পাতার পর পাতা উলটে যাই
হিজিবিজি কালো পিঁপড়ের জঙ্গল।
মস্তিষ্কের চারপাশে গভীর পরিখা,
অনধিকার প্রবেশ নিষেধ।
অথৈ জলে নাকানিচোবানি
হারিয়ে যাওয়া শব্দের সন্ধানে।
কাঁঠাল পাতার আঁঠার অন্বেষণ
জুড়ে নিতে চাই আধ পোড়া কবিতার ছাই।
করনসুধায় টালমাটাল ব্যাকরণ
অশিক্ষিতের কবিতা বিলাস এ ছেদবিন্দু।
Related Articles
আমাকে ভালোবাসার পর
আমাকে ভালবাসার পর আর কিছুই আগের মত থাকবে না তোমার, যেমন হিরোশিমার পর আর কিছুই আগের মতো নেই উত্তর থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত। যে কলিংবেল বাজে নি তাকেই মুর্হুমুহু শুনবে বজ্রের মত বেজে উঠতে এবং থরথর ক’রে উঠবে দরোজাজানালা আর তোমার হৃৎপিন্ড। পরমুহূর্তেই তোমার ঝনঝন-ক’রে ওঠা এলোমেলো রক্ত ঠান্ডা হ’য়ে যাবে যেমন একাত্তরে দরোজায় বুটের […]
এক একদিন উদাসীন
এমনও তো হয় কোনোদিন পৃথিবী বন্ধবহীন তুমি যাও রেলব্রীজে এক- ধূসর সন্ধ্যায় নামে ছায়া নদীটিও স্থিরকায়া বিজনে নিজের সঙ্গে দেখা। ইস্টিশানে অতি ক্ষীণ আলো তাও কে বেসেছে ভালো এত প্রিয় এখন দ্যুলোক হে মানুষ, বিস্মৃত নিমেষে তুমিও বলেছো হেসে বেঁচে থাকা স্বপ্নভাঙা শোক! মনে পড়ে সেই মিথ্যে নেশা? দাপটে উল্লাসে মেশা অহঙ্কারী হাতে তরবারী লোভী […]
নীরেন, তোমার ন্যাংটো রাজা
নীরেন! তোমার ন্যাংটো রাজা পোশাক ছেড়ে পোশাক পড়েছে! নাকি, তোমার রাজাই বদলেছে? সেই শিশুটি কোথায় গেল যেই শিশুটি সেদিন ছিল? নীরেন, তুমি বলতে পারো, কোথায় গেল সে? নাকি, তুমি বলবে না আর ; তোমার যে আজ মাইনে বেড়েছে! হেইও হো! হেইও হো! পোষাক ছাড়া নীরেন, তুমি, তুমিও ন্যাংটো | কিন্তু ঘরে তেমন একটি আয়না রাখে […]

