চোখ ধাঁধিয়ে তিরতিরিয়ে কাঁপছে ভীষণ
রেলের পাটি।
দুই শালিকে ঠোঁট নাড়িয়ে চিল চীৎকার
ঝগড়াঝাঁটি।
লাল মোরামের ভ্রান্ত পথের ক্লান্ত পথিক
ছোটাছুটি।
শাল পিয়ালের গহন বনে মেঘ কালো মেয়ে
রূপরেখাটি।
তপ্ত দুপুর মাটির দাওয়ায় ভাত ঘুমের ওই
শীতলপাটি।
তন্দ্রা চোখে পেঁজা তুলোর স্বপ্ন ফেরী
কাটাকুটি।
Related Articles
ঘাস
তার চেয়ে ঘাস হয়ে যাই চল, তাকে বলেছিলাম, সে বলেছিল চল। বলেছিল, তুমি আগে হও, আমি পরে। বলেছিল, তোমার ডগায় ছোট চুমু খেয়ে তারপর আমি। ঘাস হলাম, সে হলো না। আমাকে পায়ে মাড়িয়ে অন্য কোথাও চলে গেল। কোথায় কার কাছে কে জানে ! ঘাসের কি সাধ্য আছে খোঁজ নেয় ! কোনও একদিন বছর গেলে শুনি […]
গেরিলা
দেখতে কেমন তুমি? কী রকম পোশাক-আকাশ পরে করো চলাফেলা? মাথায় আছে কি জটাজাল? পেছনে দেখাতে পারো জ্যোতিশ্চক্র সন্তের মতন? টুপিতে পালক গুঁজে অথবা জবরজং, ঢোলা পাজামা কামিজ গায়ে মগডালে একা শিস দাও পাখির মতোই কিংবা চা-খানায় বসো ছায়াচ্ছন্ন? দেখতে কেমন তুমি? অনেকেই প্রশ্ন করে, খোঁজে কুলুজি তোমার আতিপাতি। তোমার সন্ধানে ঘোরে ঝানু গুপ্তচর সৈন্য, পাড়ায় […]
কবিতা এমন
কবিতা তো কৈশোরের স্মৃতি। সে তো ভেসে ওঠা ম্লান আমার মায়ের মুখ; নিম ডালে বসে থাকা হলুদ পাখিটি পাতার আগুন ঘিরে রাতজাগা ভাই-বোন আব্বার ফিরে আসা, সাইকেলের ঘন্টাধ্বনি–রাবেয়া রাবেয়া– আমার মায়ের নামে খুলে যাওয়া দক্ষিণের ভেজানো কপাট! কবিতা তো ফিরে যাওয়া পার হয়ে হাঁটুজল নদী কুয়াশায়-ঢাকা-পথ, ভোরের আজান কিম্বা নাড়ার দহন পিঠার পেটের ভাগে ফুলে […]

