এসো, সময়ে-অসময়ে যখন তখন এসে পড়ো।
এসো, বলো, মা কেন বাড়ি নেই আজ। এসো, সাবধান
করো আমায়,
বলো, এক্ষুনি বেরোলেই কেন বৃষ্টির মুখে পড়ব।
যদিও তোমার আমি কেউ নই,
যদিও তোমার বিবাহদিন স্থির হয়ে গেছে,
যদিও তোমার ব্যর্থ প্রেমিক হবার যোগ্যতাও
আমার কখনো ছিলো না, তবু বরাবরের মতো
পরের বাড়ি যাওয়ার আগে নিজের পাড়ার জন্যে,
সই-সখীদের জন্যে, কিংবা ফিরিয়ে দেওয়া
ছেলেটির জন্যে মন খারাপ করলে, আমার এই জড়ো করা
হাতে
দু-ফোঁটা চোখের জল ফেলে দ্যাখো হালকা লাগে কি না।
আমি বলছি, আজকের দিনে এতে কেউ কিছু মনে করবে
না!
Related Articles
মানে আছে
আচমকা স্রোতের পাশে হেলে পড়া কম বৃক্ষটি এরও কোনো মানে আছে। নির্জন মাঠের পোড়োবাড়ি- হা হা করে ভাঙা পাল্লা এরও কোনো মানে আছে? ঠিক স্বপ্ন নয়- মাঝে মাঝে চৈতন্যের প্রদোষে সন্ধ্যায় শিরশিরে অনুভূতি কি যেন ছিল বা আছে অথবা যা দেখা যায় না দুরস্ত পশুর মতো ছুটে আসে বিমূঢ়তা জানলার পর্দাটা দোলে, থেমে যায়, দুলে […]
প্রত্যাবর্তনের লজ্জা
শেষ ট্রেন ধরবো বলে এক রকম ছুটতে ছুটতে স্টেশনে পৌঁছে দেখি নীলবর্ণ আলোর সংকেত। হতাশার মতোন হঠাৎ দারুণ হুইসেল দিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিয়েছে। যাদের সাথে শহরে যাবার কথা ছিল তাদের উৎকণ্ঠিত মুখ জানালায় উবুড় হয়ে আমাকে দেখছে। হাত নেড়ে সান্ত্বনা দিচ্ছে। আসার সময় আব্বা তাড়া দিয়েছিলেন, গোছাতে গোছাতেই তোর সময় বয়ে যাবে, তুই আবার গাড়ি […]
শুধু এই কবিতার খাতা
এই কবিতার খাতা ছাড়া আর কার কাছে এমন অঝোরে অশ্রুপাত করা যায় কার কাছে প্রাণখুলে লেখা যায় চিঠি, বলা যায় সব দুঃখ, পাপ, অধঃপতনের কথা আর কার বুকে আঁকা যায় রবীন্দ্রনাথের মতো অসংলগ্ন, বিপর্যস্ত ছবি! একমাত্র কবিতার খাতা ছাড়া কোথায় লুকানো যায় মুখ আর কোন নীলিমায় এমন স্বচ্ছন্দ ওড়া যায় কোন স্বচ্ছতোয়া নদীজলে ধোয়া যায় […]

