তোমাদের হাত থেকে টাকা নিই,
বোধ নিই, বিবেক-খচিত এক পিকদানি নিই।
গলা শিরদাঁড়া তাতে ধরে রাখি।
আর শোনো, বিষণ্ণতা ছুঁয়ে থাকি রোজ।
শুধু, যে কদিন জ্বর হয়, মাধুকরী অসমাপ্ত থাকে,
পেটের ভিতরে কেউ কথা বলে।
প্রাথমিক কষ্টটুকু সহ্য হয়ে গেলে ভেদবুদ্ধি মাথা চাড়া দেয়।
বোঝা যায়, আরো বহুদিন তোমাদের উপদংশে চুমু খেতে হবে।
রাত ১২.৫৫ মিনিট
১/৪/৮৫
Related Articles
কেন্দ্র তুমি, বৃত্ত আমার
আকাশকে ভালোবেসে কেটেছে জীবন। আকাশের রঙ নীল তাই তো তোমার নাম রেখেছি নীলা! তোমার আবাস এ বুকে তাই কি আমার নাম দিয়েছ নিলয়? বিশাল আকাশ যেমন অসীম মমতায় ঘিরে থাকে পৃথিবীকে, তেমনি জড়িয়ে রাখতে চেয়েছি তোমাকে গভীর ভালোবাসায়। অগ্নিকুন্ড সূর্যকে ধারন করেছে আকাশ শুধু পৃথিবীকে উষ্ণ রাখতে, তেমনি অক্লেশে সয়েছি যন্ত্রনা যত শুধু তোমাকে ভালোবাসার […]
একটি মোরগের কাহিনী
একটি মোরগ হঠাত্ আশ্রয় পেয়ে গেল বিরাট প্রাসাদের ছোট্ট এক কোণে, ভাঙা প্যাকিং বাক্সের গাদায়— আরো দু’তিনটি মুরগীর সঙ্গে। আশ্রয় যদিও মিলল, উপযুক্ত আহার মিলল না। সুতীক্ষ্ণ চিত্কারে প্রতিবাদ জানিয়ে গলা ফাটাল সেই মোরগ ভোর থেকে সন্ধে পর্যন্ত— তবুও সহানুভূতি জানাল না সেই বিরাট শক্ত ইমারত। তারপর শুরু হল তার আঁস্তাকুড়ে আনাগোনা: আশ্চর্য! সেখানে প্রতিদিন […]
পশম-উৎসবের আমন্ত্রণলিপি
পশমে ভরে যাচ্ছে চারপাশ, হাওয়ায়-হাওয়ায় বাজছে পশমের রণদামামা, পশম তুমি কোথায়? পশমের নামে ঝ’রে যাচ্ছে অজস্র বাদামপাতা শান-বাঁধা পথের ওপর টুপটাপ শব্দের মঞ্জুরি। শীতার্ত এই রাতে পশম তুমি আমাকে তোমার নাগালে রেখো; ওই তো দূরে কোথাও শুনতে পাচ্ছি ক্রমাগত একনাগাড়ে ডেকে চলেছে হাঁসেরা_ বাবুদের বাগানের ঝিলে, আমি বাইরে বেরুতে পারছি না কতোদিন_ আমাকে তুমি নিয়ে […]

