কিন্তু ব্যাপারটা হচ্ছে, তুমি আমার সামনে দাড়ালেই আমি
তোমার ভিতরে একটা বুনো ঝোপ দেখতে পাই।
ওই ঝোপে একটা মৃতদেহ ঢাকা দেওয়া আছে।
অনেকদিন ধ’রে আছে। কিন্তু আশ্চর্য যে
এই মৃতদেহ জল, বাতাস, রৌদ্র ও সকলপ্রকার
কীট-বীজাণুকে প্রতিরোধ করতে পারে। এর পচন নেই।
বন্য প্রাণীরাও এর কাছে ঘেঁষে না।
রাতে আলো বেরোয় এর গা থেকে।
আমি জানি, মৃতদেহটা আমার।
কিন্তু ব্যাপারটা হচ্ছে, এই জারিজুরি এবার ফাঁস হওয়া প্রয়োজন।
আর তা হবেও, যেদিন চার পায়ে গুঁড়ি মেরে গিয়ে
পা কামড়ে ধ’রে, ওটাকে, ঝোপ থেকে
টেনে বার করব আমি।
Related Articles
আমার কৈফিয়ৎ
বর্তমানের কবি আমি ভাই, ভবিষ্যতের নই ‘নবী’, কবি ও অকবি যাহা বলো মোরে মুখ বুঁজে তাই সই সবি! কেহ বলে, ‘তুমি ভবিষ্যতে যে ঠাঁই পাবে কবি ভবীর সাথে হে! যেমন বেরোয় রবির হাতে সে চিরকেলে-বাণী কই কবি?’ দুষিছে সবাই, আমি তবু গাই শুধু প্রভাতের ভৈরবী! কবি-বন্ধুরা হতাশ হইয়া মোর লেখা প’ড়ে শ্বাস ফেলে! বলে, কেজো […]
জলহাওয়ার লেখা
স্নেহসবুজ দিন তোমার কাছে ঋণ বৃষ্টিভেজা ভোর মুখ দেখেছি তোর মুখের পাশে আলো ও মেয়ে তুই ভালো আলোর পাশে আকাশ আমার দিকে তাকা– তাকাই যদি চোখ একটি দীঘি হোক যে-দীঘি জ্যোৎস্নায় হরিণ হয়ে যায় হরিণদের কথা জানুক নীরবতা– নীরব কোথায় থাকে জলের বাঁকে বাঁকে জলের দোষ? — নাতো! হাওয়ায় হাত পাতো! হাওয়ার খেলা? সেকি! মাটির […]
অল্পকথা
অশান্ত এ মনে শ্রাবণের ধারার মাঝে অসীম অন্ধকারে কত যে সুর বাজে অল্পকথা অল্পগান রইলো আজ লেখা হৃদয়ে এঁকে যাই আজ হৃদয়েরই রূপরেখা ।। আঁখির আকাশে যখনই হয় কল্পনার প্রবেশ আলোকিত করে তুলে সৃষ্টিরূপের দেশ আঁধার ভেঙে উল্লাসে নাচে কবিতার শব্দরাশি সুরের ঐক্যতানে বেজে উঠে মনে প্রেমের বাঁশি ।। প্রজাপতির ডানায় আলতো ছুঁয়ে যায় আমায় […]

