এই মূঢ় মানুষেরা জানে না কিছুই, জানে না কখন তারা
কাকে ভালোবাসে, কাকে করে প্রত্যাখ্যান,
না বুঝেই কাকে বা পরায় মালা,
কাকে ছুঁড়ে ফেলে।
এই মূঢ় মানুষেরা বোঝেনা কিছুই,
মূর্তি ভাঙে, উন্মত্ত উল্লাসে মাতে
এমনকি ফেলে না চোখের জল
যার জন্য প্রকৃতই হাজার বছর কাঁদবার কথা;
বিশ শতক শেষের এই পৃথিবীকে আজ
বড়ো অবিম্বাসী বলে বোধ হয়,
মানুসের কোনো মহৎ কীর্তি আর ত্যাগের স্বাক্ষর
ধারণ করে না এই কুটিল সময়-
আজ সে কেবল শূন্যতাকে গাঢ় আলিঙ্গন করে,
পৃথিবীর এই আদিম আঁধারে বুঝি যায়, সবই অস্ত যায়।
Related Articles
এই বৈশাখ
অনিকেত শব্দরা ঘোরে মুখে মুখে এক কান থেকে আর এক কানে; ঝাপটায় ডানা পরিযায়ী হংসযূথ পড়ে মুখ থুবড়ে ফাঁদে আটকে; অভিভাবকহীন শব্দের মঞ্জুরি ঝরে টুপটাপ রাত-দিন সারাবেলা, নির্জন অরণ্যে বাজে কুঠারের শব্দ নিঃসঙ্গ আকাশে যায় উঠে যায় চৈত্রের হাওয়া পাতারা ওড়ে ঘরময় আনাচে-কানাচে কাননে আলো ছায়ায় নকশা ভাঙে সাদা কাগজে, আত্মতুষ্ট কালো অক্ষরের চাতক হা-মুখে […]
কাফফার বিমর্ষ পৃথিবী
একদিন ভোরবেলা যদি সন্ধ্যা হয় কিংবা মধ্যরাতে ওঠে হঠাৎ ভোরের সূর্য এই পুরনো মলিন চাঁদ তরল সোনার মতো গলে গলে পড়ে, জলাশয়ে পাখিরা সাঁতার কাটে জলের রুপালি মাছ সহসা হাঁটতে থাকে এই ফুটপাতে, তাহলে কি এই দৃশ্যগুলো খুবই উদ্ভট বেখাপ্পা মনে হবে? একেবারে অবিশ্বাস্য মনে হবে এই ভোর হঠাৎ এমন সন্ধ্যা হয়ে গেলে- মধ্যরাত হয়ে […]
আত্মা
প্রতিটি ট্রেনের সঙ্গে আমার চতুর্থভাগ আত্মা ছুটে যায় প্রতিটি আত্মার সঙ্গে আমার নিজেস্ব ট্রেন অসময় নিয়ে খেলা করে। আলোর দোকানে আমি হাজার হাজার বাতি সজিয়ে রেখেছি নষ্ট-আলো সঞ্জীবনী শিক্ষা করে আমার চঞ্চল অহমিকা। জাদুঘরে অসংখ্য ঘড়িতে আমি অসংখ্য সময় লিখে রাখি নারীর ঊরুর কাছে আমার পিঁপড়ে দূত ঘোরে ফেরে আমারই ইঙ্গিতে তারা চুম্বনের আগে কেঁপে […]

