বৃষ্টিতে না হোক, তবু অন্য কিছু ঘটুক এখন
এমন রাত্রিতে এসে থেমে যাবে বন্ধ্যা বিস্ময়?
হতাহত, অনাদর, অপমানে-আরক্ত ভ্রমণ-
সানুদেশে একত্রিত, আরোহণও নিরাপদ নয়।
জ্যেষ্ঠদের উৎসাহে নারীদের গোপন রোদনে
যদিও দাঁড়ালো উঠে যুবকেরা, শিশুর জনক
এমনকি কিশোরেরা কেঁটে ওঠে মোহিত বোধনে
বৃদ্ধেরা চিন্তিত, তবু পিছু ফেরা আরো ভয়ানক।
আরো ভয়ঙ্কর ওই পর্বতের তির্যক চূড়াটা
কঠিন কৃষ কান্তি, চিরকুট পিচ্ছিল পাথর,
সহসা পেশল শব্দে যাত্রীদের প্রথম ঘোড়াটা
অতর্কিত লাফ দেয় বাতাসের বুকের ওপর
অতল নৈঃশব্দে যেন উপচালো ঐক্যের আঁধার
কে যেন ফুঁপিয়ে কাঁদে, পুরুষের প্রেয়সী না রোল
একদিন চূর্ণ হবে এই তিক্ত গোলক-ধাঁধার
এখন মশালে দাও এক বিন্দু স্নেহের আগুন।
Related Articles
বৃষ্টি
খররৌদ্রময় এই দিন— শ্যামল বাংলায় বুঝি ফের নেমে আসে খরা! খরতাপে রুদ্ধশ্বাসক্ষুদ্র এই গ্রামীণ শহর, এ রকম এই দিনে চেতনায়ও খরার প্রদাহ— নির্বাচনে হেরে-যাওয়া প্রার্থী যেন: বিরক্ত, বিব্রত; এ রকম দুঃসময়ে এল বৃষ্টির শব্দের মতো সুখকর এই পত্র—প্রাগের প্রাচীর থেকে উড়ে! কুপিত, বিব্রতকর এই রোদে খামটি খুলিনি; আমি তো অপেক্ষা জানি: এই খররৌদ্রে কখনো কি […]
সেই সবও তুমি
তোমাকেই দৃশ্য মনে হয়। তোমার ভিতরে সব দৃশ্য ঢুকে গেছে। কাচের আলমারি যেন, থাকে থাকে, পরতে পরতে শরতের, হেমন্তের, বসন্তের শাড়ি গয়না দুল, নদীর নবীন বাঁকা, বৃষ্টির নুপুর, জল, জলদ উদ্ভিদ। সাঁচীস্তুপে, কোনারকে যায় যারা, গিয়ে ফিরে আসে দুধ জ্বাল দিয়ে দিয়ে ক্ষীর করা স্বাদ জিভে নিয়ে তোমার ভিতরে সেই ভাস্কর্যেরও লাবণ্য রয়েছে। কোন্খানে আছে? […]
টেলিফোনে প্রস্তাব
আমি জানি, আমাদের কথার ভিতরে এমন কিছুই নেই, অনর্থ করলেও যার সাহায্যে পরস্পরের প্রতি আমাদের দুর্বলতা প্রমাণ করা সম্ভব। আমিও তো তোমার মতোই অসম্পর্কিত-জ্ঞানে এতদিন উপস্থাপন করেছি আমাকে। তুমি যখন টেলিফোন হয়ে প্রবেশ করেছো আমার কর্ণে- আমার অপেক্ষাকাতর হৃৎপিণ্ডের সামান্য কম্পনও আমি তোমাকে বুঝতে দিই নি। দুর্বলতা ধরা পড়ে যায় পাছে। তুমিও নিষ্ঠুর কম নও, […]

