তোমাদের হাত থেকে টাকা নিই,
বোধ নিই, বিবেক-খচিত এক পিকদানি নিই।
গলা শিরদাঁড়া তাতে ধরে রাখি।
আর শোনো, বিষণ্ণতা ছুঁয়ে থাকি রোজ।
শুধু, যে কদিন জ্বর হয়, মাধুকরী অসমাপ্ত থাকে,
পেটের ভিতরে কেউ কথা বলে।
প্রাথমিক কষ্টটুকু সহ্য হয়ে গেলে ভেদবুদ্ধি মাথা চাড়া দেয়।
বোঝা যায়, আরো বহুদিন তোমাদের উপদংশে চুমু খেতে হবে।
রাত ১২.৫৫ মিনিট
১/৪/৮৫
Related Articles
আণবিক সুড়সুড়ি
বোলতা, ভিমরুল এবং মৌমাছিদের সঙ্গে কাঠপিঁপড়ে, ডেয়োপিঁপড়ে এবং লালপিঁপড়েদের সন্ধিচুক্তি যেদিন স্বাক্ষরিত হল, কেউ মাথা ঘামায় নি। শুধু কালোপিঁপড়েরা বলেছিল, “আমাদের কিছুই বলার নেই। আমরা কাউকে কামড়াই না শুধু সুড়সুড়ি দিই।’
বন্ধু তুমি অকম্পিত হাতে
ডাকতে হয় না, নিজেই সে আসে, টোকা দেয় মনে, স্মৃতি যার নাম। কখনো কখনো মুখোমুখি বসে, পা দোলায় শিস দেয় দোয়েলের মতো কখনোবা চোখের পানির মতো কী অপ্রতিরোধ্য এসে পড়ে সবকিছু এলোমেলো করে, এমনকি পীড়নের ভয়কে তফাৎ যাও বলে। মনে পড়ে, সেলিম তোমার কথা মাঝে মাঝে খুব মনে পড়ে। সে কবে প্রথম দেখা হয়েছিল আমাদের? […]
দেখা হবে
ভ্রূ-পল্লবে ডাক দিলে, দেখা হবে চন্দনের বনে- সগন্ধের সঙ্গে পাবো, দ্বিপ্রহরে বিজন ছায়ায় আহা, কি শীতল স্পর্শ হৃদয়-ললাটে, আহা, চন্দন চন্দন দৃষ্টিতে কি শান্তি দিলে, চন্দন, চন্দন আমি বসে থাকবো দীর্ঘ নিরালায় প্রথম যৌবনে আমি অনেক ঘুরেছি অন্ধ, শিমূলে জরুলে লক্ষ লক্ষ মহাদ্রুম, শিরা-উপশিরা নিয়ে জীবনের কত বিজ্ঞাপন তবুও জীবন জ্বলে, সমস্ত অরণ্য-দেশ জ্বলে ওঠে […]

