পাতার পর পাতা উলটে যাই
হিজিবিজি কালো পিঁপড়ের জঙ্গল।
মস্তিষ্কের চারপাশে গভীর পরিখা,
অনধিকার প্রবেশ নিষেধ।
অথৈ জলে নাকানিচোবানি
হারিয়ে যাওয়া শব্দের সন্ধানে।
কাঁঠাল পাতার আঁঠার অন্বেষণ
জুড়ে নিতে চাই আধ পোড়া কবিতার ছাই।
করনসুধায় টালমাটাল ব্যাকরণ
অশিক্ষিতের কবিতা বিলাস এ ছেদবিন্দু।
Related Articles
দেখে এসো একবার
ছাদের কোনায় টবের গোলাপটা মনে আছে? তোমাকে অভিবাদন জানাতে দুলে উঠেছিল মন্দ্র। কোমল ওষ্ঠে মাখিয়ে দিয়েছিল পরাগ; তর্জনীতে তোমার বিঁধে গিয়েছিল কুসুম রক্ষীর কাঁটা… তুমি কিন্তু এক ফোঁটাও রাগ করনি। এখন সে বাক্সবন্দী… বটানি খাতার পাতায় শুষ্ক। পারো যদি, দেখে এসো একবার… গ্রিলের ফাঁক গলে বেরিয়ে আসা সেই বেড়াল ছানাটা মনে পরে? নির্ভাবনায় এসে শুয়ে […]
পালের নাও
পালের নাও, পালের নাও, পান খেয়ে যাও – ঘরে আছে ছোট বোনটি তারে নিয়ে যাও। কপিল-সারি গাইয়ের দুধ যেয়ো পান করে’ কৌটা ভরি সিঁদুর দেব কপালটি ভরে’! গুয়ার গায়ে ফুল চন্দন দেব ঘসে’ ঘসে’, মামা-বাড়ীর বলব কথা শুনো বসে বসে! কে যাওরে পাল ভরে’ কোন্ দেশে ঘর পাছা নায়ে বসে আছে কোন্ সওদাগর? কোন্ দেশে […]
কবিতা এমন
কবিতা তো কৈশরের স্মৃতি । সে তো ভেসে ওঠা ম্লান আমার মায়ের মুখ ; নিম ডালে বসে থাকা হলুদ পাখিটি পাতার আগুন ঘিরে রাতজাগা ছোট ভাই-বোন আব্বার ফিরে আসা, সাইকেলের ঘণ্টাধ্বনি- রাবেয়া রাবেয়া- আমার মায়ের নামে খুলে যাওয়া দক্ষিনের ভেজানো কপাট ! কবিতা তো ফিরে যাওয়া পার হয়ে হাঁটুজল নদী কুয়াশায়-ঢাকা-পথ, ভোরের আজান কিম্বা নাড়ার […]

