তোমাদের হাত থেকে টাকা নিই,
বোধ নিই, বিবেক-খচিত এক পিকদানি নিই।
গলা শিরদাঁড়া তাতে ধরে রাখি।
আর শোনো, বিষণ্ণতা ছুঁয়ে থাকি রোজ।
শুধু, যে কদিন জ্বর হয়, মাধুকরী অসমাপ্ত থাকে,
পেটের ভিতরে কেউ কথা বলে।
প্রাথমিক কষ্টটুকু সহ্য হয়ে গেলে ভেদবুদ্ধি মাথা চাড়া দেয়।
বোঝা যায়, আরো বহুদিন তোমাদের উপদংশে চুমু খেতে হবে।
রাত ১২.৫৫ মিনিট
১/৪/৮৫
Related Articles
যখন তোমার ফুলবাগানে
কালকে তোমার ডাল ভেঙেছি, ফুল ছিঁড়েছি। অপরাধের হাওয়ায় ছিল ত্বরিৎগতি সেই কাঁপুনি ঝাউ পাতাতে, ক্ষয়ক্ষতি যার গায়ের ধুলো এমন মাদল, যার ডাকে বন আপনি দোলে পাহাড় ঠেলে পরাণ-সখা বন্ধু আসে আলিঙ্গনে সমস্ত রাত পায়ে পরায় সর্বস্বান্ত নাচের নেশা। দস্যু যেমন হাতড়ে খোঁজে বাউটি বালা কেউর কাঁকন, জলে যেমন সাপের ছোবল আলগা মাটির আঁচল টানে দ্বিধাকাতর […]
বাবুরাম সাপুড়ে
বাবুরাম সাপুড়ে, কোথা যাস্ বাপুরে? আয় বাবা দেখে যা, দুটো সাপ রেখে যা— যে সাপের চোখ্ নেই, শিং নেই, নোখ্ নেই, ছোটে না কি হাঁটে না, কাউকে যে কাটে না, করে নাকো ফোঁস্ ফাঁস্, মারে নাকো ঢুঁশ্ঢাঁশ, নেই কোনো উৎপাত, খায় শুধু দুধ ভাত, সেই সাপ জ্যান্ত গোটা দুই আন্ত! তেড়ে মেরে ডাণ্ডা ক’রে দিই […]
ভ্রমণকাহিনী
আমি সব ভিসা অফিসের অনলাইন তোমার জন্য খোলা রেখেছি তুমি পৃথিবীর যে-কোনো শহরে ঘুরে বেড়াতে পার; আমি বহুদিন ভিসার জন্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ক্লান্ত তুমি যাও আমি চুপচাপ বসে থাকি। কোথায় ঘুরবো আমি, শহরগুলো সব ডিশলাইনের বিজ্ঞাপন পৃথিবীর বেশিরভাগ নদী এখন ঘুমের দেশের মতো পাহাড়গুলো এতো নির্জন যে সেদিকে বেশিক্ষণ তাকানো যায় না; হয়তো শিশুর মতো […]

