এসো, সময়ে-অসময়ে যখন তখন এসে পড়ো।
এসো, বলো, মা কেন বাড়ি নেই আজ। এসো, সাবধান
করো আমায়,
বলো, এক্ষুনি বেরোলেই কেন বৃষ্টির মুখে পড়ব।
যদিও তোমার আমি কেউ নই,
যদিও তোমার বিবাহদিন স্থির হয়ে গেছে,
যদিও তোমার ব্যর্থ প্রেমিক হবার যোগ্যতাও
আমার কখনো ছিলো না, তবু বরাবরের মতো
পরের বাড়ি যাওয়ার আগে নিজের পাড়ার জন্যে,
সই-সখীদের জন্যে, কিংবা ফিরিয়ে দেওয়া
ছেলেটির জন্যে মন খারাপ করলে, আমার এই জড়ো করা
হাতে
দু-ফোঁটা চোখের জল ফেলে দ্যাখো হালকা লাগে কি না।
আমি বলছি, আজকের দিনে এতে কেউ কিছু মনে করবে
না!
Related Articles
কবির মৃত্যু : লোরকা স্মরণে
দু’জন খসখসে সবুজ উর্দিপরা সিপাহী কবিকে নিয়ে গেল টানতে টানতে কবি প্রশ্ন করলেন : আমার হাতে শিকল বেঁধেছ কেন? সিপাহী দু’জন উত্তর দিল না; সিপাহী দু’জনেরই জিভ কাটা। অস্পষ্ট গোধুলি আলোয় তাদের পায়ে ভারী বুটের শব্দ তাদের মুখে কঠোর বিষণ্নতা তাদের চোখে বিজ্ঞাপনের আলোর লাল আভা। মেটে রঙের রাস্তা চলে গেছে পুকুরের পাড় দিয়ে ফ্লোরেসেন্ট […]
তুমি বরং কুকুর পোষো
তুমি বরং কুকুর পোষো, প্রভুভক্ত খুনসুটিতে কাটবে তোমার নিবিড় সময়, তোর জন্য বিড়ালই ঠিক, বরং তুমি বিড়ালই পোষো খাঁটি জিনিস চিনতে তোমার ভুল হয়ে যায় খুঁজে এবার পেয়েছ ঠিক দিক ঠিকানা লক্ষী সোনা, এখন তুমি বিড়াল এবং কুকুর পোষো শুকরগুলো তোমার সাথে খাপ খেয়ে যায়, কাদা ঘাটায় দক্ষতা বেশ সমান সমান। ঘাটাঘাটির ঘনঘটায় তোমাকে খুব […]
ধন্যবাদ মেঘমালা
কোন নক্ষত্র ভেজা রাতে, তোমার কাজল রাঙ্গা চোখ বেয়ে যেন আরো আধাঁর নামে। হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে যায় চেনা ঝি ঝির ডাকে, আধ-খোলা জানাল দিয়ে আসা জ্যোৎস্নার কয়েকবিন্দু আলোয়, আর কাঁচের চুড়ির রুনুঝুনু শব্দে। তুমি অর্ধ জাগ্রত, কিছুটা অপ্রস্তুত শাড়ি বাঁ পাশে সরে যাওয়া টিপ আর বুকের ভাঁজে তিল। হঠাৎ বৃষ্টি নামে, তোমার বৃষ্টির জলে ভেজা […]

