চোখ ধাঁধিয়ে তিরতিরিয়ে কাঁপছে ভীষণ
রেলের পাটি।
দুই শালিকে ঠোঁট নাড়িয়ে চিল চীৎকার
ঝগড়াঝাঁটি।
লাল মোরামের ভ্রান্ত পথের ক্লান্ত পথিক
ছোটাছুটি।
শাল পিয়ালের গহন বনে মেঘ কালো মেয়ে
রূপরেখাটি।
তপ্ত দুপুর মাটির দাওয়ায় ভাত ঘুমের ওই
শীতলপাটি।
তন্দ্রা চোখে পেঁজা তুলোর স্বপ্ন ফেরী
কাটাকুটি।
Related Articles
শ্লোগান
ফিরছে সবাই, ধারাজলে সুখী খড়কুটো, ফিরছে সবাই। তৃপ্ত উজ্জ্বল মুখ, সিল্কের নরম ঢেউ, মসৃণ বিহ্বল চুল ঠেকিয়ে প্রফুল্ল মেঘে, বেহালার সুর ঢেলে ধাতুতে কংক্রিটে ব্যর্থতার স্পর্শহীন বিশাল ব্যাপক জনমণ্ডলি ফিরে যাচ্ছে ঘরে। পতাকাখচিত সুখ দোলে চারপাশে, বাতাসে ঝলকে ওঠে সেতারের সোনা তান। যা কিছু চেয়েছে তারা: ঘুম, কুসুম, দু-চোখে নদীর রেখা, উজ্জ্বল ধানের গুচ্ছ, ওষ্ঠে […]
সেই সবও তুমি
তোমাকেই দৃশ্য মনে হয়। তোমার ভিতরে সব দৃশ্য ঢুকে গেছে। কাচের আলমারি যেন, থাকে থাকে, পরতে পরতে শরতের, হেমন্তের, বসন্তের শাড়ি গয়না দুল, নদীর নবীন বাঁকা, বৃষ্টির নুপুর, জল, জলদ উদ্ভিদ। সাঁচীস্তুপে, কোনারকে যায় যারা, গিয়ে ফিরে আসে দুধ জ্বাল দিয়ে দিয়ে ক্ষীর করা স্বাদ জিভে নিয়ে তোমার ভিতরে সেই ভাস্কর্যেরও লাবণ্য রয়েছে। কোন্খানে আছে? […]
দিগ্বিজয়ী তোমার স্বামী
চলতে চলতে বলতে থাকি তোমার কথা পথের মাঝে ছড়িয়ে আছে বৃক্ষলতা। দুলছে যেন এ প্রকৃতি! কালো কালো কেশের মতো, দেখতে লাগে হঠাৎ, কোনো দেশের মতো। হেঁটেছি তো বহুদূরের পথের শেষে কোথায় গেলাম, কোথায় আছি; অবশেষে। দেখছি ছায়া মায়াভরা চোখের কাজল কাঁদছে যেন এ প্রকৃতি! একি তোমার দেহের প্রবল! বা দিকটা ধরতে গেলাম, স্কন্ধে কী গো? […]

