অল্পকথা ডট কম

স্বর্নালী দিনের স্পর্শ

সাথে থাকুন

Download

গান শুনতে এখানে ক্লিক »করুন !

Member Login

Lost your password?

Not a member yet? Sign Up!



ইমদাদুল হক মিলন

লেখকঃ ইমদাদুল হক মিলন

লেখক সম্পর্কেঃ ইমদাদুল হক মিলন (জন্ম সেপ্টেম্বর ৮, ১৯৫৫) বাংলাদেশের একজন কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার। তিনি গল্প, উপন্যাস এবং নাটক এই তিন শাখাতেই জনপ্রিয় রচনা উপহার দিয়েছেন। কিশোর বাংলা নামীয় পত্রিকায় শিশুতোষ গল্প লিখে তার সাহিত্যজগতে আত্মপ্রকাশ। ১৯৭৭ খৃস্টাব্দে সাপ্তাহিক বিচিত্রা পত্রিকায় '‍সজনী‌'‍ নামীয় একটি ছোট গল্প লিখে পাঠকের দৃষ্টি আর্কষণ করতে শুরু করেন। জন্ম ও শিক্ষাজীবনঃ কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন ১৯৫৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বিক্রমপুরের মেদিনীমণ্ডল গ্রামে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুরের লৌহজং থানার পয়সা গ্রামে। তাঁর বাবার নাম গিয়াসুদ্দিন খান এবং মার নাম আনোয়ারা বেগম। তিনি ১৯৭২ সালে পুরনো ঢাকার গেন্ডারিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭৪ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি ১৯৭৯ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকেই স্নাতক (সম্মান) সম্পূর্ণ করেন। কর্মজীবনঃ ইমদাদুল হক মিলন লেখক হিসেবে এপার-ওপার দুই বাংলায়ই তুমুল জনপ্রিয়। দুই বাংলায়ই তার 'নূরজাহান' উপন্যাসটি ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে তিনি দৈনিক কালের কন্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে কর্মরত আছেন। সাহিত্যকৃতিঃ তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় ২ শত। অধিবাস, পরাধীনতা, কালাকাল, বাঁকাজল, নিরন্নের কাল, পরবাস, কালোঘোড়া, মাটি ও মানুষের উপাখ্যান, পর, কেমন আছ, সবুজপাতা, জীবনপুর প্রভৃতি তার বিখ্যাত বই। নাটকঃ তার লেখা দেড়শতাধিক নাটকের মধ্যে কোন কাননের ফুল, বারো রকম মানুষ, রূপনগর, যুবরাজ, কোথায় সেজন, আলতা, একজনা, নীলু, তোমাকেই, ছোছা কদম, আঁচল, খুঁজে বেড়াই তারে, কোন গ্রামের মেয়ে, মেয়েটি এখন কোথায় যাবে, বিপুল দর্শকপ্রিয়তা পায়। পুরস্কার ও স্বীকৃতিঃ ১৯৮৬: বিশ্ব জ্যোতিষ সমিতি পুরস্কার। ১৯৮৭: ইকো সাহিত্য পুরস্কার। ১৯৯২: হুমায়ুন কাদির সাহিত্য পুরস্কার। ১৯৯২ : বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার। ১৯৯৩: পূরবী পদক। ১৯৯৪: বিজয় পদক। ১৯৯৫: মনু থিয়েটার পদক। ১৯৯৫: যায়যায়দিন পত্রিকা পুরস্কার। ১৯৯৬: ঢাকা যুব ফাউণ্ডেশন পদক। ২০০২: বাচসাস পুরস্কার। ২০০৪ : জিয়া শিশু একাডেমী কমল পদক। এস এম সুলতান পদক জাপান রাইটার্স অ্যাওয়ার্ড মাদার তেরেসা পদক এছাড়াও, কথাসাহিত্যে অনবদ্য অবদান রাখায় 'চিত্তরঞ্জন দাশ স্বর্ণপদক' লাভ করেন।এছাড়া ২০০৬ সালে জাপান ফাউন্ডেশন আয়োজিত 'তাকেশি কায়েকো মেমোরিয়াল এশিয়ান রাইটারস লেকচার সিরিজে' বাংলাভাষার একমাত্র লেখক হিসেবে তিনি অংশগ্রহণ করেছিলেন। জাপানের চারটি ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে তিনি বাংলাদেশের সাহিত্য এবং তার নিজের লেখা নিয়ে বক্তৃতা করেন। এশিয়ার লেখকদের জন্য এ এক বিরল সম্মান। পেয়েছেন ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার আইআইপিএম-সুরমা চৌধুরী মেমোরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড।

লেখকের ইউআরএলঃ
অবস্থান: বাংলাদেশ
প্রোফাইলঃ ১০৬ views হয়েছে ।

ইমদাদুল হক মিলন, মন্তব্য সংখ্যাঃ ০

ইমদাদুল হক মিলন, পোষ্ট সংখ্যাঃ ৩৩

যুক্ত হয়েছেনঃ ডিসেম্বর ২১, ২০১২, শুক্রবার,

ইমদাদুল হক মিলন 'র পছন্দের পোষ্টঃ
  • "এখনো কোন পছন্দের পোষ্ট যুক্ত করেন নাই ।"

  • কাক ও রসগোল্লা

    সংযুক্তির তারিখঃ ১৫ এপ্রিল ২০১৭ লিখেছেনঃ ইমদাদুল হক মিলন

    এই কাকটা বেশি চালাক। বাজারের পাশের জামগাছে থাকে। আরাম-আয়েশেই দিন কাটে। মাছবাজারের ওদিকটায় আস্তাকুঁড়। সেখানে বিস্তর খাবার। মুদি-মনিহারি দোকানগুলোর পেছন দিকটায় পড়ে থাকে নানা রকম বাসি-পচা বিস্কুট, পাউরুটি ইত্যাদি। ইঁদুরের উৎপাত আছে দোকানপাটে। ইঁদুর ধরার কল বসিয়ে সেগুলো ধরে পিটিয়ে মেরে ফেলে দেওয়া হয়। খাদ্য হিসেবে ধাড়ি ইঁদুর খারাপ না। মাংসের দোকানগুলোর ওদিকে গরু-ছাগলের নাড়িভুঁড়ি […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    কয়েক রকম বাংলাবাজার

    সংযুক্তির তারিখঃ ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ লিখেছেনঃ ইমদাদুল হক মিলন

    অনেক দিন পর বাংলাবাজার গিয়েছি। তাও বেশ কয়েক বছর আগে। ইচ্ছে হলো, দেখি ফুটপাতে বইয়ের দোকানগুলো আগের মতো আছে কি না। কলেজিয়েট স্কুলের উল্টোদিককার ফুটপাতে দেখি কিছু দোকান আছে। তবে আগের মতো গল্প-উপন্যাসের কালেকশন নেই। বেশির ভাগই পাঠ্যবই। আগে পাঠ্যবইয়ের তুলনায় গল্প-উপন্যাস-কবিতা-প্রবন্ধ-বিজ্ঞান-ইতিহাস-জীবনী ইত্যাদিই বেশি থাকত। এখন উল্টো হয়ে গেছে। মস্কো থেকে আসা প্রগতি প্রকাশনীর কী […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    লোকটি রাজাকার ছিল

    সংযুক্তির তারিখঃ ১০ জানুয়ারী ২০১৭ লিখেছেনঃ ইমদাদুল হক মিলন

    চোখের বাঁধন খুলে দেওয়ার পর বোঝা গেল লোকটি খুবই নির্বোধ ধরনের। জগৎ সংসারের অনেক খবরই সে রাখে না। চেহারায় অলস আয়েশি ভাব। মাথার চুল কদম ছাঁট দেওয়া, কিন্তু রুক্ষ নয়, তেল দিয়ে বেশ পরিপাটি করা। মুখের ঘন কালো দাড়িগোঁফ যতনে ছাঁটা। চোখের কোণে বুঝি সুরমা ছিল, চেপে চোখ বাঁধার ফলে মুছে গেছে। পরনে হাতাঅলা কোরা […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    বন্ধু স্বজন

    সংযুক্তির তারিখঃ ২৪ জানুয়ারী ২০১৬ লিখেছেনঃ ইমদাদুল হক মিলন

    ইছাপুরার ধীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী মহাশয়ের দোতলা দালানবাড়ির নিচতলার বারান্দায় বসে গুড়-মুড়ি খাচ্ছে স্বজন। আজ সাত মাস এই বাড়িতে আছে তারা। প্রায়ই গুড়-মুড়ি খাওয়া হয় সকালবেলা। প্রথম প্রথম তেমন সুবিধার লাগেনি। গত কয়েকদিন ধরে জিনিসটা এত পছন্দ হচ্ছে, মনে হচ্ছে নাশতা হিসেবে গুড়-মুড়ির চে উপাদেয় কোনও খাবার পৃথিবীতে নেই। মুঠোভর্তি মুড়ি আর এক কামড় গুড় মুখে দিলে […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (১টি মন্তব্য )

    পারুলকন্যা

    সংযুক্তির তারিখঃ ১৯ অক্টোবর ২০১৫ লিখেছেনঃ ইমদাদুল হক মিলন

    কী খবর কবি সাহেব, কেমন রয়েছেন? সোফা-কাম বেডটিকে বেড করে দিয়ে গেছে একজন বয়। কেবিনেটে রাখা বালিশ বের করে দিয়েছে। দুপুরের পর থেকে শুয়ে আছে কবি। নকশিকাঁথা বের করে পা থেকে গলা পর্যন্ত ঢেকে রেখেছে। ঘুমাবার চেষ্টা করেছিল, হয়নি। ভেতরে শুধুই এক অস্থিরতা। এই হয়তো জ্ঞান ফিরলো মেয়েটির। জীবন-মৃত্যুর মাঝখান থেকে জীবনের দিকে ফিরে এলো। […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    বিনা খালাদের বাড়ি

    সংযুক্তির তারিখঃ ২৮ জুলাই ২০১৫ লিখেছেনঃ ইমদাদুল হক মিলন

    লিচুপাতা থেকে পিছলে পড়ছে সকালবেলার রোদ। একটুখানি হাওয়া আছে। সেই হাওয়া খোকন মামা মিন্টু মামার মুখের ঘাম মুছতে পারেনি। এই সকালেই কোথায় কোথায় যেন ছোটাছুটি করে এসেছেন দুজনে। ঘাড়ে-গলায় ঘাম, নাকের তলায় ঘাম। ঘামকণায় চিকচিক করছে মুখ। খোকন মামার হাতে গুলতি, মিন্টু মামা উৎসুক হয়ে তাকিয়ে আছেন তাঁর দিকে। লিচুডালে বসেছে শালিক পাখি। গুলতির কালো […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    রেশমি

    সংযুক্তির তারিখঃ ২৭ জুলাই ২০১৫ লিখেছেনঃ ইমদাদুল হক মিলন

    বসুন মারুফ সাহেব, বসুন। আমি আর রেশমি ডক্টর কামালের মুখোমুখি বসলাম। কী খবর বলুন। কেমন আছেন? ভালো। ভালো? তাহলে সায়কায়াট্রিস্টের কাছে এসছেন কেন? হা হা হা। কামাল সাহেবের প্রাণখোলা হাসি দেখে আমিও হাসলাম। তবে নিঃশব্দে। রেশমি গম্ভীর। বলুন ম্যাডাম, আপনিও কি ভালো আছেন? রেশমি আমতা গলায় বলল, না মানে… বলুন, আমাকে সব খুলে বলুন। আচ্ছা, […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    মানুষ ও খাঁচার পাখি

    সংযুক্তির তারিখঃ ২৩ এপ্রিল ২০১৫ লিখেছেনঃ ইমদাদুল হক মিলন

    চোখ ফোটার পর দেখেছি ভাঙাচোরা একটা দালানবাড়ি। এই ধরনের বাড়িকে বলে পরিত্যক্ত বাড়ি। কেউ বাস করে না। কতকালের পুরনো কে জানে! ছাদ দেয়াল ধসে গেছে, ইটগুলো আছে হাঁ করে। বট অশ্বত্থের চারা গজিয়েছে দেয়ালে কার্নিসে। কোনো কোনোটা বড়ও হয়েছে। জোরে হাওয়া দিলে ডালে পাতায় শন শন করে শব্দ হয়। বিশাল বাড়িটির চারদিকে একসময় দেয়াল ছিল। […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    শিশুহত্যা

    সংযুক্তির তারিখঃ ১৪ এপ্রিল ২০১৫ লিখেছেনঃ ইমদাদুল হক মিলন

    কী হয়েছে বাবা? মুখ তুলে তাকিয়েছি, দেখি সামনে এসে দাঁড়িয়েছে বড় মেয়ে। ঘুমভাঙা মুখ সদ্য ফোটা ফুলের মতো। সেই মুখের দিকে তাকিয়ে ভুলে গেলাম কী প্রশ্ন করেছে। বললাম, ‘তুমি এত সকালে উঠেছ কেন?’ ঘুম ভেঙে গেছে। চা খেতে ইচ্ছে করছে। খালি পেটে চা খেয়ো না। না, শুধু চা খাব না। বুয়াকে বলেছি পরোটা ভেজে দিতে। […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    সুদিনের আশায় সুসময়ের আশায়

    সংযুক্তির তারিখঃ ০১ জানুয়ারী ২০১৫ লিখেছেনঃ ইমদাদুল হক মিলন

    শুনেছি ‘যায় দিন ভালো, আসে দিন খারাপ’। ২০১৪ এই কথা ভুল প্রমাণ করেছে। বছরটা খুব খারাপ কাটল। কত প্রিয় মুখ, কত আলোকিতজন চলে গেলেন। একেকজন কৃতী মানুষ একেকটি বৃক্ষের মতো। তাঁদের চলে যাওয়া মানে মাথার ওপর থেকে ছায়া সরে যাওয়া। ২০১৪ বহু ক্ষেত্রে আমাদেরকে ছায়াহীন করেছে। মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ছিলেন এমন একজন। অন্যান্য বহু কীর্তির […] বিস্তারিত

    ট্যাগসমুহঃ

    মন্তব্য (নেই )

    ই-মেইলের মাধ্যমে নতুন পোষ্ট-এর জন্য

    আপনার ই-মেইল লিখুন

    ,

    অক্টোবর ১৯, ২০১৭,বৃহস্পতিবার

    Custom Search
    আপনার বিজ্ঞাপন !
    setubondhon

    বিজ্ঞাপনের জন্য