তোমাদের হাত থেকে টাকা নিই,
বোধ নিই, বিবেক-খচিত এক পিকদানি নিই।
গলা শিরদাঁড়া তাতে ধরে রাখি।
আর শোনো, বিষণ্ণতা ছুঁয়ে থাকি রোজ।
শুধু, যে কদিন জ্বর হয়, মাধুকরী অসমাপ্ত থাকে,
পেটের ভিতরে কেউ কথা বলে।
প্রাথমিক কষ্টটুকু সহ্য হয়ে গেলে ভেদবুদ্ধি মাথা চাড়া দেয়।
বোঝা যায়, আরো বহুদিন তোমাদের উপদংশে চুমু খেতে হবে।
রাত ১২.৫৫ মিনিট
১/৪/৮৫
Related Articles
হঠাৎ নীরার জন্য
বাস স্টপে দেখা হলো তিন মিনিট, অথচ তোমায় কাল স্বপ্নে বহুক্ষণ দেখেছি ছুরির মতো বিঁধে থাকতে সিন্ধুপারে–দিকচিহ্নহীন– বাহান্ন তীর্থের মতো এক শরীর, হাওয়ার ভিতরে তোমাকে দেখছি কাল স্বপ্নে, নীরা, ওষধি স্বপ্নের নীল দুঃসময়ে। দক্ষিণ সমুদ্রদ্বারে গিয়েছিলে কবে, কার সঙ্গে? তুমি আজই কি ফিরেছো? স্বপ্নের সমুদ্র সে কী ভয়ংকর, ঢেউহীন, শব্দহীন, যেন তিনদিন পরেই আত্মঘাতী হবে, […]
মৃত্যুকে
অনুবাদ : মলয় রায়চৌধুরী জানি তুমি আসবেই। তাহলে এ প্রতীক্ষা কেন ? তোমার জন্য আমি পথ চেয়ে, ফুরিয়ে গিয়েছে সব কাজ। আমার আলো তো কবে নিভে গেছে । দরজা রেখেছি খুলে তোমার নামের এক সরল বিস্ময় আসবে সে আশায়। অতএব যে আদল নিতে চাও নাও : ছুঁড়ে মারো তোমার বিষাক্ত বোমা আমার বাসা লক্ষ করে […]
তুমি যদি আমায় ছেড়ে যাও
তুমি যদি আমায় ছেরে যাও যদি ফোঁটার আগেই ছিঁড়ে ক্ষত-বিক্ষত করো পুস্প মিছিল অথবা আমার সিক্ত ভালোবাসা; জেনে নিও তবু আজন্ম প্রতীক্ষা শেষ হবে না- তোমার চারপাশ শুধুই সুগন্ধি ছড়িয়ে যাবো । যদি আজ চলে যাও যদি পিছু ফিরে না তাকাও, অধিকার কেড়ে নিতে পারবে না হুতোম পেঁচার মত তোমার আঁধার পাহারা দেবো ।। […]

