতে চুড়ি কটিদেশে বিছা করে অলংকৃত হতে দিলে বুঝবে হেলেন, এ আঙুল সহজে বাজে না। একদিন একটি বেহালা নিজেকে বাজাবে বলে আমার আঙুলে এসে দেখেছিলো তার বিষাদের চেয়ে বিশাল বিস্তৃতি, আমি তাকে চলে যেতে […]
নিশির ডাক
নিশির ডাক শুনে মাঝরাত্তিরে যারা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল, এখন আবার খুব শান্ত আর খুব সুন্দর এই সকালবেলায় একে-একে সেই ছেলেগুলো যে যার ঘরে ফিরে আসছে। ওদের ছেঁড়া জামাকাপড়, ওদের রক্তাক্ত হাত-পা, আর সেইসঙ্গে ওদের ভাষাহীন চাউনি দেখেই বোঝা যায় যে, যা পাবে বলে ওরা রাস্তায় গিয়ে নেমেছিল, তা ওরা পায়নি। মাথা নিচু করে ওরা […]
শরীর দিয়েছ শুধু, বর্মখানি ভুলে গেছ দিতে
‘ও যখন প্রতিরাত্রে মুখে নিয়ে এক লক্ষ ক্ষত আমার ঘরের দরজা খোলা পেয়ে ফিরে আসে ঘরে দাঁড়ায় দুয়ারপ্রান্তে সমস্ত বিশ্বের স্তব্ধতায় শরীর বাঁকিয়ে ধরে দিগন্তের থেকে শীর্ষাকাশ আর মুখে জ্বলে থাকে লক্ষ লক্ষ তারার দাহন অবলম্বহীন ঐ গরিমার থেকে ঝুঁকে পড়ে মনে হয় এই বুঝি ধর্মাধর্মজ্ঞানহেন দেহ মুহূর্তে মূর্ছিত হল আমার পায়ের তীর্থতলে- শূন্য থেকে […]

