পাতার পর পাতা উলটে যাই
হিজিবিজি কালো পিঁপড়ের জঙ্গল।
মস্তিষ্কের চারপাশে গভীর পরিখা,
অনধিকার প্রবেশ নিষেধ।
অথৈ জলে নাকানিচোবানি
হারিয়ে যাওয়া শব্দের সন্ধানে।
কাঁঠাল পাতার আঁঠার অন্বেষণ
জুড়ে নিতে চাই আধ পোড়া কবিতার ছাই।
করনসুধায় টালমাটাল ব্যাকরণ
অশিক্ষিতের কবিতা বিলাস এ ছেদবিন্দু।
Related Articles
প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার
( ১৯৬৩ সালে রচিত এবং ১৯৬৪ সালে ‘হাংরি বুলেটিন’-এ প্রকাশিত এই কবিতাটির জন্য মলয় রায়চৌধুরী গ্রেপ্তার হন– সাহিত্যে অশ্লীলতা ও সমাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে । তাঁর বিরুদ্ধে ৩৫ মাস ব্যাপী মকদ্দমা চলে চলে। কলকাতার নিম্ন আদালতে তাঁর সাজা হলেও উচ্চ আদালতে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হন। মলয়ের পক্ষে আদালতে সাক্ষী ছিলেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, তরুণ সান্যাল, জ্যোতির্ময় […]
বৈশাখ! বৈশাখ!
এই আমার পহেলা বৈশাখ এভাবেই আমার ইতিহাস, এভাবেই আমি, বৈশাখের এই মাঠের মেলায়, গ্রামীণ গরীব এক সার্কাসের তাঁবুতে লম্বমান দড়ির পিঁড়িতে। উজ্জ্বল আলো, সঙ্গীতের ঝমঝম, টানটান ভাসমান আমি পরের দড়িটি লাফ দিয়ে ধরবার জন্যে দোল খাচ্ছি দোল খাচ্ছি, দর্শকের স্তম্ভিত নিঃশ্বাস, কিন্তু দৃষ্টি নেই তাদের ওপরে, তারা কিছু নয়! দড়িটিই কেবল আমার চেতনায়_ এভাবেই আমার […]
যেওনা চলে
চলে যদি যাও সে বড় মন্দ হবে। যে বকুল কুঁড়ি তোমার আঁচলে জড়ানো আছে, থোকায় থোকায় নাচবে গাছে; সেই অভিলাষ অকালে ঝরে কালের খাঁচায় বন্ধ হবে। তবু যদি যাও চলে, সে বড় মন্দ হবে। ল্যাজঝোলাটা রোজ এই একই সময়ে ফেরে বাসায়; পাখা ঝাপটে তোমার নজর টানার করে অভিনয়। তৎক্ষণাৎ চকিতে সামান্য দৃষ্টি বিনিময় হয়; লাজুক […]

