এসো, সময়ে-অসময়ে যখন তখন এসে পড়ো।
এসো, বলো, মা কেন বাড়ি নেই আজ। এসো, সাবধান
করো আমায়,
বলো, এক্ষুনি বেরোলেই কেন বৃষ্টির মুখে পড়ব।
যদিও তোমার আমি কেউ নই,
যদিও তোমার বিবাহদিন স্থির হয়ে গেছে,
যদিও তোমার ব্যর্থ প্রেমিক হবার যোগ্যতাও
আমার কখনো ছিলো না, তবু বরাবরের মতো
পরের বাড়ি যাওয়ার আগে নিজের পাড়ার জন্যে,
সই-সখীদের জন্যে, কিংবা ফিরিয়ে দেওয়া
ছেলেটির জন্যে মন খারাপ করলে, আমার এই জড়ো করা
হাতে
দু-ফোঁটা চোখের জল ফেলে দ্যাখো হালকা লাগে কি না।
আমি বলছি, আজকের দিনে এতে কেউ কিছু মনে করবে
না!
Related Articles
স্মৃতিময় শারদীয় হাওয়া
সে কী বিস্ময়! কী যে বিস্ময়! কী করে ভুলি! আকাশের নীল ঘন শাদা মেঘ, কবেকার গ্রামপথে ডুলি! নাইওরে যাচ্ছে বউ! একদিন চুল তার— দেখি নাই কারও চুল দীর্ঘ এতটা— বিস্ময় সে কী! আর চুলে নক্ষত্রের ফোঁটা— কত লক্ষ! এক লক্ষ! দাবানল লাগা বনের সেই অগ্নিকণা— ভুলব না! কিশোরের ঘুড়ি হাতে উড্ডীন উন্মাদনা! এখনো কী বিস্ময়ে […]
হেমন্ত, ১৪২০
গণতন্ত্র ও সন্ত্রাস একই বালিশে শুয়ে আছে কার্তিকের হিমে পাকা ধানের সুবাসে, নবান্নের উৎসবে… হুড়মুড় শৈশবের স্মৃতি স্মৃতিরাশির উৎপাত… বিষণ্নতা দুশ্চিন্তা আরেক বালিশে কেবল ঝিমোয় তন্দ্রায় কাতর। পরীক্ষার প্রস্তুতির শেষে মৃতের শরীরে কে মাখে আতর? দগ্ধদেহ জিয়ে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে যায় যারা আত্মীয়-স্বজন ছাড়া সাংবাদিক আছেন মার্কামারা শোকার্ত ক্যাডার। এই হেমন্তে বাস্তবতা যতো কাছে ঢের […]
কথা ছিলো সুবিনয়
কথা ছিলো রক্ত-প্লাবনের পর মুক্ত হবে শস্যক্ষেত, রাখালেরা পুনর্বার বাশিঁতে আঙুল রেখে রাখালিয়া বাজাবে বিশদ। কথা ছিলো বৃক্ষের সমাজে কেউ কাঠের বিপনি খুলে বোসবে না, চিত্রর তরুন হরিনেরা সহসাই হয়ে উঠবে না রপ্তানিযোগ্য চামড়ার প্যাকেট। কথা ছিলো , শিশু হবে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম সম্পদের নাম। নদীর চুলের রেখা ধরে হেঁটে হেঁটে যাবে এক মগ্ন ভগীরথ, কথা […]

