এই মূঢ় মানুষেরা জানে না কিছুই, জানে না কখন তারা
কাকে ভালোবাসে, কাকে করে প্রত্যাখ্যান,
না বুঝেই কাকে বা পরায় মালা,
কাকে ছুঁড়ে ফেলে।
এই মূঢ় মানুষেরা বোঝেনা কিছুই,
মূর্তি ভাঙে, উন্মত্ত উল্লাসে মাতে
এমনকি ফেলে না চোখের জল
যার জন্য প্রকৃতই হাজার বছর কাঁদবার কথা;
বিশ শতক শেষের এই পৃথিবীকে আজ
বড়ো অবিম্বাসী বলে বোধ হয়,
মানুসের কোনো মহৎ কীর্তি আর ত্যাগের স্বাক্ষর
ধারণ করে না এই কুটিল সময়-
আজ সে কেবল শূন্যতাকে গাঢ় আলিঙ্গন করে,
পৃথিবীর এই আদিম আঁধারে বুঝি যায়, সবই অস্ত যায়।
Related Articles
আমি সম্ভবত খুব ছোট কিছুর জন্য
আমি সম্ভবত খুব ছোট্ট কিছুর জন্য মারা যাবো ছোট ঘাসফুলের জন্যে একটি টলোমলো শিশিরবিন্দুর জন্যে আমি হয়তো মারা যাবো চৈত্রের বাতাসে উড়ে যাওয়া একটি পাঁপড়ির জন্যে একফোঁটা বৃষ্টির জন্যে আমি সম্ভবত খুব ছোট্ট কিছুর জন্যে মারা যাবো দোয়েলের শিসের জন্যে শিশুর গালের একটি টোলের জন্যে আমি হয়তো মারা যাবো কারো চোখের মণিতে গেঁথে থাকা একবিন্দু […]
আমরা আবহমান ধ্বংস ও নির্মানে
আপনার মশায় দিন রাত কি এমন কাজ বলুন তো বাল্মিকী মুনি হয়ে যাচ্ছেন নাকি আধ মিনিটের দেখা দিতে আধ মাস আপনি কি ডানা আঁকছেন শিকড়ের পিটে নাকি ডানার পিটেই সেলাই করছেন শিকড় কি জানি বাবা যা কেরামতি আপনাদের ,সব ভেলকিই তো হাতের মুটোই সব কবিরাই যাদুকর সত্যি কে মিথ্যের লাল নীল রুমাল কিংবা মিথ্যেকে সত্যির […]
তুমি
তুমি অপরুপ, তুমি সৃষ্টির যথেষ্ট পূজা পেয়েছো জীবনে? তুমি শুভ্র, বন্দনীয়, নারীর ভিতরে নারী, আপাতত, একমাত্র তুমি বাথরুম থেকে এলে সিক্ত পায়ে, চরণকমলযুগ চুম্বনে মোছার যোগ্য ছিল- তিন মাইল দুরে আমি ওষ্ঠ খুলে আছি, পূজার ফুলের মতো ওষ্ঠাধর আমি পুরোহিত, দেখো, আমার চামর, বাহু স্বতোৎসার শ্লোক হৃদয় অহিন্দু, মুখ সোমেটিক, প্রেমে ভিন্ন কোপটিক খৃষ্টান আশৈশব […]

