আষাঢ়, কোথা হতে আজ পেলি ছাড়া।
মাঠের শেষে শ্যামল বেশে ক্ষনেক দাঁড়া ।।
জয়ধ্বজা ওই-যে তোমার গগন জুড়ে
পুব হতে কোন্ পশ্চিমেতে যায় রে উড়ে,
গুরুগুরু ভেরী কারে দেয় যে সাড়া ।।
নাচের নেশা লাগলো তালের পাতায় পাতায়,
হাওয়ার দোলায় দোলায় শালের বনকে মাতায়।
আকাশ হতে আকাশে কার ছুটোছুটি,
বনে বনে মেঘের ছায়ায় লুটোপুটি-
ভরা নদীর ঢেউয়ে ঢেউয়ে কে দেয় নাড়া।।
Related Articles
শুনি ক্ষণে ক্ষণে মনে মনে
শুনি ক্ষণে ক্ষণে মনে মনে অতল জলের আহ্বান। মন রয় না, রয় না, রয় না ঘরে, চঞ্চল প্রাণ। ভাসায়ে দিব আপনারে, ভরা জোয়ারে, সকল ভাবনা-ডুবানো ধারায় করিব স্নান। ব্যর্থ বাসনার দাহ হবে নির্বাণ। ঢেউ দিয়েছে জলে। ঢেউ দিল আমার মর্মতলে। এ কী ব্যাকুলতা আজি আকাশে, এই বাতাসে যেন উতলা অপ্সরীর উত্তরীয় করে রোমাঞ্চ দান, দূর […]
বড় আশা করে এসেছি গো
বড় আশা করে এসেছি গো কাছে ডেকে লও ফিরাইও না জননী। দিনহীনে কেহ চাহে না তুমি তারে রাখিবে জানি গো। আর আমি যে কিছু চাহিনে চরণও তলে বসে থাকিব, আর আমি যে কিছু চাহিনে জননী বলে শুধু ডাকিব । তুমি না রাখিলে গৃহ আর পাইব কোথায় কেঁদে কেঁদে কোথা বেড়াব ঐ যে হেরী তমশ ঘন […]
তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা
তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা, এ সমুদ্রে আর কভু হব নাকো পথহারা। যেথা আমি যাই নাকো তুমি প্রকাশিত থাকো, আকুল নয়নজলে ঢালো গো কিরণধারা ॥ তব মুখ সদা মনে জাগিতেছে সংগোপনে, তিলেক অন্তর হলে না হেরি কূল-কিনারা। কখনো বিপথে যদি ভ্রমিতে চাহে এ হৃদি অমনি ও মুখ হেরি শরমে সে হয় সারা।

