আলো আঁধারির খেলায়,
দাঁড়িয়েছি শেষ বেলায়
চোখে মুখে এসে পড়েছে তোমার কেশ
পাখিরা গাইছে বেলা শেষ; খেলা শেষ।
তবু যে কিসের গন্ধে উতলা মন
আমাকে টানছে ইশারায় অনুক্ষণ
আমিও চলেছি প্রবল হাওয়ার ঠেলায়
কোথায় চলেছি; অদৃষ্টের কোন মেলায়।
আলো আঁধারির খেলায়,
দাঁড়িয়েছি শেষ বেলায়
চোখে মুখে এসে পড়েছে তোমার কেশ
পাখিরা গাইছে বেলা শেষ; খেলা শেষ।
তবু যে কিসের গন্ধে উতলা মন
আমাকে টানছে ইশারায় অনুক্ষণ
আমিও চলেছি প্রবল হাওয়ার ঠেলায়
কোথায় চলেছি; অদৃষ্টের কোন মেলায়।
আমার রেফ্গুলো যদি তুমি বাজেয়াপ্ত করো তবে আমি ‘বর্শা’ লিখবো কী দিয়ে? তোমার ঐ তেকোণা ‘র’গুলো দিয়ে? তো, বর্শার তীক্ষ্ম ফলাটা কোথায় পাবো? আর আমার প্রিয় ‘বর্ষা’ লিখবো কী দিয়ে? বৃষ্টির তীব্র ফোঁটাগুলো কি রেফ্ ছাড়া আঁকা যাবে? আমার খুঁতগুলোও কি নিয়ে নেবে? —তা-হলে তো আমার ‘ভবিষ্যত্’-ই অন্ধকার! আমার পূর্বপুরুষদের স্বাস্থ্যোজ্জ্বল কোষাগারে ৫২টি দ্যুতিময় হীরক […]
এই মুহূর্তে, এক্ষুনি আমার একটু প্রেম দরকার। একটু আগেই কলমটা একগাদা নোংরা বমি করল। শুরুতেই ‘বিবর্ণ ধুসর প্রান্তর’। আমি দুহাত দিয়ে আপ্রান চেপে ধরলাম নীপটাকে। ফস্কে গেল, ছড়াত! কালি ছড়িয়ে পরল খাতার মধ্যিখানে। সেখান থেকে বেরিয়ে এলো এক নিকষ অন্ধকার, এবার সেই অন্ধকার ধীরে ধীরে হয়ে উঠল ‘রক্তস্রাব’। ঘিনঘিনে পোকাগুলো কিলবিলিয়ে সাঁতরাতে লাগল তার ওপর। […]
৫৪. হিরণবালা হিরণবালা তোমার কাছে দারুন ঋণী সারা জীবন যেমন ঋণী আব্বা এবং মায়ের কাছে। ফুলের কাছে মৌমাছিরা বায়ুর কাছে নদীর বুকে জলের খেলা যেমন ঋণী খোদার কসম হিরণবালা তোমার কাছে আমিও ঠিক তেমনি ঋণী। তোমার বুকে বুক রেখেছি বলেই আমি পবিত্র আজ তোমার জলে স্নান করেছি বলেই আমি বিশুদ্ধ আজ যৌবনে এই তৃষ্ণা কাতর […]
