বৃষ্টিতে না হোক, তবু অন্য কিছু ঘটুক এখন
এমন রাত্রিতে এসে থেমে যাবে বন্ধ্যা বিস্ময়?
হতাহত, অনাদর, অপমানে-আরক্ত ভ্রমণ-
সানুদেশে একত্রিত, আরোহণও নিরাপদ নয়।
জ্যেষ্ঠদের উৎসাহে নারীদের গোপন রোদনে
যদিও দাঁড়ালো উঠে যুবকেরা, শিশুর জনক
এমনকি কিশোরেরা কেঁটে ওঠে মোহিত বোধনে
বৃদ্ধেরা চিন্তিত, তবু পিছু ফেরা আরো ভয়ানক।
আরো ভয়ঙ্কর ওই পর্বতের তির্যক চূড়াটা
কঠিন কৃষ কান্তি, চিরকুট পিচ্ছিল পাথর,
সহসা পেশল শব্দে যাত্রীদের প্রথম ঘোড়াটা
অতর্কিত লাফ দেয় বাতাসের বুকের ওপর
অতল নৈঃশব্দে যেন উপচালো ঐক্যের আঁধার
কে যেন ফুঁপিয়ে কাঁদে, পুরুষের প্রেয়সী না রোল
একদিন চূর্ণ হবে এই তিক্ত গোলক-ধাঁধার
এখন মশালে দাও এক বিন্দু স্নেহের আগুন।
Related Articles
দিন আনি দিন খাই
আমরা যারা দিন আনি, দিন খাই, আমরা যারা হাজার হাজার দিন খেয়ে ফেলেছি, বৃষ্টির দিন, মেঘলা দিন, কুয়াশা ঘেরা দিন, স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে অধীর প্রতীক্ষারত দিন, অপমানে মাথা নিচু করে চোরের মত চলে যাওয়ার দিন, খালি পেট, ছেঁড়া চটি, ঘামে ভেজা দিন, নদীর জলের আয়নায়, বড় সাহেবের ফুলের বাগানে দিন, নৌকার সাদা জালে ঢেউয়ের চুড়ায় ভেসে […]
ছেঁড়া বা খোঁড়া বা ওড়া
স্মৃতিটা ছিল অসম্পূর্ণ। শরীররটা ছিল দামী। তোমার আঙুল বুনছিলো যাকে, সে-কি আমি, সেকি আমি? উত্তর দেয়ার আগে থামিয়ে দিলে সুঁইসুতো। থামলো বুনন। সেই থেকে শুধু খুঁড়ছি, সেই থেকে শুধু উড়ছি … সেই থেকে শুধু গুণছি যার যার স্বর্গপতন।
নিঃসঙ্গ কবি, নির্জন রেস্তোরাঁ
মাথার ভেতরে লেখা। অদূরে রেস্তোরাঁ। আষাঢ় সেজেছে খুব মেঘে মেঘে-মনে সে করাবে বিরহ বিপন্ন দিন-রাস্তাঘাট আদ্যোপান্ত খোঁড়া। মাটির পাহাড়গুলো কতদিনে কে জানে সরাবে! এরই মধ্যে পথ করে নিতে হবে আজ। অপেক্ষায় কবিতা ও কফি। হঠাৎ বৃষ্টির শুরু, ধমকাল বাজ। পিছলে পা পড়ে গেল কবি। সমস্ত শরীরে কাদা। এভাবে কি যাওয়া যেতে পারে? বিমূঢ় দাঁড়িয়ে থেকে […]

