আদি সত্যের পাশ দিয়ে একটি নদী বইছিল
আমি সামান্য মানুষ, নদীকে বললাম, থামো
আর দেখো, উতরোল জলস্রোতে
কাঁপতে কাঁপতে নিশ্চল সত্য
কত অনায়াসে ডুবে গেল।
নিমজ্জিত সত্যের ওপর এখন কালান্তক
ঢেউয়ের বুদবুদ। পাখি উড়ছে
কোয়াক কোয়াক করে ডাকছে।
একটি যাযাবর হাঁস। একটি মাঝি
পালের দড়িছড়া ঠিক করতে করতে
গাইল ‘মনমাঝি তোর বৈঠা নেরে
আমি আর বাইতে পারলাম না।’
দেখলাম
বানের জল এমন ঘোলা যে,
হারিয়ে যাওয়া নাকফুলের হদিস করতে
আজ আর কেউ নদীতে নামবে না।
Related Articles
কাছের মানুষ
কালো রাতের জানলার ফাঁকে একফালি নাগরিক আকাশ আমার একমাত্র অবকাশ। রংবেরঙের কিছু স্মৃতি শুধু রইল পড়ে রইল দুধে-আলতা বিকেল বেলা অনিদ্রিত স্বপ্নমাখা সে এক রাত কিছু কবিতা, অনেক গান পুরনো কয়েকটা বই। আলো আঁধারে প্রতিক্ষণে যখন রক্তক্ষরণ ঘটে প্রাণে তখন সেই স্মৃতি হাতড়ে খুঁজে বেড়াই কাছে দূরে, নীলাভ আকাশের সবুজ ছায়ায় মুহূর্তের নিঃসঙ্গ স্তব্ধতা।
কথোপকথন-৪১
-বৃক্ষের বল্কল দেখে মনে হয় যেন আমাদের কথোপকথনগুলো যাতে না হারায় আশ্চর্য হরফে লিখে রেখেছে উল্কির মতো নিজেদের গায়। পৃথিবীর বৃক্ষগুলো মানুষের গোপনীয়তম সমস্ত সংবাদ জানে,এমনকি তোমাকে যা কখনো বলিনি হৃদয়ের সেই সব তূর্ষনাদও আর্তনাদও জানে। -নভোমন্ডলের দিকে চেয়ে থেকে ঠিক এরকমই ভেবেছি আমিও। কোন গোপন আলমারী ঘেঁটে-ঘুঁটে তোমাকে যে-সব চিঠি লিখেছি,যা কখনো লিখিনি নক্ষত্র-অক্ষরে […]
একটি কথা
একটি কথা বাকি রইলো থেকেই যাবে ৷ মন ভোলালো ছদ্মবেশী মায়া, আর একটু দূর গেলেই ছিল স্বর্গ নদী দূরের মধ্যে দূরত্ব বোধ কে সরাবে? ফিরে আসার আগেই পেল খুব পিপাশা, বালির নিচে বালিই ছিল, আর কিছুই না ৷ রৌদ্র যেন হিংসা, খায় সমস্তটা ছায়া, রাত্রি যেমন কাঁটা, জানে শব্দভেদী ভাষা। বালির নিচে বালিই ছিল, আর […]

