এসো, সময়ে-অসময়ে যখন তখন এসে পড়ো।
এসো, বলো, মা কেন বাড়ি নেই আজ। এসো, সাবধান
করো আমায়,
বলো, এক্ষুনি বেরোলেই কেন বৃষ্টির মুখে পড়ব।
যদিও তোমার আমি কেউ নই,
যদিও তোমার বিবাহদিন স্থির হয়ে গেছে,
যদিও তোমার ব্যর্থ প্রেমিক হবার যোগ্যতাও
আমার কখনো ছিলো না, তবু বরাবরের মতো
পরের বাড়ি যাওয়ার আগে নিজের পাড়ার জন্যে,
সই-সখীদের জন্যে, কিংবা ফিরিয়ে দেওয়া
ছেলেটির জন্যে মন খারাপ করলে, আমার এই জড়ো করা
হাতে
দু-ফোঁটা চোখের জল ফেলে দ্যাখো হালকা লাগে কি না।
আমি বলছি, আজকের দিনে এতে কেউ কিছু মনে করবে
না!
Related Articles
বৈশাখের সূর্যমুখী
চৈত্রের গভীর রাতে স্বপ্নের রোদ্দুরে সূর্যমুখী! স্বপ্নঘোরে যাই যত দূরে আমারই সেদিকে ফিরে থাকে। চড়াই-উতরাই বাঁকে প্রতি পা ফেলায়— সে আমার দিকেই তাকায়। কবিতার শব্দধ্বনি দ্বিগুণ হলুদ হয়ে ওঠে তো তখনি, ঝরে পড়ে পাপড়িতে তার— স্বপ্ন সাধ উল্লাস বিষাদ সবকিছু নিয়ে এই নদী এই মাঠ এই আকাশ পেরিয়ে সৃজনের সূর্যমুখী সামান্য এ জীবন আমার।
সেলাই করা ঘুমগুলো আমার
সারাটা জীবন এটা-ওটা সেলাই করে অনুযোগহীন কাটিয়ে দিলাম, চলাপথে যা কিছু পেয়েছি তুচ্ছ, ক্ষুদ্র সে সঞ্চয় সেলাই করে জীবিকা নির্বাহ করেছি; একটাই জীবন আমার গরিবের কাঁথার মতোই দামি, ছেঁড়াখোঁড়া, শতচ্ছিন্ন কাঁথার মতো এই যে জীবন আমার সেলাই করে মোটামুটি ঠিকঠাক রাখি, এদ্দিন এ নিয়ে কোনো সমস্যাই হয়নি আমার, হয়তো-বা কারু চোখে বিসদৃশও মনে হয়নি… বাকি […]
বুকের মধ্যে বাহান্নটা আলমারি
বুকের মধ্যে বাহান্নটা মেহগনি কাঠের আলমারি। আমার যা কিছু প্রিয় জিনিস, সব সেইখানে। সেই সব হাসি, যা আকাশময় সোনালী ডানার ওড়াউড়ি সেই সব চোখ, যার নীল জলে কেবল ডুবে মরবার ঢেউ সেই সব স্পর্শ, যা সুইচ টিপলে আলোর জ্বলে ওঠার মতো সব ঐ আলমারির ভিতরে। যে সব মেঘ গভীর রাতের দিকে যেতে যেতে ঝরে পড়েছে […]

