তোমার তুলনা মতে নৈশব্দের পাথর ফেটেছে
নিরুত্তর শিলাস্তর তবু আমি স্পর্শ করে বুঝি
দিনান্তের তাপটুকু লেগে আছে পাষানে খানিক,
নির্মম আবেগে তাই গ্লানিতেই গ- চেপে ধরি।
কবে যে তোমার চোখ পৃথিবীর প্রথম আগুনে
লোভীর জিহ্বার মতো তুলে নীল শিখার ঝিলিক
প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল অবিরাম চুম্বনে চাপনে
আমার বিদীর্ণ ওষ্ঠে লেপে দেবে রক্তের লালচ
এখনো তেমনি আছি অবিমৃষ্য কবির মতোই
ফাটা ঠোঁটে বলি, ওগো ভালোবাসি তোমাকে কে সেই
যেমন চিলের দৃষ্টি ভূপৃষ্ঠের খাদ্য খুঁজে ফেরে
যেমন মেঘের ভেলা ভেসে গিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘাকে
দারুণ বেষ্টন দিয়ে শুরু করে জলের স্তম্ভন অথবা
প্রবল বেগে নেমে আসে এই বাংলাদেশে
আইলের মালিকানাময় কিষাণের ছেকের ভেতর।
আমিও তেমনি নামি ছদ্মবেশী বঙ্গোপসাগর
বৃষ্টি বিবৃতি ঝরি, জলবিন্দু, নিস্তব্ধ তোমাতে।
Related Articles
হঠাৎ-দেখা
রেলগাড়ির কামরায় হঠাৎ দেখা , ভাবিনি সম্ভব হবে কোনদিন ।। আগে ওকে বারবার দেখেছি লাল রঙের শাড়িতে — দালিম-ফুলের মত রাঙা; আজ পরেছে কালো রেশমের কাপড়, আঁচল তুলেছে মাথায় দোলন-চাঁপার মত চিকন-গৌর মুখখানি ঘিরে । মনে হল, কাল রঙের একটা গভীর দূরত্ব ঘনিয়ে নিয়েছে নিজের চার দিকে , যে দূরত্ব সর্ষেক্ষেতের শেষ সীমানায় শালবনের নীলাঞ্জনে […]
দিনরাত
দিনরাত মৃত্যু চলে সন্তান অবধি। দেখা তো হয়েছে ক্রূর যমের সহিত, তাকে বলা গেছে, আমি একাকীই যাবো। গঙ্গার তরঙ্গভঙ্গে নিভে যাবে আলো, আমি যাবো, সঙ্গে নিয়ে যাবো না কারুকে একা যাবো দিনরাত মৃত্যু চলে সন্তান অবধি!
অনন্তবাহিনী ঐ তীরে
সবার জীবনে আছে ভোরবেলা, আমার তা নেই, আমার অনন্ত রাত্রি, আমার জীবনে কোনো ভোর নেই_ শুধু রাত্রি, রাত্রি_ আমার বৌয়ের নাম : রাত্রি! আমার অনন্ত রাত্রি_ রাত্রিই আমার চিরসখী। এই প্রিয় রাত্রিবেলা খেলা আমি করি অন্ধকারে; অন্ধকার; আমার আরেক বধূ_ রাত্রির যমজ! সবার জীবনে আছে ভোরবেলা, আমার তা নেই ভোর কাকে বলে আমি তা জানি […]


