মনটা ভীষণ উড়ূ উড়ূ, আমি যেন
উড়ো পাতা,
ঝাউবনের কান্না শুনি বুকের মধ্যে
সারা দুপুর_
উড়তে উড়তে কোথায় যাবো, ঠিকানা ঠিক
কোথায় পাবো
নাকি শেষে হারিয়ে যাবো,
এই আমি উড়ো পাতা, উড়ো পাতা!
মনটা ভীষণ উড়ূ উড়ূ টেবিলে বই, লেখার
কাগজ,
ঝড় বয়ে যায় মনের ভেতর; সব
উড়ে যায়
আমিও যাই।
মনটা ভীষণ উড়ূ উড়ূ শালবনে
কার ছায়া দেখি_
লোকাল ট্রেনে যাচ্ছি কোথায়!
আমার এখন মনে পড়ে তোমার চোখে
বৃষ্টিনামা;
তবু উড়ূ উড়ূ এই দুপুরে মধুপুরে হয় না নামা।
Related Articles
দেখা হবে
ভ্রূ-পল্লবে ডাক দিলে, দেখা হবে চন্দনের বনে- সগন্ধের সঙ্গে পাবো, দ্বিপ্রহরে বিজন ছায়ায় আহা, কি শীতল স্পর্শ হৃদয়-ললাটে, আহা, চন্দন চন্দন দৃষ্টিতে কি শান্তি দিলে, চন্দন, চন্দন আমি বসে থাকবো দীর্ঘ নিরালায় প্রথম যৌবনে আমি অনেক ঘুরেছি অন্ধ, শিমূলে জরুলে লক্ষ লক্ষ মহাদ্রুম, শিরা-উপশিরা নিয়ে জীবনের কত বিজ্ঞাপন তবুও জীবন জ্বলে, সমস্ত অরণ্য-দেশ জ্বলে ওঠে […]
রাশিয়ার চিঠি-৫
বর্লিন মস্কৌ থেকে তোমাকে একটা বড়ো চিঠিতে রাশিয়া সম্বন্ধে আমার ধারণা লিখেছিলুম। সে চিঠি যদি পাও তো রাশিয়া সম্বন্ধে কিছু খবর পাবে। এখানে চাষীদের সর্বাঙ্গীণ উন্নতির জন্য কতটা কাজ করা হচ্ছে তারই বিবরণ কিছু দিয়েছি। আমাদের দেশে যে শ্রেণীর লোক মূক মূঢ়, জীবনের সকল সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে যাদের মন অন্তর-বাহিরের দৈন্যের তলায় চাপা পড়ে […]
পহেলা বৈশাখ
মেঘের ডাকের সঙ্গে কাল আমারও সামান্য ডাক মিশে গিয়েছিল ভুলে! ভুল আমি সারা জীবন করেছি অনেক—ভুলে ভুলে ভরে আছে এত্তটুকু ছোট্ট লগবুক! তারও পরে অবিরাম ভুল করে যেতে ইচ্ছে করে! ভুল মানুষের কাছে হাত পেতে খেতে যাই চড় ও চাপড়—অথচ আশ্চর্য, পাই ধুলোমুঠি সোনা! যা চাওয়া উচিত নয় যার কাছে পেয়ে যাই অযাচিত মূল্যবান খনিজ […]

