চোখ ধাঁধিয়ে তিরতিরিয়ে কাঁপছে ভীষণ
রেলের পাটি।
দুই শালিকে ঠোঁট নাড়িয়ে চিল চীৎকার
ঝগড়াঝাঁটি।
লাল মোরামের ভ্রান্ত পথের ক্লান্ত পথিক
ছোটাছুটি।
শাল পিয়ালের গহন বনে মেঘ কালো মেয়ে
রূপরেখাটি।
তপ্ত দুপুর মাটির দাওয়ায় ভাত ঘুমের ওই
শীতলপাটি।
তন্দ্রা চোখে পেঁজা তুলোর স্বপ্ন ফেরী
কাটাকুটি।
Related Articles
একটি কবিতার জন্য
বৃক্ষের নিকটে গিয়ে বলি ; দয়াবান বৃক্ষ তুমি একটি কবিতা দিতে পারো ? বৃক্ষ বলে আমার বাকল ফুঁড়ে আমার মজ্জায় যদি মিশে যেতে পারো, তবে হয়তো বা পেয়ে যাবে একটি কবিতা ! জীর্ণ দেয়ালের কানে বলি ; দেয়াল আমাকে তুমি একটি কবিতা দিতে পারো ? পুরোনো দেয়াল বলে শ্যাওলা-ঢাকা স্বরে, এই ইঁট সুরকির ভেতর যদি […]
যখন বৃষ্টি নামলো
বুকের মধ্যে বৃষ্টি নামে, নৌকা টলোমলো কূল ছেড়ে আজ অকূলে যাই এমনও সম্বল নেই নিকটে – হয়তো ছিল বৃষ্টি আসার আগে চলচ্ছক্তিহীন হয়েছি, তাই কি মনে জাগে পড়োবাড়ির স্মৃতি ? আমার মধ্যে স্বপ্নে-মেশা দিনও ? চলচ্ছক্তিহীন হয়েছি, চলচ্ছক্তিহীন। বৃষ্টি নামলো যখন আমি উঠান পানে একা দৌড়ে গিয়ে, ভেবেছিলাম তোমার পাবো দেখা হয়তো মেঘে-বৃষ্টিতে বা শিউলিগাছের […]
প্রেম চাই
এই মুহূর্তে, এক্ষুনি আমার একটু প্রেম দরকার। একটু আগেই কলমটা একগাদা নোংরা বমি করল। শুরুতেই ‘বিবর্ণ ধুসর প্রান্তর’। আমি দুহাত দিয়ে আপ্রান চেপে ধরলাম নীপটাকে। ফস্কে গেল, ছড়াত! কালি ছড়িয়ে পরল খাতার মধ্যিখানে। সেখান থেকে বেরিয়ে এলো এক নিকষ অন্ধকার, এবার সেই অন্ধকার ধীরে ধীরে হয়ে উঠল ‘রক্তস্রাব’। ঘিনঘিনে পোকাগুলো কিলবিলিয়ে সাঁতরাতে লাগল তার ওপর। […]

