আদি সত্যের পাশ দিয়ে একটি নদী বইছিল
আমি সামান্য মানুষ, নদীকে বললাম, থামো
আর দেখো, উতরোল জলস্রোতে
কাঁপতে কাঁপতে নিশ্চল সত্য
কত অনায়াসে ডুবে গেল।
নিমজ্জিত সত্যের ওপর এখন কালান্তক
ঢেউয়ের বুদবুদ। পাখি উড়ছে
কোয়াক কোয়াক করে ডাকছে।
একটি যাযাবর হাঁস। একটি মাঝি
পালের দড়িছড়া ঠিক করতে করতে
গাইল ‘মনমাঝি তোর বৈঠা নেরে
আমি আর বাইতে পারলাম না।’
দেখলাম
বানের জল এমন ঘোলা যে,
হারিয়ে যাওয়া নাকফুলের হদিস করতে
আজ আর কেউ নদীতে নামবে না।
Related Articles
”তবুও বৃষ্টি আসুক” …..শফিকুল ইসলাম
‘তবুও বৃষ্টি আসুক’ কবি শফিকুল ইসলামের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ। গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে আগামী প্রকাশনী। তার কবিতা আমি ইতিপূর্বে পড়েছি । ভাষা বর্ণনা প্রাঞ্জল এবং তীব্র নির্বাচনী। ‘তবুও বৃষ্টি আসুক’ গ্রন্থে মোট ৪১ টি কবিতা রচিত হয়েছে। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত এ গ্রন্থ পাঠ করে পূর্বেই বলেছি, মন অনাবিল তৃপ্তিতে ভরে যায়। – ডঃ আশরাফ সিদ্দিকী, সাবেক মহাপরিচালক, বাংলা একাডেমী। […]
মাতাল ও মাছকন্যা
অনুবাদ:চয়ন খায়রুল হাবিব এক্কেবারে নেংটো মেয়েটি ঢোকবার সময় পানাশালাত বেশ ক’জন জোয়ান মর্দ বসে বসে পান করছিল। পান করতে করতে,ওরা মেয়েটির দিকে থু থু থু…করে থুতু ছিটাচ্ছিল। সবে সাগর থেকে উঠে আসা মেয়েটি এসবের কিছুই বুঝতে পারছিল না। মেয়েটি পথ হারানো মাছকন্যা । টিটকারি থু থুক্কার জ্বলজ্বলে মাংশ ছুয়ে পিছলে পিছলে খসে পড়ছিল। খিস্তি খেউড়ে […]
বৃক্ষের ভাগ্যকে ঈর্ষা করি
বৃক্ষের ভাগ্যকে ঈর্ষা করি। নিজের বেদনা থেকে নিজেই ফোটায় পুস্পদল। নিজের কস্তুরী গন্ধে নিজেই বিহ্বল। বিদীর্ণ বল্কলে বাজে বসন্তের বাঁশরী বারংবার আত্মজ কুসুমগুলি সহস্র চুম্বনচিহ্নে অলংকৃত করে ওষ্ঠতল। আমি একা ফুটিতে পারি না। আমি একা ফোটাতে পারি না। রক্তের বিষাদ থেকে একটি আরক্তিম কুসুমও। আমাকে বৃক্ষের ভাগ্য তুমি দিতে পারো। বহুজন্ম বসন্তের অম্লান মঞ্জুরী ফুটে […]

