কিন্তু ব্যাপারটা হচ্ছে, তুমি আমার সামনে দাড়ালেই আমি
তোমার ভিতরে একটা বুনো ঝোপ দেখতে পাই।
ওই ঝোপে একটা মৃতদেহ ঢাকা দেওয়া আছে।
অনেকদিন ধ’রে আছে। কিন্তু আশ্চর্য যে
এই মৃতদেহ জল, বাতাস, রৌদ্র ও সকলপ্রকার
কীট-বীজাণুকে প্রতিরোধ করতে পারে। এর পচন নেই।
বন্য প্রাণীরাও এর কাছে ঘেঁষে না।
রাতে আলো বেরোয় এর গা থেকে।
আমি জানি, মৃতদেহটা আমার।
কিন্তু ব্যাপারটা হচ্ছে, এই জারিজুরি এবার ফাঁস হওয়া প্রয়োজন।
আর তা হবেও, যেদিন চার পায়ে গুঁড়ি মেরে গিয়ে
পা কামড়ে ধ’রে, ওটাকে, ঝোপ থেকে
টেনে বার করব আমি।
Related Articles
ভয় পেয়োনা
ভয় পেয়ো না, ভয় পেয়ো না, তোমায় আমি মারব না— সত্যি বলছি কুস্তি ক’রে তোমার সঙ্গে পারব না। মনটা আমার বড্ড নরম, হাড়ে আমার রাগটি নেই, তোমায় আমি চিবিয়ে খাব এমন আমার সাধ্যি নেই! মাথায় আমার শিং দেখে ভাই ভয় পেয়েছ কতই না— জানো না মোর মাথার ব্যারাম, কাউকে আমি গুঁতোই না? এস এস গর্তে […]
রাখাল
আমি কোনো পোষা পাখি নাকি? যেমন শেখাবে বুলি সেভাবেই ঠোঁট নেড়ে যাবো, অথবা প্রত্যহ মনোরঞ্জনের গান ব্যাকুল আগ্রহে গেয়ে অনুগত ভঙ্গিমায় অনুকূলে খেলাবো আকাশ, আমি কোনো সে রকম পোষা পাখি নাকি? আমার তেমন কিছু বাণিজ্যিক ঋণ নেই, কিংবা সজ্ঞানে এ বাগানে নির্মোহ ভ্রমণে কোনোদিন ভণিতা করিনি। নির্লোভ প্রার্থনা শর্ত সাপেক্ষে কারো পক্ষপাত কখনো চাবো না। […]
ডাকবাংলোতে
ফুটে উঠলো একটি দুটি টগর কন্ঠে মুক্তো- মালা মরি মরি তোমরা আজ সকালবেলার প্রসণ্নতা এক মুহূর্তে শিশির ভেজা আলো নর্মছলে তোমরা অন্সীরী। ‘কী সুন্দর ঐ টগর ফুল দুটো- খোঁপায় গুঁজবো আমি!’ প্রাক-যুবতী বারান্দার প্রান্তে এসে আঁখি তুললো- সদ্য ভোর, বিরল হওয়া, ঠান্ডা রোদ সাংকেতিক পাখির ডাক, উপত্যকায় নির্জনতা আমি বেতের ইজিচেয়ারে অলস। ফুলের থেকে চোখ […]

