তোমাদের হাত থেকে টাকা নিই,
বোধ নিই, বিবেক-খচিত এক পিকদানি নিই।
গলা শিরদাঁড়া তাতে ধরে রাখি।
আর শোনো, বিষণ্ণতা ছুঁয়ে থাকি রোজ।
শুধু, যে কদিন জ্বর হয়, মাধুকরী অসমাপ্ত থাকে,
পেটের ভিতরে কেউ কথা বলে।
প্রাথমিক কষ্টটুকু সহ্য হয়ে গেলে ভেদবুদ্ধি মাথা চাড়া দেয়।
বোঝা যায়, আরো বহুদিন তোমাদের উপদংশে চুমু খেতে হবে।
রাত ১২.৫৫ মিনিট
১/৪/৮৫
Related Articles
যে কোন একদিন
[কবি অনীক মাহমুদ প্রিয়জনেষু] মাঝে মাঝে আমার খুব ইচ্ছে করে আপনাদের কাছে গিয়ে গল্প করতে৷ শুনেছি আপনারা খুবই নিরীহ এবং সুবিধেমতো জল থেকে উঠে আসেন ডাঙ্গায়, গ্রীষ্মকালে ডুবে থাকেন গভীর জলে_কেন যে থাকেন, আমি শুধু সেই রহস্যটুকু জানার জন্যেই আপনাদের সাথে গল্প করতে যাবো যে কোন একদিন৷ বোকা কুমির এবং চতুর শিয়ালের নিকট থেকে শুনেছি, […]
এসো দুখজাগানিয়া
রাত্রির গভীরে সুড়ঙ্গ কেটে খুঁজি তোমাকে। খরস্রোতা সময় নদীর উচ্ছ্বাসে ভেসে যাও তুমি; তোমার নখ, চুলের ডগা, নোনা ঠোঁট উড়ে যায়, ভেসে যায় দাম্ভিক মেঘের সাথে। কিনারায় পাথরের টুলে বসে আমি মরু পর্বতের মতো শুষ্ক শীতল। রাত্রি যত নিকষ হয় জ্যোৎস্না মাহুতের কুশ নেমে আসে বুকে। এখন তোমাকে খুব দরকার। একটু নেমে আসবে বৃষ্টি ব্যান্ডেজ […]
এ কেমন ভ্রান্তি আমার
এ কেমন ভ্রান্তি আমার ! এলে মনে হয় দূরে স’রে আছো, বহুদূরে, দূরত্বের পরিধি ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে আকাশ। এলে মনে হয় অন্যরকম জল হাওয়া, প্রকৃতি, অন্য ভূগোল, বিষুবরেখারা সব অন্য অর্থবহ- তুমি এলে মনে হয় আকাশে জলের ঘ্রান। হাত রাখলেই মনে হয় স্পর্শহীন করতল রেখেছো চুলে, স্নেহ- পলাতক দারুন রুক্ষ আঙুল। তাকালেই মনে হয় বিপরীত […]

