শৈশবের কথা। সদ্যপ্রসূত কালো ছাগলির গা থেকে
রক্ত-ক্বাথ পুঁছে দিতে-দিতে বলেছিল কুলসুম আপা,
‘এ ভাবেই প্রাণ আসে পৃথিবীতে ; আমরাও এসেছি
একইভাবে’। হাঁস-মুর্গির ঘরে নিয়ে গিয়ে আপা
আমার বাঁ-হাতখানা নিজের তপ্ত তুরুপে চেপে
বলেছিল, ‘মানুষ জন্মায় এই সিন্দুকের ডালা খুলে’।
রাবণের দশ জোড়া চোখে আমি ও-সিন্দুক
আতঙ্কিত রুদ্ধশ্বাসে দ্রুত খুলে বন্ধ করে দিই ।
Related Articles
চার অন্ধ
শান্তিনগরের মোড়ে এসে চার অন্ধ গায়ে গায়ে ঘেঁষে দাঁড়িয়েছে। ওদের শরীর দেখে শরীরের রূপ, ওদের হৃদয় পড়ে হৃদয়ের ভাষা। সামনে পেছনে আর জলে-স্থলে আকাশে বাতাসে ওরা ছড়িয়েছে স্নায়ুর গহিনে ডালপালা; ওদের দেখার ভঙ্গি সর্ববস্তুনাশা; সূর্য আর নক্ষত্রের আলো নয়, ওদের দেহে ও মনে ক্ষিপ্রতর আলো বিচ্ছুরিত হতে হতে সাত আসমান পার হয়ে আরো দূরে যায়; […]
অসমাপ্ত কবিতা
মাননীয় সভাপতি ….। সভাপতি কে? কে সভাপতি? ক্ষমা করবেন সভাপতি সাহেব, আপনাকে আমি সভাপতি মানি না। তবে কি রবীন্দ্রনাথ? সুভাষচন্দ্র বসু? হিটলার? মাও সে তুং? না, কেউ না, আমি কাউকে মানি না, আমি নিজে সভাপতি এই মহতী সভার। মাউথপিস আমার হাতে এখন, আমি যা বলবো আপনারা তাই শুনবেন। উপস্থিত সুধীবৃন্দ, আমার সংগ্রামী বোনেরা, (একজন অবশ্য […]
যে-তুমি নক্ষত্র আমার
তাহলে দরোজারই সমুক্ষে সেই দরোজা তোমার দরোজা ! কত সড়কেই না আমি সন্ধান করেছি এমন একটি দরোজা যেখানে আলো পড়লেই সবুজ! কিন্তু বিবর্ণ এই সময়! মাছের পেটের ভেতরে প্রত্যাদিষ্ট একজন কতকাল অপেক্ষায় আছে বেরোবার। তার শ্বাস-প্রশ্বাসÑসে তো আমারই। অগণন নক্ষত্র ছিল আকাশে, তার ভেতরে তুমি একটি। একটি বেদনা-বৃক্ষের সবুজ লেবু ফলিয়ে চলেছে বিষণœতার বিপরীতে। দাঁড়াও, […]
